“বর্তমান যামানার সম্মানিত মুজাদ্দিদ” রাজরবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম


যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন- “বর্তমান হিজরী শতকের সম্মানিত মুজাদ্দিদ”। সুবহানাল্লাহ!!! 

 

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

 

عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ فِيْمَا اَعْلَمُ عَنْ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال َاِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْعَثُ لِـهٰذِهِ الْاُمَّةِ عَلـٰى رَأْسِ كُلّ ماِئَةِ سَنَةٍ مَنْ يـُّجَدّدُ لـَهَا دِيْنَهَا.

 

অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি সর্বাধিক অবগত যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক সূবহানাহু ওয়া তায়া’লা জাল্লা শানুহূ তিনি “উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনাদের জন্য (অর্থাৎ হিদায়েত, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত-মা’রিফত, নিছবত-ক্বুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক প্রদান করার জন্য) প্রতি হিজরী শতকের শুরুতে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব মুবারক তথা “মুজাদ্দিদ” প্রেরণ করবেন যিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার তাজদীদ করবেন।” (আবূ দাঊদ শরীফ, মিশকাত শরীফ)

 

এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ হতে এই বিষয়টি স্পষ্ট যে,

اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْعَث

সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ উনাদের মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রেরণ করবেন অর্থাৎ উনারা মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক মনোনীত হবেন

 

উনারা কেন আসবেন??

لِـهٰذِهِ الْاُمَّةِ

 

“উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনাদের জন্যে অর্থাৎ উনাদের হিদায়েত, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত-মা’রিফত, নিছবত-ক্বুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাদিয়া মুবারক করার জন্যে

 

কখন আসবেন??

عَلـٰى رَأْسِ كُلّ ماِئَةِ سَنَة

 

উনারা প্রতি হিজরী শতকের শুরুর দিকে আসবেন,

 

উনারা কি করবেন??

مَنْ يـُّجَدّدُ لـَهَا دِيْنَهَا.

 

উনারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার তাজদীদ করবেন অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে যতপ্রকার বাতিল ফিরকা, বিদয়াত-বেশরা প্রবেশ করবে, সমস্ত বাতিল ফিরকা, সমস্ত বিদয়াত-বেশরা ধ্বংস করে, সম্মানিত নববী নক্বশায় তথা সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সংস্কার বা তাজদীদ মুবারক করবেন।

 

সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ উনাদের চিনার উপায় কি??

সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ উনাদের চিনার উপায় ২ টি। যথা:-

 

১। রূহানী উপায় : যেহেতু সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক মনোনীত, সেহেতু সম্মানিত লওহে মাহফুয উনার মধ্যে সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ উনাদের নাম মুবারক উনার তালিকা মুবারক রয়েছে। সেই তালিকা মুবারক থেকে দেখে জেনে নেয়া। এটা হচ্ছে- রূহানীভাবে চিনার উপায়, যা কেবল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের পক্ষেই সম্ভব। সুবহানাল্লাহ!!!

 

২। যাহিরী উপায়: যেহেতু মুজাদ্দিদগণ উনারা তাজদীদ করবেন, সেহেতু উনাদের তাজদীদী ফতওয়া মুবারক দেখে উনাদের চিনা যাবে। এটা উনাদের বাহ্যিক বৈশিষ্ট। যা দ্বারা একজন সাধারণ আক্বল-সমঝ সম্পন্ন ব্যক্তির পক্ষেও উনাদের চিনা সম্ভব। সুবহানাল্লাহ!!!

 

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ, যার বাস্তব প্রমাণ উনার সম্মানিত তাজদীদী ফতওয়া মুবারক। সুবহানাল্লাহ!!!

 

নিন্মে উনার কতিপয় সম্মানিত তাজদীদী ফতওয়া মুবারক উল্লেখ করা হলো:-

 

১) মহান আল্লাহ পাক তিনি ইলিম মুবারক ও কুদরত মুবারক দ্বারা সর্বত্র হাযির ও নাযির। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলিম মুবারক ও মু’যিযা শরীফ উনাদের দ্বারা এবং নূর মুবারক ও রহমত মুবারক হিসেবে সর্বত্র হাযির ও নাযির। এছাড়া তিনি প্রকৃত জিসিম মুবারক-এ নয় বরং উনার অনুরূপ জিসিম মুবারক ও ছূরত মুবারক ধারণ করে এবং মিছালী ছূরত মুবারক দ্বারা কায়িনাতের সমস্ত স্থানে হাযির ও নাযির হতে হয়ে থাকেন।

 

২) মহান আল্লাহ পাক তিনি “আ’লীমুল গাইব”। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি “মুত্তালা” আলাল গাইব’ বা “ছহিবে ইলমে গায়িব’। অর্থাৎ উনাকে সৃষ্টির শুরু থেকে অনন্ত-অনাদীকাল পর্যন্ত সমস্ত বিষয়ের ইলিম মুবারক হাদিয়া করা হয়েছে।

 

৩) নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি “নূরে মুজাসসাম” অর্থাৎ তিনি নূর মুবারক উনার তৈরী বা আপদমস্তক নূর মুবারক।

 

৪) নূরে মুজাসমাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনারা জান্নাতী তো অবশ্যই বরং জান্নাত উনাদের মুহতায বা মুখাপেক্ষী। সুবহানাল্লাহ!!!

 

৬) হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন- হযরত আবু রসূলিনা – উম্মু রসূলিনা আলাইহিমাস সালাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আবনাউ ওয়া বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা সকলেই। সুবহানাল্লাহ!!!

 

৭) হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক হচ্ছেন- সম্মানিত ঈমান।

 

৪) আবুল বাশার হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ব্যতীত কেউই মাটির তৈরী নন। উম্মুল বাশার হযরত হাওওয়া আলাইহাস সালাম তিনি এবং জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনারা কুদরতীভাবে তৈরী। এছাড়া সকলেই মায়ের রেহেম শরীফ-এ কুদরতীভাবে তৈরী হন।

 

৫) হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা সকলেই মা’ছূম বা নিষ্পাপ। এর বিপরীত আক্বীদা পোষণ করা কাট্টা কুফরী।

 

৬) সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা এ দুই ঈদ ব্যতীত আরো অনেক ঈদ রয়েছে। তন্মধ্যে-

“সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর মহাপবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ হচ্ছেন- সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ।

 

★★★ “সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর মহাপবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা জ্বীন-ইনসান তো অবশ্যই কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য ফরযে আ’ইন এবং নাযাত লাভের কারণ।” সুবহানাল্লাহ!!!

এটাই উনার সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ তাজদীদ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!!!

 

৭) পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা এবং উনার মধ্যে পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা খাছ সুন্নত মুবারক। যা সরাসরি পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা প্রমাণিত।

 

৮) সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহুমগণ উনারা সকলেই “মিয়ারে হক্ব” বা সত্যের মাপকাঠি। উনাদের সমালোচনা করা কুফরী।

 

৯) রূহানী ইছলাহ বা অত্মশুদ্ধি লাভের জন্য হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বায়াত গ্রহণ করা ফরয।

 

১০) ক্বদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১১) বাবরী চুল রাখা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১২) চার টুকরা বিশিষ্ট, সাদা, গোল সুতি কাপড়ের টুপি পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১৩) কালো, সাদা, সবুজ রংয়ের পাগড়ী পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১৪) সাদা, সুতি কাপড়ের রুমাল পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১৫) গুটলীযুক্ত নিছফু সাক্ব গোল কোর্তা পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১৬) ইযার অর্থাৎ সেলাইবিহীন লুঙ্গী পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১৭) খয়েরী রংয়ের চামড়ার মোজা ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

১৮) খয়েরী রংয়ের ক্রস ফিতাযুক্ত চামড়ার না’লাইন বা স্যান্ডেল ব্যবহার করা খাছ সুন্নত।

 

১৯) কাঠের বাটি, কাঠের প্লেট, কাঠের লবনদানি, কাঠের পানির পেয়ালা ইত্যাদি ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

২০) গান-বাজনা করা, দেখা, শোনা সবই হারাম ও কবীরা গুনাহ।

 

২১) হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছিদা শরীফ পাঠ করা, লিখা, শ্রবণ করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

২২) সম্মানিত রওযা শরীফ, সম্মানিত কা’বা শরীফ ও সম্মানিত বায়তুল মুক্বাদ্দাস শরীফ উনাদের ছবি সম্বলিত জায়নামাযে নামায পড়া হারাম, নাযায়িয, কুফরী।

