প্রধানমন্ত্রীর নিকট খোলা চিঠি ,,,


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আসসালামু আলাইকুম। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা তোমাদের গৃহে অবস্থান করো। তোমরা তোমাদের সৌন্দর্য প্রকাশ করে ঘর থেকে বের হয়ো না।”
এ দেশজুড়ে চলছে সম্ভ্রমহানি, নারী টিজিং, এসিড নিক্ষেপের বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও ফিতনা। এ ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য যারা মুসলমান হিসেবে নিজেদেরকে হাক্বীক্বীভাবে পরিচয় দেয়ার চেষ্টা করে, তারা তাদের ইজ্জত আব্রুকে হিফাযত করার জন্য এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে মানার জন্য পর্দা করে। তাই রাজধানী ঢাকার উদয়ন স্কুলের কিছু ছাত্রীও পর্দার ক্ষেত্রে ফুলহাতা কাপড় পরে আসে, কিন্তু ক্ষমতাবলম্বী শ্রমমন্ত্রী রাজিউদ্দীন রাজুর স্ত্রী মাহবুবা খানম কল্পনা ও তার সমগোত্রীয়রা এই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে ইহানত করার জন্য, পর্দাকে অপমান করার জন্য ওই ছাত্রীদের ফুলহাতা কাপড় কেটে দেয় প্রকাশ্যে ছাত্রদের সামনে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আমাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং এদেশের ৯৭ ভাগ জনগণই মুসলমান। এ দেশটা হলো বিশ্বের অন্যতম মুসলিম দেশ। যেটা আমি, আপনি, আমরা সবাই জানি। এতদ্বসত্ত্বেও এদেশে পর্দা পালনের কোনো বিধান নেই যা মুসলমানদের জন্য অতীব লজ্জার বিষয়। এরপরও ধর্মপ্রাণ মুসলমান যারা রয়েছেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ মুবারক পালনে পর্দা করার কোশেশ করছেন উনাদেরকে উৎসাহিত না করে বরং এই অপমানজনক ঘটনা, অপ্রীতিকর ঘটনা, যা সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আদেশ মুবারককে ইহানত করা তথা ইসলাম উনাকে অবমাননা করার শামিল।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আপনি যেহেতু একজন মুসলমান সেহেতু এই অপ্রীতিকর ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আইন বিরোধী কর্মকা-কে আপনি কখনো প্রশ্রয় দিতে পারেন না। তাই যে সকল নামধারী মুসলমান এবং মুসলমানের পবিত্র দ্বীন ইসলাম তথা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ মুবারক উনাকে ইহানত করলো তাদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া চাই; যা দেখে আর কোনো নামধারী মুসলমান সাহস না পায় যে ভবিষ্যতে এরূপ কাফির-মুশরিকদের ন্যায় কাজ করবে। ৯৭ ভাগ মুসলমান আপনার কাছে এই আশা করে যেন নিরাশ না হয়। মুসলিমা ব্যক্তিত্বা হিসেবে এটা আপনার ঈমানী দায়িত্ব।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+