প্রেশার মাপার গণিত


রক্তচাপ সামান্য বাড়লেই উদ্বিগ্ন হবেন না। ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে ব্লাড প্রেশারের স্বাভাবিক সীমা ১২০/৮০ মি.মি. পারদ। অর্থাৎ সিস্টোলিক ১২০ ও ডায়াস্টোলিক ৮০। এখানে স্বাভাবিক বলতে আদর্শ মান বোঝানো হয়েছে। তাই ১৩০/৮৫ হলেই যে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, এমনটি ভাবা ঠিক নয়। বয়সভেদে রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রার তারতম্য হতেই পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন রক্তনালির নমনীয়তা কমতে থাকে, তখন স্বাভাবিক প্রেশারের মাত্রাও বাড়তে থাকে।
কেউ হয়তো ভাবছেন, রক্তচাপের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সংখ্যা দুটি দিয়ে কী বোঝায়? ডাক্তাররা এদের সিস্টোলিক (উচ্চতর সংখ্যা) ও ডায়াস্টোলিক (নিম্নতর সংখ্যা) ব্লাড প্রেশার বলেন। নিজ নিজ রক্তচাপের সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক সংখ্যা দুটি জেনে নেওয়া একাধারে গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক ক্ষেত্রেই জীবন রক্ষাকারী।
হার্ট যখন বিট দেয়, এটা রক্তের সংস্পর্শে এসে ধমনির মধ্য দিয়ে সারা দেহে রক্ত ঠেলে দেয়। ধমনির ওপর এই বল চাপ ফেলে। একেই বলে সিস্টোলিক প্রেশার। অন্যদিকে ডায়াস্টোলিক প্রেশার হলো বিটের মধ্যবর্তী সময়ে হার্ট যখন বিশ্রাম নেয়, সেই সময়ে ধমনির ওপর চাপের পরিমাণ। রক্তচাপ মাপার একক হলো সসঐম। এর অর্থ হলো মিলিমিটার পারদ।

রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা
সিস্টোলিক ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেশারের
প্রেশার প্রেশার সীমা
১৩০ ৮৫ উচ্চ/স্বাভাবিক রক্তচাপ
১২০ ৮০ স্বাভাবিক রক্তচাপ
১১০ ৭৫ নিম্ন/স্বাভাবিক রক্তচাপ

উচ্চ রক্তচাপের সীমা
সিস্টোলিক ডায়াস্টোলিক হাই ব্লাড প্রেশারের
প্রেশার প্রেশার ধাপ
১৪০ ৯০ স্টেজ-১
১৬০ ১০০ স্টেজ-২
১৮০ ১১০ স্টেজ-৩
২১০ ১২০ স্টেজ-৪

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

৩টি মন্তব্য

  1. মাপতে হয় কিভাবে এবং কি কি যন্ত্র ব্যবহার করতে হয়, কোন মেশিন সঠিক মাপ দেয় ? Search

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে