বাংলাদেশের ভূমিকম্প মুসলমানদের কুফরি-শিরকি থেকে তওবা করে ফিরে আসার ইঙ্গিত


মুসলমানদের জন্য হারাম হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখের আগের দিন ভূমিকম্পে কেঁপেছিলো বাংলাদেশ। রাতের আধারে ঘর থেকে বের হয়ে পড়েছিলো অসংখ্য মানুষ। ‘আল্লাহ আল্লাহ’ বলে চিৎকার করে নিজের অজান্তেই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ডেকেছিলো কতো মানুষ বলার অপেক্ষা রাখেনা। বিপদের সময় কিংবা মৃত্যুর ভয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক যাদের মুখ দিয়ে আপসে আপ চলে আসলো তারা যে সবাই খোদা ভীরু কিংবা ধর্মপ্রাণ মুসলমান তা কিন্তু নয়। বরং অনলাইনে যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এমনও দেখা গেছে অনেক স্বঘোষিত নাস্তিক যারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরদ্ধচারণ করাটা ফ্যাশন হিসেবে নিয়েছে কিংবা পেশা হিসেবে নিয়েছে, সেইসব পেইড নাস্তিকরাও ভূমিকম্পে মৃত্যুকে সামনে দেখে চিৎকার করে মহান আল্লাহ পাক উনার উপর আস্থা ও বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।

বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, মৃত্যুকে সবাই ভয় পায়। কেউ দুনিয়া ছেড়ে অনিশ্চত জগৎ পরকালে যেতে চায়না। আর এজন্যই মুসলমানদের উচিত হাক্বীকি মুসলমান হওয়া। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘মুসলমান না হয়ে তোমরা ইন্তেকাল করোনা।’ (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ) এখন মুসলমান থাকতে চাইলে মুসলমানিত্ব বজায় রাখতে হবে। সবসময় তওবা ইস্তেগফার পড়তে হবে। আক্বীদা বিশুদ্ধ করতে হবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সর্বোচ্চ মুহব্বত করতে হবে। কাফির মুশরিকদের অনুসরণ-অনুকরণ বাদ দিতে হবে, সমস্ত হারাম কাজ ছেড়ে দিতে হবে এবং পবিত্র সুন্নত উনার অনুসরণ-অনুকরণ করতে হবে। তাহলেই প্রকৃত মুসলমান হওয়া যাবে এবং পবিত্র ঈমান নিয়ে পরকালে যাওয়া সহজ ও সম্ভব হবে। মহান আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে মুসলমান হয়ে ইন্তেকাল করার তওফিক দান করুন। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে