বাংলাদেশে কতটি মন্দিরের বৈধ কাগজপত্র আছে ?


ঢাকাস্থ রমনা কালী মন্দিরের কিন্তু কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। মুসলিম শাসিত নবারের এলাকায় অনুনয় বিনয় করে ২-৩ কাঠার উপর মন্দির নির্মাণ করেছিলো হিন্দুরা। কিন্তু এখন রমনা কালী মন্দিরের ১১২ কাঠা জমি অবৈধ দখল করে বিরাট এলাকা জুড়ে দখল করে মন্দির তৈরী করেছে তারা। অথচ রমনা কালী মন্দিরের কোন প্রকার বৈধ কাগজপত্র নেই। (http://goo.gl/gqebvw)

শুধু এক রমনাকালী মন্দির নয়, বাংলাদেশের প্রায় ৯০% মন্দিরেরর কোন বৈধ কাগজপত্র নেই, শুধুমাত্র ‘সংখ্যালঘু’ এইটুকু মানবিক আবেদন নিয়ে তারা এতদিন মন্দিরগুলো স্থাপন করে পূজা কার্যক্রম চালিয়েছিলো, এই কারণে মুসলমানরা এতদিন তাদের ঘাটতো না। কিন্তু যখন হিন্দুরা মুসলমানদের মসজিদের যায়গা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, মুসলমানদের মসজিদ নির্মাণে বাধা দিচ্ছে, তখন মুসলমানদেরও পাল্টা প্রশ্ন করার সময় এসেছে। সম্প্রতি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নামক সাম্প্রদায়িক সংগঠনটি গেন্ডারিয়াতে ‘মন্দিরের পাশে মসজিদ হতে পারবে না’ এই অজুহাতে মসজিদ নির্মাণে বাধা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, জানা গেছে, কিছুদিন আগে ভারত থেকে যখন বাংলাদেশে বিজেপি নেতারা এসছিলো তখন তাদের কাছে মুসলমানদের জমিজমার বিরাট লিস্ট দেওয়া হয়। সেই লিস্টে গেন্ডারিয়ার মসজিদের নামও ছিলো। যার কারণে এতদিন বাধা না দিলেও হঠাৎ করে পুলিশ বন্দুক নিয়ে মসজিদে ঝাপিয়ে পড়ে। কারণ- ফোন এসেছিলো ভারত থেকে, তাই সরকার দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্টে তোয়াক্কা না করে বন্দুকের নলের মুখে মসজিদ খালি করার নির্দেশ দেয়। অথচ লিজ নেওয়া সম্পত্তি নয়, বরং সরকারের উচিত ছিলো ঐ এলাকায় সরকারিভাবে মসজিদ নির্মাণ করে দেয়া। কারণ দেশের ভূমি তো সরকারের বাবার সম্পত্তি নয়, জনগণের সম্পত্তি। জনগণের যদি মসজিদ দরকার হয়, তবে সরকার তা নির্মাণ করে দিবে। উল্টো জনগণ যখন নিজের টাকায় মসজিদ নির্মাণ করতে গেলো, তখন সরকার উল্টো বাধা দিচ্ছে। এই অধিকার সরকার পাইলো কোথায় ? আওয়ামী সরকার কি বাংলাদেশটাকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানাতে চাইছে ?

এলাকাবাসী জানিয়েছে,
যে মন্দিরের কারণে মসজিদ নির্মাণে বাধা দেওয়া হচ্ছে ঐ মন্দিরটি অবৈধ। তাই ঐ অবৈধ মন্দিরটি ভেঙ্গে ফেলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করা হোক। কারণ সেখানে ৭ ঘর হিন্দুর জন্য ১টা মন্দিরই যথেষ্ট (সেখানে মন্দির আছে ৭টা), অপরপক্ষে ৫০ ঘর মুসলমানের জন্য অন্তত একটা মসজিদ লাগে, বেশি হলে ভালো।

আমি বাংলাদেশের মুসলমানদের বলছি,
আর ঘুমিয়ে থাকবেন না। প্রত্যেক এলাকায় এলাকায় মন্দিরগুলোতে গিয়ে যোগাযোগ করুন। তাদেরকে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলুন। যদি না দেখাতে পারে, তবে ঐ অবৈধ মন্দিরগুলো ভেঙ্গে ফেলতে স্থানীয় জেলাপ্রাশসক বরাবার স্বারকলিপি জমা দিন। হিন্দুরা যখন বৈধ-অবৈধের প্রশ্ন তুলেছে, তখন আইন অনুসারে তারা কতটুকু বৈধ সেটা যাচাই করার দরকার আছে।

মনে রাখবেন, এতদিন মুসলমানরাই হিন্দুদের ‘সংখ্যালঘু’ বলে বলে সহানুভূতি দেখিয়ে হিন্দু ঘাড়ে তুলেছে, এখন তারাই মুসলমানদের তাড়িয়ে দিতে চাইছে। মুসলমানরা শুধু হিন্দুদের প্রতি সহানুভূতিটা ঝেড়ে ফেলুন, দেখুন হিন্দুদের দৌড় কতটুকু।

(সংগৃহিত)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে