বাংলাদেশে মুসলিমবিদ্বেষী হিন্দু সাইটসমূহ: ধারাবাহিক


এদেশের মুসলমানরা স্বভাবতই সহজসরল। তারা তাদের নিজেদের ধর্মীয় গন্ডির বাইরে যায় না বা অন্যধর্মের সমালোচনায় লিপ্ত হয় না। এককথায় তারা অসাম্প্রদায়িক। কিন্তু এদেশের সাম্প্রদায়িক যবন হিন্দু গোষ্ঠী মুসলমানদের এই উদারতার সুযোগ নেয় প্রতিনিয়ত। সামনাসামনি তারা মুসলমানদের নিকট ভাল মানুষ সাজলেও ইন্টারনেটের গোপন জগতে, যেখানে সামনাসামনি দেখার সুযোগ নেই সেখানে বেরিয়ে পড়ে তাদের কদর্য চেহারা। অনেক আগেই তা সীমা অতিক্রম করেছে, সামু হয়ে মুক্তমনা তারপর আরো কিছু ইসলামবিদ্বেষী সাইট।

সরকার নির্বিকার!

আমরা প্রতিনিয়ত কোলকাতার কিছু নর্দমার কীট দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছি কিন্তু কারো যেন কিছু করার নেই।

এ নিয়ে আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।

ধর্মকারী( www.dhormockery.com)

কট্টর হিন্দুত্ববাদী ওয়েবসাইট। নামের প্রথম ও শেষে ধর্ম ও মকারী(mockery) এ দুটো শব্দ যোগ করা হয়েছে। আদতে মনে হতে পারে এটি একটি নাস্তিক্যবাদী সাইট, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে নাস্তিক্যবাদের মুখোশের আড়ালেই যবনহিন্দুরাক্ষসের অবস্থান। এ সাইটে রয়েছে প্রধানত ইসলাম,নবীরাসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিয়ে অশ্রাব্য গালিগালাজ, এরপর খৃস্টধর্মের সমালোচনা।

সামহোয়্যারইনব্লগে অসভ্য যবনম্লেচ্ছঅস্পৃশ্য হিন্দুরা সাইটটির প্রচারপ্রসার করে যাচ্ছে। শুরুতে সাইটটি ছিল একটি ব্লগস্পট সাইট। পরবর্তীতে কোলকাতার চাঁড়ালদের সহযোগিতায় এটি স্বতন্ত্র ওয়েবসাইট হতে পারে। সামুতে ইসলামের বিরুদ্ধে লেখে এমন অনেক কলিকাতার চাড়াল রয়েছে। সাইটটির ব্যানার দেখুন:

 

 

এখানে মুসলমান ইহুদি খৃস্টান সবধর্মকে বর্জন করার ইঙ্গিত রয়েছে, কিন্তু হিন্দুধর্মের ত্রিশূল কই! ধুতি দিয়ে পশ্চাৎদেশ ঢাকার চেষ্টা করাটা যবনদাদাদের জন্য বৃথা, কারণ ধুতিতে সে ব্যবস্থা নেই। নাস্তিক মুখোশরক্ষায় ম্লেচ্ছহিন্দুরা মাঝে মাঝে দু’একটা পোস্ট হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধে দিয়ে থাকে, কিন্তু তাতেও থাকে তাদের মুসলমানবিদ্বেষী কদর্য চেহারার প্রতিফলন।

প্রথমত শুরু করি তাদের স্লোগান দিয়ে। তাদের স্লোগানে বলা হয়েছে

ঈশ্বর সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন

এটি কেবল যবন হিন্দুদের মুখে মানানসই একটি স্লোগান। কারণ তারা বরাহ বা শুকরকে পূজা করে, যেহেতু তাদের দশ অবতারের এক অবতার হল বরাহ অবতার বা শুয়োরাবতার। আর গোবর তথা বিষ্ঠাকে তো তারা পবিত্রজ্ঞান ঈশ্বরজ্ঞান করেই। সবচেয়ে বড় কথা, ঈশ্বর যেখানেই থাকুক তাতে নাস্তিকদের কী আসে যায়? আসে যায় কেবল যবনম্লেচ্ছঅস্পৃশ্য হিন্দুদের ।

তারা তাদের মেকি হিন্দুবিদ্বেষী পোস্টেও মুসলমানদের কিভাবে অপমান করে তার একটি উদাহরণ দেয়া দরকার। আমাদের বোঝা উচিত এসব অস্পৃশ্যযবনদের দৃষ্টিভঙ্গি, নাস্তিক্যবাদের মুখোশের আড়ালে চিনে নিতে হবে তাদের কদর্য বিকৃত চেহারা।

একটি উদাহরণ দিচ্ছি

শুক্রবার, ৩ জুন, ২০১১

কৃষ্ণ আইলা বাংলাদেশে ফুলে পাইলা ভ্রমরা

লিখেছেন শুভজিৎ ভৌমিক
লেখাটা শিশুতোষ নহে। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা!
——————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————
  • কমুনা 2 comments collapsed CollapseExpand
    মঞ্জু মাতা কি জয়! ঘরে ঘরে মঞ্জু মাতার আগমণ ঘটুক।
    ভৌমিক দা জট্টিল পোষ্ট হইছে। এমনি কইরা যদি হুজুরগোর ইয়ে কাইটা দিলে ভালো হইতো।
  • Bhowmik Da 1 comment collapsed CollapseExpand
    হে হে। কাটমু আর কি, তাদের তো জন্ম থেইকাই আধা কাটা :D :D
    • Reply

আর কোলকাতার ম্লেচ্ছটার কমেন্টও দেখুন(সম্পূর্ণ মুখোশ উন্মোচন)


Moja Nondo 6 comments collapsed Collapse Expand
হিন্দুরা এ দেশে তেমন নেই বা হিন্দুরা এ দেশের দশ শতাংশ—এই দুটি মন্তব্য সম্পর্কে কিছু বলা দরকার বলে মনে করি…ধর্মকারী শুধু বাংলাদেশের, আপনাদের এই ধারনা হবার কারণ কি?  আমি ভারতীয়। বাঙ্গালী। কোনোদিন বাংলাদেশে যাইওনি। আমি ও আমার পশ্চিমবাংলার বহু বন্ধু/বান্ধবী ধর্মকারী নিয়মিত পড়েন। তাঁরা যে সবাই পশ্চিমবাংলায় থাকেন, তা ও নয়…তাঁরা থাকেন ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে, ইংলন্ডে, আমেরিকায়, জার্মানীতে…তবে মিল একটাই, আমরা সবাই বাঙ্গালী।
এই পরিস্থিতিতে আপনারা যখন “এ দেশ” কথাটা ব্যবহার করেন, তখন কেন যেন মনে হয় আমাকে ও আমার আনেক বন্ধুদের আপনারা বড্ড পর ভাবেন…
ধর্মকারী আমাদের কাছেও একটা খুব বড়ো প্ল্যাটফর্ম। দেয়া করে আমাদের পর করে দেবেন না।
এরপরও কি আমাদের কিছু বলার থাকতে পারে।
মুসলমান নামধারী কিছু কিছু কুলাঙ্গার আবার দেখা গেল তাদের সাপোর্ট করছে।
গন্ডমূর্খ কি বোঝে তাকেই যবন বলা হচ্ছে? বুঝলেও বুঝতে পারে।
দাদাযবন ও তাদের কুকুরদের নিয়ে আর কী বলা যেতে পারে।
আমার অনুরোধ, মুসলমানরা কেউ সামুশয়তানদের আর যাই বলুন, নাস্তিক বলবেন না।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+