ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকেই একজন মানুষের পুরো বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা যায়


“মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষকে তাদের আঙ্গুলের ডগাসহ নিখুঁতভাবে পুনরুত্থিত করতে সক্ষম।” (পবিত্র সূরা ক্বিয়ামা শরীফঃ ৪)। কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক কেন আঙ্গুলের ডগার উদাহরণ টানলেন? এর পিছনে হেকমত কি?
 
ফিঙ্গারপ্রিন্ট মানুষের কোন বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য না যে চাইলেই পরিবর্তন করা যাবে। বরং এটি মানুষের আভ্যন্তরীণ মৌলিক বৈশিষ্ট্য যা মানুষ মায়ের রেহেমে থাকা অবস্থাতেই লাভ করে।। এই ফিঙ্গারপ্রিটের সাথেই মানুষের বংশগতি, ডিএনএ কোডিং, লিঙ্গ ইত্যাদি সম্পর্কিত। অর্থাৎ ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকেই একজন মানুষের পুরো বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা যায়।
 
অর্থাৎ আল্লাহ পাক আঙ্গুলের ডগার উদাহরণ দিয়ে উনার কার্য মুবারকের ব্যাপকতাকে বুঝিয়েছেন। আলাদা আলাদা করে সব বর্ণনা না করে শুধু বলেছেন, আঙ্গুলের ছাপ একরকম হবে। যা থেকে জ্ঞানীরা বুঝতে পারবেন যে, হাশরের ময়দানে মানুষকে এমনভাবে উত্থাপন করা হবে, হুবহু যেভাবে সে দুনিয়াতে ছিল। সুবহানাল্লাহ!
(“বিজ্ঞান মুসলমান উনাদেরই অবদান” কিতাব থেকে সংগৃহীত)
 
কুরআন শরীফের প্রতিটি আয়াত শরীফের পিছনে লক্ষ কোটি হিকমত রয়েছে। এই আয়াত শরীফটির মধ্যেও দুনিয়াবাসীর জন্য শিক্ষা হচ্ছে, মানুষকে আইডেন্টিফাই করার সবচাইতে নির্ভূল উপায় হল তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট। এটা যেমন ব্যবহারে সহজ তেমনি শরীয়তসম্মত। তাহলে কেন মুসলমানদের আইডেন্টিফিকেশনের নাম দিয়ে হারাম ছবি তুলতে বাধ্য করা হচ্ছে???
Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে