প্রশ্নপত্রে ইসলামবিদ্বেষ ও মুসলমান শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে প্রশ্ন তৈরিকারী, অনুমোদনকারী ও সংশ্লিষ্ট সকলের গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে


প্রশ্নপত্রে ইসলামবিদ্বেষ ও মুসলমান শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত

বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৫ক এবং ২৯৮ অনুযায়ী অন্যের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানা একটি দ-নীয় অপরাধ। সে মোতাবেক পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে যারা ইসলামবিদ্বেষী প্রশ্ন ঢুকালো, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা করলো এবং মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলো তাদের অপরাধের বিচার করতে হবে।বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো সিলেবাস ও প্রশ্নপত্র নিয়ে এতো সমালোচনা, এতো সাম্প্রদায়িকতা, এতো হিন্দুত্ববাদের আগ্রাসন দেখা যায়নি। যখনি পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব হলো বজ্র গোপাল ভৌমিক, পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান হলো নারায়ন চন্দ্র পাল, ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হল শ্রীকান্ত কুমার চন্দ, তখনি বইগুলোর পাতায় পাতায় হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা ঢুকে গেলো, পাবলিক পরীক্ষার প্রশপত্রেও ইসলামবিদ্বেষী ও ইসলাম অবমাননামূলক প্রশ্নে ভরে গেলো।
সরকার যদি এসব উগ্রবাদীদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ না করে, তবে জনগণই তাদের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিবে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে সবাই সর্বোশক্তি দিয়েই বাঁচার চেষ্টা করে। দেশ থেকে সংখ্যালঘু গায়েব হয়ে গেলে, তখন আর কিছুই করার থাকবে না।
তাই দেশ অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির দিকে যাওয়ার আগেই সরকারের উচিত হবে উগ্রবাদীদের লাগাম টেনে ধরা। সিলেবাস ও প্রশ্নপত্রে যারা হিন্দুয়ানী শিক্ষা ও ইসলামবিদ্বেষী লেখায় পরিপূর্ণ করেছে তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

 

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে