কুরবানীর দিনসমূহে অর্থাৎ যিলহজ্জের ১০ তারিখ ছুবহে ছাদিক হতে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হাঁস মুরগি কবুতর ইত্যাদি যবেহ করা জায়িয নেই


মুসলমানদের আইয়ামে নহর বা কুরবানীর দিনসমূহে যারা মজূসী বা অগ্নি উপাসক তারা তাদের ধর্মীয় বিধান মুতাবিক হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে থাকে। এখন যদি কোনো মুসলমান তাদের সাথে মুশাবা বা সাদৃশ্য রেখে কুরবানীর দিন হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে, তাহলে সেটা কুফরী হবে। কারণ খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।”
আর যদি কোনো মুসলমান সাধারণভাবে উক্ত সময়ে হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে, তাহলে সেটা মাকরূহ্ তাহ্রীমী হবে, যেহেতু এটাও মুশাবা হয়ে যায়।
আর যদি কোনো মুসলমান খুব জরুরতে হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে, তাহলে সেটাও মাকরূহ্ তান্যীহী হবে।
আর এমন কোনো মুসলমান যার উপর কুরবানী ওয়াজিব অথবা ওয়াজিব নয়, তারা যদি কুরবানীর দিন হাঁস, মুরগি ইত্যাদি খেতে চায়, তাহলে তারা যেন ছুব্হে ছাদিকের পূর্বেই সেটা যবেহ্ করে, কেটে, পাক (রান্না) করে রেখে দেয় অথবা শুধু যবেহ্ করে, কেটে রেখে দিবে পরে পাক (রান্না) করলেও চলবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে