প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু করা হোক সম্মানিত বিশেষ না’ত শরীফ পাঠ


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِىْ مَعْصِيَةٌ وَالْـجُلُوْسُ عَلَيْهَا فِسْقٌ وَالتَّـلَذَّذُ بِـهَا كُفْرٌ
অর্থ: গান শোনা গুণাহের কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসেকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী।
সেটাই যদি হয় শরীয়তের মাসয়ালা, তাহলে মাদ্রাসায় সরকার পক্ষ হতে কিভাবে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান এবং বাংলাদেশের চিরশত্রু নমশুদ্র রবীর রচিত জাতীয় সঙ্গীত পাঠ করতে বলা হল। নাউজুবিল্লাহ!
এখন মাদ্রাসার ওস্তাদ-ছাত্র-ছাত্রীদের কি করা উচিত?
যেহেতু মাদ্রাসা মানেই মুসলমানদের দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্র, সুতরাং এখানে হারাম-নাজায়েয কাজ করা যাবে না, এখানে জাতীয় সঙ্গীত পাঠ করা যাবে না।
যারা জাতীয় সঙ্গীত পাঠ করবে, তারা নিজেরা কবিরাহ গুনাহ করবে। শুধু তাই নয়, অন্যদেরকেও গুনাহর কাজে অন্তর্ভুক্ত এবং সাহায্য করা হবে। নাউজুবিল্লাহ!
আশা করছি, নিজে থেকে এই কবিরাহ গুনাহ্ কাজ করবেন না। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত ইজমা শরীফ, পবিত্র কিয়াস শরীফ উনাদের শিক্ষাই হওয়া উচিত একমাত্র আদর্শ মুসলমান হওয়ার মাপকাঠি। আর তাই, মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাও এই সত্য নীতিতেই অগ্রসর হওয়া আবশ্যক।
তাই, আমাদের আহবান-
মাদ্রাসায় চালু করা হোক সম্মানিত বিশেষ না’ত শরীফ পাঠ। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান এবং বাংলাদেশের চিরশত্রু নমশুদ্র রবীর রচিত জাতীয় সঙ্গীত পাঠ বন্ধ করা হোক।
যে সম্মানিত না’ত শরিফ পাঠ করা হয়, মুহাম্মাদিয়া জামিয়া শরীফ বালক-বালিকা মাদ্রাসায়। সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে