সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

বাঁচতে চাইলে খালিছ ইস্তিগফার-তওবা করুন


গণতন্ত্রের কারণে সরকারের নীতি নির্ধারণকারী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে নিম্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী পর্যন্ত প্রায় সকলেই প্রতিযোগিতামূলকভাবে চুরি ডাকাতি, ছিনতাই, রাহজানী, খুনখারাবি ইত্যাদি অপরাধ অপকর্মে লিপ্ত। নাউযুবিল্লাহ! অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন, প্রশাসন ইত্যাদি কোন কাজই আসছে না। যাকে যে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে সে সেই দায়িত্বের অবহেলা, খেয়ানত ও অবমাননা করছে। দায়িত্বশীল নিজেই অপরাধে জড়িত হচ্ছে। এটার একমাত্র কারণ যিনি সত্যিকার আইন বা বিধান দানকারী খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বিধানকে উপেক্ষা করে নিজের মনগড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও তার অনুসরণ করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি তো স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছেন, তারা কি জাহিলিয়াতের (মনগড়া) নিয়ম নীতির অনুসরণ করতে চায় অথচ ঈমানদারদের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর আইন প্রণয়নকারী আর কে রয়েছেন?

সম্প্রতি দৈনিক পত্রিকার খবরে এসেছে, ১ লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা গায়েব। কয়লার মতো জিনিস যদি গায়েব হতে পারে তাহলে এর চেয়ে বেশি মূল্যের জিনিস গায়েব হওয়ার কি বাকী রয়েছে? কখনোই নয়। তাই প্রায়ই খবরের কাগজে দেখা যায় অমুক ব্যাংক চুরি, অমুক ব্যাংক ডাকাতি, অমুক ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ম্যানেজার উধাও হয়ে গেছে। এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা পাচার হওয়ার খবরও বাদ যায়নি। আর বাংলাদেশ ব্যাংকে রাখা স্বর্ণের হিসাবের মধ্যে গরমিল, গায়েব, চুরি, ডকাতি ও পাচারের ঘটনাও প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।
এ সমস্ত থেকে উত্তরনের পথ একটাই খালিছ তওবা ইস্তিগফার করে জুলুমতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসা। আর এ লক্ষ্যেই যামানার মহান মুজাদ্দিদ তিনি এ দেশে তাশরীফ এনেছেন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে