বাংলাদেশের শিক্ষা সেক্টরে হিন্দু ও নাস্তিকদের আস্তানা এবং রমজানে পরীক্ষার শিডিউল


প্রথম প্রথম যখন লিখতাম- “পাঠ্যপুস্তকে হিন্দু ও নাস্তিক্যবাদীদের গভীর ষড়যন্ত্র আছে”, যখন অনেক মুসলমানই এসে আমাকে কটাক্ষ করতো। বলতো- “আপনি মনে হয় বেশি বুঝেন।” “এত মানুষ পড়ে কেউ বুঝলো না, কিন্তু আপনি বুঝে গেলেন?” ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু কিছু দিন লিখতেই- অনেকেই বললো- “আসলে ঘটনা তো সত্যিই, ষড়যন্ত্র নিশ্চয়ই আছে।” অনেক মুসলিম সংগঠনও বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন শুরু করলো। এবং এক পর্যায়ে সরকার বিষয়টিকে মেনে নিলো এবং বেশ কিছু পরিবর্তন আনলো। সরকার পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন এনে একটি বিষয় কিন্তু প্রমাণ করেছে, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে সত্যিই সত্যিই ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং হাতেনাতে ধরা পরায় তারা বিষয়টি পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।
ঠিক, একইভাবে রমজান মাস আসলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা শিডিউল ফেলানোও কিন্তু একই ষড়যন্ত্রের ধারবাহিকতা। শিক্ষা সেক্টরে ঢুকে পরা ইসলামবিদ্বেষী কীটগুলোই পাঠ্যপুস্তকে হিন্দুত্ববাদ ও নাস্তিক্যবাদ ঢুকিয়েছিলো। আর এরাই এখন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রমজানে পরীক্ষা-ক্লাস ফেলানোর জন্য কাজ করছে।
বাস্তবতা হচ্ছে, রমজান মাস আসলে মুসলমানরা ধর্মচর্চা বাড়িয়ে দেয়, বৃদ্ধি পায় মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি। কিন্তু সেটা যেন বৃদ্ধি না পায়, সে জন্য মুসলমানদের রমজান মানে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখতে চায় এ মহলটি। কারণ তারা চায় না, কোনভাবেই যেন মুসলমানদের ধর্মীয় সক্রিয়তা বৃদ্ধি না পায়।
বাংলাদেশে ইউনিভার্সিটিগুলো বর্তমানে হিন্দু ধর্মীয় হাওয়া লেগেছে। প্রত্যেকটি ভার্সিটিতে নানান ধরনের পূজা পাবর্ন করা হয়। অনেকগুলো করতে ভার্সিটি থেকেও চাদা সরবরাহ করা হয়। মুসলমান ছাত্ররাও চাদা দেয় এবং পূজায় অংশগ্রহণ করে। দেখা যাচ্ছে হিন্দুধর্ম চর্চায় মুসলমানদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে, কিন্তু মুসলমানদের ধর্ম চর্চায় নানান ভাবে বাধা দেয়া হচ্ছে। রোজা আসলেই ফেলানো হচ্ছে পরীক্ষা, ক্লাস চলছে শেষ পর্যন্ত।
আমার কথা হচ্ছে, আপনি নৈতিকতা সমৃদ্ধ দেশ চাবেন, ঘুষ-দুর্নীতি কম চাবেন, নারী নিপীড়ন হ্রাস চাবেন, সন্ত্রাস শূণ্য দেশ চাইবেন কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে ধর্ম চর্চা করতে দিবেন না, তাহলে হবে না। মারামারি-কাটাকাটি খুনোখুনি, লোভ-লালসা, পারিবারিক অশান্তি- আত্মতহ্যা, ব্যাভিচার-গর্ভপাত, বিবাহ বিচ্ছেদ এগুলো এখন আমাদের সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে। কিন্তু এগুলো আপনি আইন করে, পার্থিব উপায়ে হাজার চেষ্টা করেও কমাতে পারবেন না। ধর্মচর্চার মাধ্যমেই নৈতিকতা গঠিত হয়। রোজার মাসে পরীক্ষা-ক্লাস বন্ধ করুন, ছাত্রদের ধর্মচর্চার সুযোগ করে দিন, অবশ্যই সমাজে একটি বিরাট পজিটিভ প্রভাব দেখতে পাবেন।
আমি বলবো, শিক্ষা সেক্টরে প্রবেশকৃত ঐ হিন্দু ও নাস্তিক্যবাদী মহলটি এখনও ষড়য্ন্ত্র অব্যাহত রেখেছে এবং রমজান মাসে পরীক্ষা ফেলে দেশ ও জাতিকে ধ্বংসের দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। জনগণের উচিত এখনই সচেতন হওয়া এবং প্রতিবাদ করা। তবেই ষড়য্ন্ত্রকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হবে।

 

Collected.

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে