প্রসঙ্গ: দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তি: অন্ততঃপক্ষে জবানে হলেও প্রতিবাদ জানাতে হবে, নচেৎ ঈমানদার থাকা যাবে না


কিতাবে বর্ণিত আছে, একবার একজন ব্যক্তির উপস্থিতিতে একটি মজলিসে কিছু লোক উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করলো। কিন্তু সে লোক প্রতিবাদে কোনো কথাও বললো না। ওইদিন রাতেই সে স্বপ্নে দেখলো- স্বয়ং নূর নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওই লোককে লক্ষ্য করে বলছেন- হে ব্যক্তি! তোমার সামনে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে কটূক্তি করা হলো, আর তুমি তার কোনো প্রতিবাদ করলে না কেন? সে ব্যক্তি খোড়া অজুহাত তুলে বললো- ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেখানে প্রতিবাদ করার মতো সামর্থ্য আমার ছিলো না। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকে লক্ষ্য করে বললেন- মিথ্যা কথা, তুমি জবানে প্রতিবাদ করতে পারতে। যেহেতু তুমি প্রতিবাদ করোনি তাই আজ থেকে তুমি অন্ধ হয়ে যাবে। লোকটি ঘুম থেকে উঠে দেখলো- সে সত্যিই অন্ধ হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!

এরকম অসংখ্য অগণিত ঘটনা আছে। যেখানে দেখা গেছে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই প্রতিবাদ করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন।

ইদানীং বিশ্বজুড়েই বিভিন্ন স্থানে বিভিন্নভাবে বিশেষ করে ইন্টারনেটে একশ্রেণীর কুলাঙ্গাররা সাইয়্যিদাতুনা উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করে লেখালেখি করছে, বই প্রকাশ করছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ তাদের এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহ একেবারেই নিশ্চুপ নির্বোধের মতো বোবা শয়তানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আছে। যারা এসব অপপ্রচার আর কটূক্তির শক্ত প্রতিবাদ জানাবে না, জানাচ্ছে না তারা কি করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাফায়াত মুবারক পাওয়ার আশা করতে পারে? বর্ণিত ঘটনার মত বরং তার চেয়েও মারাত্মক পরিণতি কি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে না?

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে