প্রত্যেক জাতিই তার নিজ শত্রুকে চিনে অথচ তথাকথিত মুসলমানরা তাদের শত্রু চিনে না


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমানদের শত্রু কারা তা সরাসরি বলে দিয়েছেন। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও তা মুসলমানদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।
কিন্তু আজ সারাবিশ্বে মুসলমানদেরকে নিয়ে যে কুটকৌশল ও ষড়যন্ত্র চলছে তা কেবল মুসলমানদের হীনম্মন্যতার ফসল। তথাকথিত মুসলমানরা পশ্চিমা বিশ্বে ঘুরে এসে কাফিরদের লোকদেখানো ভালো ব্যবহার দেখে কাফিরদের খুব প্রশংসায় মত্ত থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে, “তারা (কাফিরেরা) তোমাদের সামনে তোমাদের খুব ছানাছিফত করে আর তোমরা চলে গেলে তাদের (কাফিরেরা) আঙ্গুলগুলি কামড়াতে থাকে যে, কেন মুসলমানদের ক্ষতি করা গেল না।” নাঊযুবিল্লাহ!
কাজেই পশ্চিমা বিশ্বের অর্থাৎ ইউরোপ কিংবা আমেরিকানদের নিছক ভালো ব্যবহারে বা অভিনয়ে মুসলমানদের অবাক বা বিস্ময় প্রকাশ করার কিছু নাই। কাফিরেরা মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে নিজেদের উপর নিজেরা আক্রমণ করে তা ক্রমাগত মুসলমানদের উপর চালিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে মুসলমানরা তার কোনো প্রকার প্রতিবাদ তো দূরের কথা বরং কাফিরদের গোলামী করার জন্য আরো বেশি উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! ফলে দেখা যায়- ফ্রান্সের শার্লি হেবডোর মতো কুখ্যাত পত্রিকার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে খুনি কুখ্যাত কাফিররা একত্রিত হয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিচ্ছে কিন্তু সারাবিশ্বের মুসলমান শাসকরা বোবা শয়তান হয়ে বসে আছে। মুসলমান নামের এই সমস্ত লোকেরা তবুও কাফিরদের বন্ধু মনে করে। নাঊযুবিল্লাহ!
মুসলমানদের উচিত ছিলো সারাবিশ্বে তাদের শত্রু কাফিরদের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিবাদ করা। আর এর জন্য চাই রূহানী কুওওয়াত বা শক্তি যা আম মুসলমানদের মধ্যে নেই বললে চলে। আর রূহানিয়াত নেই বলে জাতিগতভাবে মুসলমানদের শত্রু কারা তা মুসলমানরা চিনতে পারছে না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের শত্রু চেনার তাওফীক দান করুন। আমীন!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে