বর্তমান কুফরী শিক্ষানীতি ‘আইন’ হিসেবে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে; এই শিক্ষানীতি বাতিলে তীব্র প্রতিবাদ জানান


যে শিক্ষানীতি (২০১০) এর আলোকে প্রণীত হয়েছে হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস সেই শিক্ষানীতিটিই এখন ‘আইন’ হিসেবে জারি করে চিরস্থায়ী করার ব্যবস্থা করছে সরকারের অন্তরালে আরেক হিন্দুত্বাবাদী ছায়া সরকার। এজন্য সেই ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষানীতিটিই এখন ‘শিক্ষা আইন-২০১৬’ হিসেবে প্রণয়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক এর প্রতিবাদ ও তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত না করলে আগামী ৭ দিনের মধ্যে এটি আইন হিসেবে পাশ হয়ে যাবে। তখন সিলেবাসের হিন্দুয়ানী শিক্ষার বিরুদ্ধে বললে/লিখলে আইনের বিরুদ্ধে বলার কারণে আপনার নামে মামলা হয়ে যাবে, আপনার জেল-জরিমানা, শাস্তি হয়ে যাবে।
অনেকে হয়তো ভাববেন- কি আছে এই শিক্ষানীতিতে? এটা আইন হয়ে গেলেই বা কি হবে?

বৃক্ষ তোমার নাম কি, ফলে পরিচয়। তাই আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে এই শিক্ষানীতি-২০১০ মোতাবেক প্রণীত পাঠ্যপুস্তকে কি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে তার কিছু নমুনা তুলে ধরছি।

১) ৫ম শ্রেণী : স্বঘোষিত নাস্তিক হুমায়ুন আজাদ লিখিত ‘বই’ নামক একটি কবিতা, যা মূলত মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বিরোধী কবিতা।
২) ৬ষ্ঠ শ্রেণী: প্রবেশ করানো হয়েছে ‘বাংলাদেশের হৃদয়’ নামক একটি কবিতা। যেখানে রয়েছে হিন্দুদের দেবী দূর্গার প্রশংসা।
৩) ৬ষ্ঠ শ্রেণী: সংযুক্ত হয়েছে ‘লাল গরুটা’ নামক একটি ছোটগল্প। যা দিয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে গরু হচ্ছে মায়ের মত, গরুকে জবাই (কুরবানী) করা উচিত না।
৪) ৭ম শ্রেণী: `লালু’ নামক গল্পে বাচ্চাদের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে হিন্দুদের পাঠাবলীর নিয়ম কানুন।
৫) ৮ম শ্রেণী: পড়ানো হচ্ছে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ ‘রামায়ন’ এর সংক্ষিপ্তরূপ।
৬) ৯-১০শ্রেণীতে: প্রবেশে করেছে ‘আমার সন্তান’ নামক একটি কবিতা। কবিতাটি হিন্দুদের ধর্মসম্পর্কিত ‘মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভূক্ত, যা দেবী অন্নপূর্ণার প্রশংসা ও তার কাছে প্রার্থনাসূচক কবিতা। একবিতা পড়ে মুসলমান শিক্ষার্থীরা শিখছে ভালো খাদ্য বা কল্যান চাইতে হলে অন্নদেবীর কাছে চাইতে হবে।
৭) ৯ম-১০ম শ্রেণী: পড়ানো হচ্ছে ‘সময় গেলে সাধন হবে না’ শিরোনামে বাউলদের বিকৃত যৌনাচার শিক্ষামূলক কবিতা।
৮) ৯ম-১০ম শ্রেণী: ‘সাকোটা দুলছে’ শিরোনামের কবিতা দিয়ে ৪৭ এর দেশভাগকে হেয় করা হচ্ছে, যা দিয়ে কৌশলে ‘দুই বাংলা এক করে দেওয়া’ অর্থাৎ বাংলাদেশকে ভারতের অন্তর্ভূক্ত হতে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
১১) ৯ম-১০ম শ্রেণী: প্রবেশ করেছে ‘সুখের লাগিয়া’ নামক একটি কবিতা, যা হিন্দুদের রাধা-কৃষ্ণের লীলাকৃর্তণ।

এছাড়াও আরো অনেক আছে। শিক্ষানীতি-২০১০এ ‘সেক্যুলার’ শব্দটি ঢুকিয়ে এইসব কুফরী-শিরকী শিক্ষা প্রবেশ করানো হয়েছে।
এই শিক্ষানীতি আইন হিসেবে পাশ হলে মাদরাসা শিক্ষাও কঠিন চাপের মুখে ও ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে যেতে পারে। ভারতের মাদরাসার মতো আমাদের মাদরাসাগুলোতেও গীতা পাঠ বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। সব মাদরাসা ও শিক্ষকরা চলে যাবে ছায়া সরকারের নিয়ন্ত্রণে।
তাই চুপ করে না থেকে এই শিক্ষানীতি বাতিলের দাবি তুলে ছড়িয়ে দিন সবখানে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে