প্রাণীর ছবি থেকে আমরা কখন মুক্তি পাবো?


 

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,

‘যে স্থানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।’

অর্থাৎ সে স্থানে রহমত উনার পরিবর্তে লা’নত বর্ষিত হয়। নাউযুবিল্লাহ!
এখন চিন্তার বিষয়, আমাদের আশেপাশে রহমত আছে কি?

কেননা আমাদের ডানে-বামে, আগে-পিছে, উপরে-নিচে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে ছবি।

তার মানে আমরা সবসময় একটি রহমতশূন্য পরিবেশে অবস্থান করছি। নাউযুবিল্লাহ!

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের মধ্যে বিস্কুট-চানাচুর থেকে শুরু করে পরিধানের কাপড়-চোপড়, প্রসাধন সামগ্রী, শিক্ষার্জনের বই-কলম-খাতা ইত্যাদি সকল পণ্যদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে এই হারাম ছবি।

শুধু তাই নয়, বাজারে গিয়ে যদি ছবিমুক্ত কোনো জিনিস খোঁজা হয়, তাহলে রীতিমতো বিপাকে পড়তে হয়।

আমাদের দেশ একটি মুসলমান রাষ্ট্র। এদেশের ৯৮% ভাগ মানুষ মুসলমান। আর কমবেশি সকলের জানা রয়েছে যে, ছবি আঁকা, দেখা, রাখা হারাম।

তারপরও কেন মুসলমানদের দেশে ছবির এত ছড়াছড়ি? এ বিষয়ে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে যেন আমাদের আশেপাশে কোনো প্রকার ছবি না থাকে।

আর রাস্তার ধারে বিলবোর্ডসহ সর্বস্তরে ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে হবে।

যখন আমাদের দেশ ও সমাজ থেকে এই হারাম ছবি দূর হবে তখনই আমরা রহমতপ্রাপ্ত হব।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে