প্রতি মহল্লায় পবিত্র কুরবানীর হাট থাকা আবশ্যক


আমাদের দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান। আর পবিত্র কুরবানী একটি সম্মাানিত আমল। পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে পবিত্র কুরবানী উনার ফাযায়িল-ফযীলত স¤পর্কে অনেক বর্ণনা রয়েছে। কুরবানীদাতা অনেক নেকী হাছিল করে থাকেন । সুবহানাল্লাহ!

আবার এই নেক কাজটি যেখানে করা হয় সেখানে রহমত, সাকীনা, বরকত, দয়া, দান ইত্যাদি নাযিল হয়ে থাকে। সেজন্যই মুসলমানদের দেশগুলো সবসময়ের জন্যই সম্পদে পরিপূর্ণ। যেখানে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে স্মরণ করা হয় সেখানে আপদ-বিপদ, বালা-মুছিবত আসে না। সুবহানাল্লাহ!

তাহলে দেখা যায় যে, যে স্থানে পবিত্র কুরবানী দেয়া হয়, সে স্থানটাও ফযীলত লাভ করে থাকে। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র কুরবানীর জন্য আনীত পশুগুলোকেও নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং সেগুলোকে যেন কষ্ট দেয়া না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।
তাহলে দেখা গেল, পবিত্র কুরবানীর প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত সম্মানিত এবং মুসলমানগণ উনারা যাতে এই সম্মানিত আমলটি সহজে করতে পারেন তার জন্য সব রকমের সুব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। আর এই লক্ষ্যে প্রতি মহল্লায় মহল্লায় পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানো হোক, যাতে পশু কিনে নিয়ে আসা সহজ হয় এবং নিয়ে আসতে পবিত্র কুরবানীর পশুগুলো কষ্ট না পায়।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে