বাংলাদেশে ঘাপটি মেরে আছে ১২ লাখ ভারতীয়? না আরো বেশি? এদেশের চাকরীর বাজার দখল থেকে নাশকতা ও টাকা পাচার করছে এসব অবৈধ ভারতীয়।


একদিকে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তি মুসলমানদের শহীদ করার জন্য উন্মত্ত হয়ে উঠেছে। নাঊযুবিল্লাহ! বাংলাদেশের স¦াধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। অপরদিকে এ দেশে অবৈধভাবে থাকা ভারতীয়দের সংখ্যা কল্পনাতীতহাতে বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে ঘাপটি মেরে থাকা ভারতীয়দের দ্বারা বিভিন্ন ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র ও ব্যাপক নাশকতা। এ ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার হচেছ দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন, মিডিয়া সর্বক্ষেত্রে। এ ক্ষেত্রে ওরা প্রথমত বিভিন্ন কায়দায় এদেশে ভারতীয়দের বসবাসের সংখ্যা অবৈধভাবে বাড়াচ্ছে। পত্র-পত্রিকায় বিক্ষিপ্তভাবে হলেও কিছু রিপোর্ট হচ্ছে।
প্রসঙ্গত তা তুলে ধরা হলো-
হেডিং হয়েছে- “ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার চেষ্টা!”
খবরে বলা হয়েছে,
“শৈলেন্ড কুমার সিংহ ওরফে বেরী পিতামহ সূত্রে বাংলাদেশী হলেও প্রায় ৬৫ বছর বৎসর যাবৎ ভারতের পশ্চিম বাংলায় উত্তর ২৪ পরগনা জেলাধীন শ্যামনগর থানার আতপুর গ্রামের বৌদ্ধমন্দির সংলগ্ন স্থানে নিজস¦ বাড়িতে বসবাস করেছে। ইতোপূর্বে শ্যামনগরের বাড়িটি ভাড়া দিয়ে বর্তমানে দিল্লীর সন্নিকটে ফয়েজাবাদ স্থানে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে নিজেই ব্যবসা করছে। তার ১ স্ত্রী ও ২ পুত্র সন্তান রয়েছে। তবে এদের জন্ম ভারতে হয়েছে। সেখানে লেখাপড়া করে। ৫/৭ বছর পর পর দেশের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার লাকসামে এসে পিতা ও মাতার নিকট হতে ছলে-বলে-কৌশলে কিছু টাকা পয়সা নিতো। শ্যামনগর বাড়িটি তার পিতা জামিনি কুমার সিংহই তার নামে খরিদ করে। তার দুই ভাই ৪ বোন। ছোট ভাই দেশের বাড়িতে থাকে। ৫ বোনকে পিতা মাতা ও তাহার ছোট ভাই মিলে বিয়ে দেয়। আজ প্রায় ৫ বৎসর হয় তার পিতা জামিনী কুমার সিংহ মারা যায়। বর্তমানে তার মাতা ছোট ছেলের নিকট নিজস¦ বাড়িতে আছে। তার বয়স প্রায় ৯৭ বছর। আজ প্রায় ৮/৯ মাস যাবৎ দেশের বাড়ী কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন দুপচর গ্রামে সপরিবারে বেড়াতে এসে স্থানীয় কিছু স¦ার্থন্বেষী ও প্রভাবশালী লোকদের সে হাত করে স্থানীয় ভূমি অফিস ও প্রশাসনে মোটা অংকের টাকা খরচ করে পৈত্রিক সম্পত্তির ৬০ ডিং জমি নিজস¦ নামে বাদ খারিজ করে নেয় এবং জোরপূবর্ক একটি জায়গায় একটি ঘরও তুলে রেখেছে। ইতিপূর্বে সে ছেলে মেয়ে ও স্ত্রীকে রেখে ২ বার ভারতে ও আসা-যাওয়া করছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, নিজস¦ নামে ৬০ডিং সম্পত্তি থেকে কতক সম্পত্তি বিক্রি করে স্থানীয় প্রভাবশালী ও বখাটেদের টাকা দিয়ে জাতীয় আইডি কার্ড ও ভোটার লিস্টে নাম রাখার চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর সাথে আলাপ করে জানতে পারে এই ভারতীয় নাগরিকের খুটির জোর কতটুকু? তাছাড়া এক মহিলা বলে, এই ভারতীয় নাগরিকের টাকা আছে বলেই সব কিছু জোর দিয়ে করে যাচ্ছে। তবে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছে, বাদ খারিজের বিরুদ্ধে বর্তমানে কুমিল্লা জেলা রাজস¦ অফিসে একটি মামলা চলছে। মামলা নং ৬৬/১২/১৩।” (সূত্র- ডি নিউজ বিডি.কম, তারিখ- ২০-০৮-২০১৩ খৃ.)
পত্রিকায় আরো হেডিং হয়-
“বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালের নার্সের ভারতীয় পাসপোর্ট!”
খবরে বলা হয়-
“বাংলাদেশের একটি সরকারি হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে চাকরি করে সে। হাসপাতালের নথিপত্রে তার ঠিকানাও বাংলাদেশি। অথচ তার পাসপোর্ট ভারতীয়। ওই পাসপোর্ট নিয়ে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশের আগ মুহূর্তে তাকে আটক করে স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আটক ওই নারীর প্রকৃত নাম কৃষ্ণা রানী হীরা। বাবার নাম শশীভূষণ হীরা। সে গোপালগঞ্জের চুটামান্ডা গ্রামের বাসিন্দা এবং গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত। অথচ ভারতীয় পাসপোর্টে (নম্বর জে- ৬১২৮০৫৯) তার নাম লেখা রয়েছে কৃষ্ণা হীরা দাস (৩৭)। ঠিকানা- ক্ষুদিরামনগর, পোস্ট ঘোলা, ওয়েস্ট বেঙ্গল ৭০০১১১।
ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা এসআই রাশেদ জানায়, গোপালগঞ্জ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স কৃষ্ণা হীরা দাস ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করে ২ লাখ টাকা নিয়ে ওই দেশে যাচ্ছিলো বলে গোপন সংবাদ পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। এদিকে, ভোমরা স্থলবন্দরে পৌঁছে কাস্টমসের আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দেয় কৃষ্ণা। আগে ভাগে অবহিত হওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করে। পরে গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তা, কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্টরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ হয়ে যায়। এ পর্যায়ে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার নুরুন্নাহার খাতুন জানায়, সে তার বোনের বিয়েতে যাওয়ার কথা বলে সাত দিনের ছুটির আবেদন করে চলে যায়। এখনও তার ছুটি মঞ্জুর হয়নি।
ইমিগ্রেশনের অপর একটি সূত্র জানায়, কৃষ্ণা গত মে মাসে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যায় এবং ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে ভোমরা বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে। ২ লাখ টাকা নিয়ে ভোমরা বন্দর দিয়ে সে আবারও ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
ইমিগ্রেশনে পৌঁছানোর আগেই কৃষ্ণা ওই টাকা কোনো হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে আগেই ভারতে পাঠিয়ে দেয় বলে ধারণা ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের। এর আগেও সে কয়েক লাখ টাকা ভারতে পাচার করেছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানায়, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। হাসপাতালের রেজিস্টারে ওই নার্সের নাম লেখা আছে কৃষ্ণা রানী হীরা। আর ভোমরা বন্দরে যে আটক হয়েছে তার নাম কৃষ্ণা হীরা দাশ। যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনে তিনি আটক নারীকে গোপালগঞ্জে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছে।” (সূত্র- বাংলানিউজ২৪.কম, তারিখ- ০৬-১১-২০১১)
চাকরির বাজার ভারতীয়দের হাতে
বৈধ-অবৈধ ভারতীয় নাগরিকদের দখলে চলে যাচ্ছে দেশের চাকরির বাজার। দেশীয় বড় বড় কোম্পানি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি ভারতীয়দের একচেটিয়া নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে গার্মেন্ট, বায়িং হাউস, এয়ারলাইন্স ও বিভিন্ন বিপণন প্রতিষ্ঠানে লক্ষাধিক ভারতীয় কাজ করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
বৈধ কাগজপত্র না থাকায় এদের আয়ের সঠিক হিসাব নেই জাতীয় রাজস¦ বোর্ডের কাছে। ফলে মোটা অঙ্কের বেতন-ভাতা পেলেও রাজস¦ দিতে হয় না এসব অবৈধ বিদেশির।
আবার বহুজাতিক বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ পদের প্রায় সবই ভারতীয় নাগরিকের দখলে থাকায় বাংলাদেশী নাগরিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বেতন-ভাতা পাচ্ছে তারা। দেশ থেকে পাচার করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। বাংলাদেশে একাধিক বহুজাতিক কোম্পানির অফিসে খোঁজখবর নিয়ে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে প্রায় ১২ লাখ ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে কাজ করছে। ভারতীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ছাড়া এসব ভারতীয় কাজ করছে বিভিন্ন বায়িং হাউস, পোশাক কারখানা, ফ্যাশন হাউস, এয়ারলাইন্স কোম্পানিতে।
এসব কোম্পানির শীর্ষ পদের সবই ভারতীয়দের দখলে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রম আইন যেমন মানা হচ্ছে না, তেমনি বৈধ ওয়ার্ক পারমিটও নেই অধিকাংশ ভারতীয়র।
এয়ার ইন্ডিয়ার ঢাকা অফিসে স্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করে ৯ কর্মকর্তা। এর মধ্যে শীর্ষ তিনটি পদের সবক’টি ভারতীয়দের দখলে। অপর ৬ কর্মকর্তার মোট যা বেতন-ভাতা, তার দ্বিগুণ ভোগ করে ভারতীয় একেকজন কর্মকর্তা। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে ভেতরে ভেতরে ক্ষোভ চলছে দীর্ঘদিন ধরেই।
তবে চাকরি হারানোর ভয়ে মুখ খুলছে না কেউই। যে তিন ভারতীয় নাগরিক শীর্ষ তিনটি পদে আছে, তারা আইন অমান্য করে আছে। বিনিয়োগ বোর্ড বাংলাদেশে কোনো বিদেশি কোম্পানিতে বিদেশি নাগরিক নিয়োগের শর্ত হিসেবে ১:৫ অনুপাতে ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে থাকে।
এক্ষেত্রে ৩ ভারতীয় নাগরিকের বিপরীতে শীর্ষ ৯টি পদের জন্য ১৫ জন বাংলাদেশী নিয়োগ পাওয়ার কথা। তবে এয়ার ইন্ডিয়ার ঢাকা অফিসে সর্বমোট ১৩ জন স্টাফ কাজ করছে। এর মধ্যে ৪ জন আবার অস্থায়ী ভিত্তিতে আছে। এ বিষয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে এবং ই-মেইল পাঠিয়েও এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
একই অবস্থা বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও। প্রতিষ্ঠানটি চেয়ারম্যান ও এমডিসহ বেশিরভাগ শীর্ষ পদই দখল করে আছে ভারতীয়রা। বাংলাদেশী কর্মীরা নীতিনির্ধারণী পদে তেমন পাত্তা পাচ্ছেন না।
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশীরা এগিয়ে থাকলেও অজানা কারণে বারবার শীর্ষ পদগুলোয় ভারতীয়দের নিয়োগ দেয়ায় কর্মীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। ক্ষোভে, দুঃখে, হতাশায় ইউনিলিভারের চাকরি ছেড়েছেন অনেকেই।
ইউনিলিভার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও এমডি রাকেশ মোহন ভারতীয় নাগরিক। কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান সঞ্জিব মেহতাও একজন ভারতীয়। কোম্পানির ফিন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ভারতীয় নাগরিক বিবেক আনন্দ।
ভারতীয় নাগরিক জেরি জুস দায়িত্ব পালন করছে মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান হিসেবে। এভাবে ইউনিলিভার বাংলাদেশে দেশিদের ক্যারিয়ার ব্লক করে রেখেছে ভারতীয়রা। আর বেতনের নামে দেশে নিয়ে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকা।
জানা যায়, ইউনিলিভার বাংলাদেশে পরিচালনা পর্ষদে মোট ছয়টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে পর্ষদের তিনটি পদ ভারতীয় নাগরিকের দখলে। ইউনিলিভার বাংলাদেশ সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটিতে শতকরা ৯৯ দশমিক ৫০ ভাগ কর্মী বাংলাদেশ থেকে নিয়োগ দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
আর শতকরা আধাভাগ কর্মী বিদেশ থেকে নিয়োগ দেয়ার নিয়ম রয়েছে। এ নিয়মের সুযোগ নিয়ে বিদেশি কোটায় ভারত থেকে একের পর এক ভারতীয়ের নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছে ইউনিলিভার।
কোম্পানির সাবেক একজন ডিরেক্টর ক্ষোভের সঙ্গে জানান, বাংলাদেশে যেসব ভারতীয়কে নিয়োগ দেয়া হয়, তাদের অধিকাংশই অযোগ্য। তিনি জানান, ভারতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ ইউনিলিভারে পাঠানো হয়।
আবার অনেককে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে শাস্তি হিসেবে বাংলাদেশে বদলি করা হয় বলেও তিনি জানান। সাবেক এ কর্মকর্তা আরও বলেন, অযোগ্য এসব কর্মকর্তার না আছে বাংলাদেশের ভোক্তাদের চাহিদা বোঝার ক্ষমতা, না আছে প্রশাসনিক জ্ঞান।
কোম্পানির তথ্য মতে, ইউনিলিভার বাংলাদেশে মোট ১০ হাজার কর্মী রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় চার হাজার কর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ করে থাকে। সারাদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করার পরও তাদের সামান্য বেতন দেয়া হয়। বিক্রয় কর্মীদের কোম্পানির পক্ষ থেকে নিয়োগ না দিয়ে বিভিন্ন পরিবেশকের মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয় বলে জানা গেছে। তাদের নিয়মিত শ্রমিকের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা না দেয়ার জন্য এমনটি করা হয় বলে জানা গেছে।
আবার কোম্পানির কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গেও বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। জানা গেছে, ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ শ্রমিক ইউনিলিভারে নিয়মিত। তাদের বেশ ভালো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়। তবে বাকি ৮০ ভাগ শ্রমিকের সঙ্গেই ইউনিলিভার বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসছে। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, অনিয়মিত শ্রমিকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়। বছরের পর বছর কাজ করলেও তাদের নিয়মিত করে প্রাপ্য মজুরি দেয়া হয় না।
জানা যায়, মাঠপর্যায়ে ও ফ্যাক্টরিতে বাংলাদেশের শ্রমিকরা হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে সামান্য বেতন পান, আর ভারতীয় কর্তারা বেতন হিসেবে নেয় বিপুল পরিমাণ টাকা। তাছাড়া বিদেশে কাজ করার জন্য তারা কোম্পানি থেকে পায় আনুষঙ্গিক অনেক সুবিধা। এভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রায় ৪০ শতাংশ শেয়ার থাকা এ কোম্পানির আয়ের বিপুল পরিমাণ টাকা ভারতে চলে যাচ্ছে।
সরকারের দুর্বলতার সুযোগেই ইউনিলিভারে একের পর এক ভারতীয় নাগরিক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। বাংলাদেশের স¦ার্থ সংরক্ষণে ইউনিলিভারের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে না। (সূত্র : বিডিটুডে নিউজ.কম)

Views All Time
1
Views Today
7
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে