বাংলাদেশে যেভাবে ৯৭ ভাগ মুসলান আর ২ ভাগ হিন্দু হলো


অনেকেই বলে থাকে, বাংলাদেশের আদমশুমারি  রিপোর্ট বা  অন্য কোন জায়গায় ৯৭ ভাগ মুসলমান, ২ভাগ হিন্দু এসব তথ্য কখনও পায় নি।  ৯৭% মুসলমান কিভাবে হলো?  এই তথ্যটির  নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা কি?

যারা আদম ‍শুমারির উপর অন্ধ বিশ্বাস তাদের জন্য কিছু কথা-

আমাদের দেশের শুমারীর উপর আপনার র্নিভরতা কত টুকু? সম্প্রতি আমাদের পরিসংখ্যান বুরোর উপর উদ্ভট তথ্য প্রদান করার কারনে দুই দুই জন মন্ত্রি সমালোচনা করেছে।
দেশের জনসংখ্যা জাতিসংঘের হিসাবের চেয়ে ২ কোটি কম” শিরোনামে কিছুদিন আগে অনেক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। সংবাদে জাতিসংঘের প্র্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত বলেছিলেন, ‘জাতিসংঘের কেরানীদের নিউইয়র্কের টেবিলে বসে তৈরি করা এ প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থমন্ত্রী সর্বশেষ সরকারি হিসাবের বরাত দিয়ে দেশের মোট জনসংখ্যা বলেছিলেন ১৪ কোটি ৬০ লাখ। ’

তাই যদি হয়- তবে বাংলাদেশের কেরানীদের টেবিলে বসে হিসেব কষা জরিপ কতটুকু গ্রহণযোগ্য?

আর এবার যে সুমারী হয়েছে সেখানে আমি চোখ বন্ধ করে বলতে পারি সুমারীর জন্য কোন ব্যক্তি আপনার বাসায় যায়নি এমনকি আমার এবং আমার কোন আত্বীয়য়ের বাসায়ও যায়নি। টেবিলে বসে করা শুমারি কতটুকু নির্ভরযোগ্য? 

৯৭ ভাগ মুসলমান, ২ ভাগ হিন্দু যে হিসাবে-

আমাদের দেশে মুসলমানদের সংখ্যার পরে হিন্দুদের সংখ্যা বেশি। আর এই হিন্দুর সংখ্যাটা আপনি যদি যাচাই করেন তাহলে প্রকৃত তথ্য জানতে পারবেন। আমাদের দেশে থানার সংখ্যা রয়েছে ৫৮০ টি। আমরা যদি ৬০০ টি ও থানা ধরে নেই আর প্রতিটি থানায় যদি ৫০০০ হাজার হিন্দু ধরি তাহলে দেখা যায় হিন্দুদের সংখ্যা মাত্র ৩০ লক্ষ। অর্থ্যাৎ ১৫ কোটি জনসংখ্যা ধরলে ২% আসে। আর আমি যে প্রতিটি থানায় ৫ হাজার হিন্দু ধরে নিলাম, ৫-১০ টি থানা ব্যতিত অন্যান্য থানায় কখনোই ৫০০০ হিন্দু পাওয়া যাবে না। আর বাকি ১% অর্থ্যাৎ ১৫ লক্ষ অন্যান্য ধর্ম। আর ৯৭% হচ্ছে মুসলমান।

বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে অন্যতম একটি মুসলিম দেশ হিসাবে ধরা হয়। এখানে ৯৯% ই মুসলিম থাকার কথা। সঠিকভাবে সুমারি করলে অবশ্যই ৯৯% মুসলমান বের হয়ে আসতো। কারণ প্রত্যেক থানায় ১% হিন্দু আছে কিনা সন্দেহ। সেক্ষেত্রে হিন্দু ও অন্যান্য ধর্ম মিলে যে ৩% আর মুসলমান ৯৭% ধরা হয়েছে তা কোন দিক থেকে মিথ্যে নয়। 

তবে কারো বিশ্বাস না হলে, জরিপ করে দেখতে পারে। এই জরিপ কঠিন কোন কাজ না। প্রতিটা ইউনিয়নে গিয়ে ভোটার তালিকা যাচাই করলেও একটাআনুমানিক তথ্য পাওয়া যায়।

এখন কারও যদি তথ্য সন্দেহজনক হয় তাহলে যেন সে প্রতিটি থানায় হিন্দুদের সংখ্যা যাচায় করে নেয় তাহলে মুসলমানদের প্রকৃত সংখ্যা জানতে পারবে।

 

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. গোলামে মাদানী আক্বাগোলামে মাদানী আক্বা says:

    sundor post

  2. মহানন্দামহানন্দা says:

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলায় হিন্দুর সংখ্যা ১ হাজারের নিচে।

  3. আমার তো শুমারি ই হয় নাই । আফসোস !!!!
    এমন অনেকে রয়েছেন যাদের তালিকায় আনা হয় নাই ।

    আপনার কথা সত্যি । অনেক থানা আছে যেখানে হিন্দু নাই ।

  4. সুন্দর পোস্ট।

    অল্প পানির মাছ লাফায় বেশি। অল্প কয়টা হিন্দু ইহুদীদের দালালির কারনেই বেশি লাফালাফি করতে পারে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে