‘বাংলাদেশে আইএস আছে’ প্রমাণ করতে মরিয়া পশ্চিমা আমেরিকান অপশক্তি


আই এস”নামক পাতানো ফাদ থেকে বাচতে সরকারের উচিৎ বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করে দিয়ে এই দেশের সকল চাপাতি দিয়ে হত্যার নাটের গুরু মার্কিন রাস্ট্রদূত হিজড়া বার্নিকাটকে বহিস্কার করা !
তাহলেই চাপাতি দিয়ে খুন খারাপি বন্ধ হয়ে যাবে !
আর “আই এস” নামের ভূত ও তাড়িয়ে দেয়া যাবে !!!!

‘বাংলাদেশে আইএস আছে’ প্রমাণ করতে মরিয়া পশ্চিমা আমেরিকান অপশক্তি, তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে সোনার বাংলাদেশকে সিরিয়ার মত যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ হওয়া থেকে বাচতে প্রয়োজন সঠিক দেশপ্রেম !!!

সোনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশের দিকে লোলুপ দৃষ্টি এখন গোটা বিশ্বের। একথা অনস্বীকার্য যে, বিশ্ব অর্থনীতি এখন মুখ থুবড়ে পড়ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন মুলুক আর চীন-জাপানের মতো একসময়কার কথিত ধনী দেশগুলো এখন অর্থ মন্দায় সুপার ফকির হয়ে কঙ্কালসার হয়ে ধুকে ধুকে মরছে। এমতাবস্থায় উদীয়মান সূর্যের ন্যায় আলোর বিকিরণ ছড়াচ্ছে সুজলা, সুফলা আর প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদে টুইটুম্বুর সোনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সঙ্গতকারণেই বাংলাদেশের ভূখন্ডে এখন বুভুক্ষ নেকড়েগুলো শেষ শক্তি ব্যয় করবে।
বোধ করি সেই শেষ শক্তি ব্যয় করারই কিছু আলামত হচ্ছে
বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদী ‘আইএস আছে’ প্রমাণ করতে নিজেদের হাতে গড়া পুতুলগুলো একের পর এক তারাই দাবার গুটির মতো সামনে ঠেলে দিচ্ছে, আর একের পর এক হত্যা কান্ড হচ্ছে।
আর নাটকীয় সংলাপের মতো তাদেরই হাতে গড়া আইএস কিংবা আল কায়দা অথবা তাদের মুখপাত্র সাইট ইন্টেলিজেন্স নামক কথিত সংস্থা সেইসব হত্যার দায় স্বীকার করে নিচ্ছে। এরপরেই শুরু হয় জাতিসংঘ নামক ইহুদী সংঘ থেকে, কথিত মানবাধিকার সংস্থা থেকে তথা পশ্চিমাদের মায়া কান্নার পর্ব। একই সাথে তাদের নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলোতেও শুরু হয় জোর প্রচারণা, ইস্যু জিইয়ে রাখার প্রতিযোগিতা। সব মিলিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার ফাঁদ।
এদেশের শাসকগোষ্ঠীকে যেভাবে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে তাতে মনে হচ্ছে ক্ষমতাসীনদের রেহাই নেই। তাই অতিসত্বর যুদ্ধবাজ লুটেরাদের গোলামী ছেড়ে দিয়ে তাদেরকে শক্তভাষায় জবাব দিতে হবে !

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে