সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

প্রতিদিন বারবার পড়ার মধ্যে অবশ্যই লক্ষ-কোটি শিক্ষা রয়ে গেছে


একটি বিশেষ বাক্য বা কথা কমবেশি প্রায় আমরা সবাই জানি। ‘মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো কাজই হিকমত থেকে খালি নয়’। এ বাক্যটি ঈমানদার-মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করেন।
আমরা প্রতিদিন প্রতি রাকয়াতের শুরুতেই যে একটি বিশেষ সূরা শরীফ পাঠ করে থাকি উনার নাম হলো- ‘সূরা ফাতিহা শরীফ’। ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহসহ হিসাব করলে দেখা যায়- আমরা কমপক্ষে ৩২বার পবিত্র এই সূরা শরীফ পাঠ করে থাকি। তাছাড়াও পবিত্র কুরআন শরীফ উনারও ১ম সূরা শরীফ হলো এই পবিত্র সূরা শরীফ খানা।
মাত্র ৭টি আয়াত শরীফের এই পবিত্র সূরা শরীফকে বারবার পাঠ করানোর মধ্যে অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার বেশুমার হিকমত, ইবরত, নছীহত, শিক্ষা রয়ে গেছে। তাই আমাদের উচিত এই পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ থেকে ইবরত, নছীহত, শিক্ষা লাভ করার জন্য চেষ্টা করা।
পবিত্র এই সূরা শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ঈমানদার মুসলমানদেরকে সঠিক সরল পথ কিভাবে পাবে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি হক্ব মত-পথ পাওয়ার জন্য জানিয়ে দিয়েছেন- যে পথে নবী-রসূল, ওলী-আউলিয়াগণ উনারা চলেছেন ও উনারা যে পথে চলতে বলেছেন, সেটিই হলো সঠিক ও সরল পথ। আর যে পথে কাফির-মুশরিক, বিধর্মী, ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, নাস্তিকরা আছে সে পথ হলো গযব-লা’নত তথা অসন্তুষ্টির পথ ও বিভ্রান্ত বা ভুল পথ। তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সূরা পবিত্র শরীফ উনার মাধ্যমে তাদের পথ থেকে দূরে থাকার আদেশ করেছেন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ থেকে শিক্ষা লাভ করে- নবী-রসূল, ওলী-আউলিয়াগণ উনাদের পথে চলার তাওফীক দান করুন এবং কাফির-মুশরিক বেদ্বীন বদদ্বীন অমুসলিমদের পথ থেকে দূরে থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে