বছর বছর পবিত্র কুরবানী নিয়ে চক্রান্ত অব্যাহত


 

পবিত্র কুরবানী নিয়ে চক্রান্ত এবছরই নতুন নয়। বরং বহু আগেই থেকেই বাংলাদেশে পবিত্র কুরবানী নিয়ে চক্রান্ত চলে আসছে। যেমন এখানে কয়েক বছরের চক্রান্তের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হলো-
২০০৭ সাল: প্রচারণা চালানো হয় ‘কুরবানী না করে এই টাকা সিডরে দুর্গতদের দান করুন’। নাউযুবিল্লাহ!
২০১২ সাল: গরু কুরবানীতে ভীতি ছড়ানোর চক্রান্তের নাম ছিল ‘এনথ্রাক্স’। যে এনথ্রাক্সের এখন নামগন্ধও পাওয়া যায় না।
২০১৩ সাল: কুরবানীতে বাধা সৃষ্টির কূটকৌশল ছিল- ‘ঈদের তিন দিন আগে কোনো পশুর গাড়ি ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে না’- এমন আদেশ সম্বলিত সরকারি নোটিশ।
২০১৪ সাল: ‘গরু মোটাতাজাকরণে ক্ষতি’ মিডিয়ায় এমন ভয়-ভীতি ছড়িয়ে কুরবানীতে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়।
২০১৫ সাল: ক) ঢাকা শহরে কুরবানীর পশুর হাট কমানোর ঘোষণা, খ) ঢাকা শহরের সকলকে সরকারিভাবে নির্ধারিত স্পটে পশু জবাই করতে বাধ্য করার আদেশ জারি।
পবিত্র কুরবানীর চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। আর মুসলমান উনাদের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদেরকে দমন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে মুসলমানগণ উনাদের ঈমান হিফাযতের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+