 

২৩) ফুটবল, হকি, ক্রিকেট, কুস্তি সহ সকল প্রকার খেলাধুলা পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হারাম।

 

২৪) মহিলাদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়াহ, তারাবীহ, ঈদ উনাদের নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া আম ফতওয়া মুতাবিক মাকরূহে তাহরীমী আর খাছ ফতওয়া মুতাবিক কুফরী।

 

২৫) তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া মাকরূহে তাহরীমী।

 

২৬) সম্মানিত হানাফী মাযহাব মতে, ফজরের নামাযে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা নাযায়িয এবং নামায ভঙ্গের কারণ। আযান ও ইক্বামতের সময় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক শুনে আঙ্গুলী চুম্বন করে চোখে বুছা দেয়া সুন্নত।

 

২৭) পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়াহ, তারাবীহ, ঈদ, জানাযা ও আযানের পর হাত উঠিয়ে একা একা বা সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা জায়িয ও সুন্নত।

 

২৮) প্রতি আরবী মাসের দিন, তারিখ গণনা করা এবং নতুন চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া। মাস-তারিখ আগে পিছে করা কাট্টা কুফরী।

 

২৯) সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে বেপর্দা হওয়া, ছবি তোলা, টিভি ভিসিআর দেখা ও এতে প্রোগ্রাম করা, মুর্তি-ভাষ্কর্য তৈরী করা ও তা দাহ করা, ভোট দেয়া, গণতন্ত্র ও নির্বাচন করা, নারী নেতৃত্ব মানা, হরতাল করা, লংমার্চ করা, ব্লাসফেমী আইন চাওয়া, মৌলবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দাবী করা ইত্যাদি হারাম।

 

৩০) প্রাণীর ছবি তোলা, আঁকা, রাখা হারাম। ছবি তোলা জায়িয বলা বা এ ব্যপারে উৎসাহিত করা বা প্রচারণা চালানো কাট্টা কুফরী।

 

৩১) যে ঘরে ছবি থাকে সে ঘরে পবিত্র নামায পড়া জায়িয নেই। কোন ইমামের সামনে, পিছনে, ডানে, বামে যদি কোন প্রাণীর ছবি থাকে এবং পৃথিবীর সমস্ত মানুষ তার পিছনে নামায আদায় করে তথাপিও সকলের নামায মাকরূহ হবে এবং উক্ত নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব হবে।

 

৩২) রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, স্যালাইন, ইনসুলিন, ইনহেলার ব্যবহার করলে রোয়া ভঙ্গ হয়ে যাবে।

 

৩৩) খতমে তারাবীহ ও সুরা তারাবীই উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া। সূরা তারাবীহ পাঠ করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত।

 

৩৪) নিয়ত করে রওযা শরীফ, মাযার শরীফ যিয়ারত করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

৩৫) শবে বরাত রাত্রিতে রাত জেগে ইবাদত করা এবং দিনে রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

৩৬) লক্বব মুবারক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক।

 

৩৭) সম্মানিত সুন্নত মুবারক ইহানত করা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা কুফরী।

 

৩৮) সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত যেসব বিষয়কে হারাম সাব্যস্থ করেছেন সেসব বিষয়কে হালাল বা জায়িয ফতওয়া দেয়া কুফরী। আর কোন মুুসলমান সেচ্ছায় কুফরী করলে, সে মুরতাদ ও কাফির হয়ে যায়।

 

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি তিনি পনের হিজরী শতকের শুরুতে তাশরীফ মুবারক এনেছেন  তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে যতপ্রকার বাতিল, বিদয়াত, বেশরা সমস্তকিছু মিটিয়ে দিয়ে সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সমস্ত বিষয়গুলো তাজদীদ করছেন।

উপরোক্ত সম্মানিত হাদীছ শরীফ এবং তাজদীদী ফতওয়া মুবারক থেকে এই বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক মনোনীত, উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হিদায়েত, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত-মা’রিফত, তায়াল্লুক-নিছবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাদিয়া মুবারক করার জন্যে “বর্তমান যামানার সম্মানিত মুজাদ্দিদ” হিসেবে তাশরীফ মুবারক এনেছেন। সুবহানাল্লাহ!!!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে