প্রতিবাদ করাটা আপনার ঈমানী দায়িত্ব…


এটা খুবই সহজ কোনো দেশ থেকে ইসলামের নিশানা সরিয়ে দেয়া,যদি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এই বিষয়টা উঠিয়ে দেয়া হয়।মুসলিম কখন বুঝবে যে তার ঈমান আর তার ধর্ম নিয়ে কাফিরদের ষড়যন্ত্র করাটা জন্মগত বৈশিষ্ট্য? এদের যে বিদ্বেষ তা মহান আল্লাহ পাক জানিয়ে দেয়া সত্ত্বেও মানুষ যেহেতু আল্লাহ পাক উনার উপর ঠিকভাবে বিশ্বাস করতে পারে না তাই কাফিরদেরকে শত্রু জ্ঞান করতে চায় না। যদিও তারা ঠিকই মুসলিমদের শত্রু ভাবে। আর এজন্যই তারা মুসলিমদের সব ধর্মীয় কাজে বাধা সৃষ্টি করে থাকে,করার চেষ্টা করে থাকে। আজ মুসলিম দেশ হওয়া সত্ত্বেও আযান নিষিদ্ধ হওয়ার কথা উঠে,রাষ্ট্রদ্বীন কি থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে, নাস্তিকরা উল্টা পাল্টা কথা বলতে পারে,মুসলিমরা নাম কি রাখবে, আরবীতে রাখবে না বাংলায় রাখবে তাও হিন্দুরা ঠিক করে দিতে চায়!!!!
এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে এদেশে আদৌ কি মুসলিম থাকে????? থাকলে কোথায়? সাড়া পাওয়া যায় না কেন?? অনলাইনে ইচ্ছা করলেই যে কেউ প্রতিবাদ করতে পারে। কিন্তু বাতিল পন্থীরা সরব থাকলেও মুসলিমরা/হক্বপন্থীরা নিরব থাকে!মুসলিমদের সুযোগ ছিলো প্রতিবাদ করার। খুব বেশি কিছু করা লাগে না,জাস্ট একটা প্রতিবাদী বাক্য একজন করে মুসলিম লিখলেও অনেক। না লিখতে পারলে যারা লিখে তাদেরটা ছড়িয়ে দেয়াটাও অনেক। যাইহোক,যার যার ঈমানী দায়িত্ব সে সে বুঝবে। সবাই ই জানে যে কোথাও কোনো অন্যায় কাজ সংঘটিত হলে হাতে বাধা দিতে হয়,সম্ভব না হলে জবানে বাধা দিতে হয়,আর তাও সম্ভব না হলে অন্তরে ঘৃণা পোষণ করে সেখান থেকে ফিরে আসতে হয়।আর শেষেরটা দুর্বল ঈমানের পরিচয়।আর এখন যেহেতু সমস্যা প্রকট জবানে বাধা না দেয়া ছাড়া উপায় নেই।আর যারা ন্যূনতম প্রতিবাদও করবে না তারা জবাবদিহির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুক।।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে