প্রসঙ্গঃ মহান ‘আল্লাহ’ পাক উনার নাম মুবারক উনার অবমাননা ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত: তীব্র প্রতিবাদে জাগো হে মুসলিম, রুখে দাঁড়াও!


কিছুদিন পূর্বে ব্রিটিশ কোম্পানী ফ্যাশন প্রোডাক্ট নির্মাতা ম্যাক্স এ- স্পেন্সার (এম অ্যা- এস) কোম্পানীর টয়লেট টিস্যুতে লোগো হিসেবে আরবী হরফে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র থেকে পবিত্রতম মহাসম্মানিত ‘আল্লাহ’ নাম মুবারক ইচ্ছাকৃতভাবে কুটকৌশলে লিখে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
এরপর এক সপ্তাহ না যেতেই যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নাইকির তৈরী করা ‘নাইকি এয়ার ম্যাক্স ২৭০ স্নিকার জুতার তলায় লোগো হিসেবে আরবী হরফে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র থেকে পবিত্রতম মহাসম্মানিত ‘আল্লাহ’ নাম মুবারক ইচ্ছাকৃতভাবে কুটকৌশলে লিখে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
শুধু তাই নয়, গোটা বিশ্বের সাড়ে তিনশ কোটি মুসলমান আরো বেশী আঘাত পেয়েছেন, যখন ওরা এটাকে অ্যালোভেরা গাছের প্রতিরূপ বলে চালানোর অপচেষ্টা করে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯৯৭ সালে নাইকি’র এয়ার বেকিন নামে স্নিকারের বিরুদ্ধেও এই একই অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ঐ সময় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যুক্তি হিসেবে জানানো হয়, অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লোগোর ডিজাইনটা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যার কারণে লেখাটি এমন দেখাচ্ছে। পরে মুসলমানদের তীব্র প্রতিবাদের কারণে ঐ জুতা বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এর পর তারা আবারো পুনরাবৃত্তি করলো। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
এতে গোটা বিশ্বের সাড়ে তিনশ কোটি মুসলমানদের কলিজায় আঘাত পেয়েছেন, উনাদের বুক ফেটে যাচ্ছে। এটা কোন মুসলমান মেনে নিতে পারেন না। সমর্থন করতে পারেন না। সহ্য করতে পারেন না। যারা মেনে নেবে তারা কখনই মুসলমান থাকতে পারে না।
কারণ প্রকৃতপক্ষে যাঁরা মু’মিন উনারা মহান আল্লাহ্ পাক উনাকে সবচেয়ে বেশী মুহব্বত করে থাকেন। যেমন, মহান আল্লাহ্্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالَّذِينَ آمَنُوا أَشَدُّ حُبًّا لِلَّهِ
“যাঁরা মু’মিন উনারা মহান আল্লাহ্ পাক উনাকে সবচেয়ে বেশী মুহব্বত করে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ্! (পবিত্র সূরা আল বাক্বারা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬৫)
কাজেই, গোটা বিশ্বের সাড়ে তিনশ কোটি মুসলমানদের উচিত এই মহা পুতঃপবিত্র মহা সম্মানিত নাম মুবারক উনার অবমাননার তীব্র প্রতিবাদ করে ব্রিটিশ কোম্পানী ফ্যাশন প্রোডাক্ট নির্মাতা ম্যাক্স এ- স্পেন্সার (এম অ্যা- এস) কোম্পানীর এবং যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নাইকির মালিকসহ সংশ্লিষ্টদেরকে চিহ্নিত করে তাদেরকে বিচারের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা এবং তাদের সকল পন্যগুলো বর্জন ও বাজেয়াপ্ত করতে বাধ্য করা।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে