বদ সোহবতের চেয়ে নির্জনতা উত্তম,নির্জনতার চেয়ে নেককার ব্যক্তির সোহবত উত্তম


sdsনেক কাজে সহায়তাকারী লোক নাই (থাকলেও নগণ্য) আর বাধা দেয়ার মত লোকের অভাব নাই!!! আশ্চর্যের বিষয় এই যে তারা বিধর্মীও নয়,তারা মুসলিম নামধারীই!!! এদের কারণেই,এদের ওয়াসওয়াসাতেই মানুষ হারাম থেকে ফিরতে চাইলেও অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়! আপনি পহেলা বৈশাখ কেন হারাম তা জানানোর পরেও যদি বুঝতে ব্যর্থ হন,হারাম মানতে না চান তো মানবেন না, কিন্তু আরেকজনকে কেন আপনার সাথে টানেন??? ঘা যুক্ত পৃথিবীর দূষণে মানুষগুলোর বোধ-বুদ্ধি,মন-মগজে পচন ধরেছে । যারা ফিরে আসতে চায় তাদের উচিত এটাইপ পচন ধরা, অসুস্থ মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করা, কেননা বদ সঙ্গীর চেয়ে একাকীত্ব উত্তম । যারা সহযোগীতাই করবে না,বাধাই দিবে তাদের সাথে মেশারই প্রয়োজন নাই। এরা ক্ষতিই করবে। একা থেকে সময়টাকে কাজে লাগানো যেতে পারে …কাজ তো প্রচু্র। দ্বীনি-ইলম শিক্ষা করার বিষয় আছে,কু্রআন তিলাওয়াতের বিষয় আছে,যিকির-ফিকির,তাসবীহ-তাহলীল,মীলাদ-ক্বিয়াম,দর্স-তাদরীস,তালিম-তালক্বীন কত বিষয়। দেখা যাবে আড্ডা দেয়ারই সময় হবে না। সময় এরও সঠিক ব্যবহার হবে,গুনাহ থেকে ফিরে থাকাটাও সম্ভব হবে। অনেকেই হয়তো আপনাকে ডাকবে,বলবে,এতো লাগে না,কু্রআন-হাদীস আমরাও জানি। তাদেরকে বলে দিবেন ‪#‎গিরিশচন্দ্রও‬ জান্তো এবং তোমার চেয়েও ভালো জানতো,তার পরিণতি ভালো কিছু হয় নাই,সু্তরাং তোমারটা তু্মি চিন্তা করো,আমার বিষয়টা আমিই দেখি! আর যদি মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া-ইহসানে নেক সঙ্গী পেয়েই যান,যারা মহান আল্লাহ্‌ পাক এবং আল্লাহ্‌ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ধ্যানে-খেয়ালেই মশগুল থাকেন তাহলে তাদের সঙ্গ গ্রহণ করুন। কেননা একাকীত্বের চেয়ে নেক সংগীই উত্তম,ঈমান আমল উভয়ই হেফাজত সহজ হবে সম্ভব হবে। আর এটাই করা উচিত,কেননা নির্জনতার যেমন সুবিধা আছে তেমনি অসুবিধাও আছে।তাই প্রত্যেকেরই উচিত হক্বানী রব্বানী আলিম ,ওলী আল্লাহ্‌ উনাদেরই তালাশ করা ,উনাদের সঙ্গ গ্রহণ করা। মহান আল্লাহ্‌ পাক যেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সমস্ত পথই আমাদের জন্য সহজ করে দেন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে