বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখ অপসংস্কৃতি লালন-পালনের নেপথ্যে যারা!


ইতিহাসের পাতা থেকে-

১৯৫১ সালে ওয়ারীর ৭নং হেয়ার স্ট্রিটে তথাকথিত লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক, অধ্যাপক, মিলে “লেখক শিল্পী মজলিস” নামে একটি সংগঠন করে রেলওয়ের মাহবুব আলী ইনস্টিটিউটে এদেশে প্রথম পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠান করে। তবে তার আগে এরাই কার্জন হলে নববর্ষ উপলক্ষে গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে উপস্থিত ছিল অনেক ভারত ঘেঁষা কু-বুদ্ধিজীবি।
আশির দশকে ১৯৮৭-৮৮-এর দিকে শুরু হয় ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্র-ছাত্রীদের তথাকথিত অ-মঙ্গল-যাত্রা। এরা যাত্রায় ব্যবহার করে নানান মুখোশ। মুখোশগুলো নাকি প্রতীকি। শুভ, অশুভ, শান্তি, কল্যাণ, অত্যাচার এর প্রতীক। যেমনটা হিন্দুরা মনে করে দুর্গার ১০ হাত এবং একেক হাত একেক শক্তির প্রতীক (নাউযুবিল্লাহ)। পরে আরো যোগ হয় গালে ঊল্কী আঁকা, যুবক যুবতীদের নাচ-গান, বেলাল্লাপনা ইত্যাদি।
১৯৬৫ সালের পয়লা বৈশাখে রমনার বটমূলে ছায়ানট প্রথম বাংলা নববর্ষ পালনের আয়োজন করে। জমিদারদের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে পালিত পুণ্যাহ অনুষ্ঠান, বেনিয়াদের পালিত হালখাতা অনুষ্ঠান এক শ্রেণীর কু-বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বদৌলতে, ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে পরিবর্তিত হয়েছে “বাঙালি সংস্কৃতি” নামে মুসলিম মানসিকতা ধ্বংসের এক কৌশলে; যা পরিপূর্ণ বিজাতীয় অপ-সংস্কৃতির আদলে গড়া।
আপনাদের জানাবার জন্য বলছি, বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে লুকিয়ে আছে অনেক ইসলাববিদ্বেষী দালাল। এক কুখ্যাত চলচ্চিত্র নায়িকাও তার স্বামী, এক কুখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ও পুরনো দিনের গানের এক গায়িকা, একজন ঘাদানিক সমর্থক সাংবাদিক, বেশ ক’জন বিমানবালা, এক আইনজীবীর স্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা, সিলেটের এক রাজনীতিবিদের ভাতিজি, “শ” আদ্যাক্ষরের এক সঙ্গীত শিল্পী, একজন কু-বুদ্ধিজীবির বিধবা স্ত্রী, চারুকলার অনেক শিক্ষক, এফডিসি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত পীযূষও তার স্ত্রী এবং আরো অনেকে। এরা সবাই মিলে আজ বাংলাদেশের মুসলিম মানস ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে