সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

বাংলা সাহিত্যে হিন্দুদের প্রচণ্ড মুসলিম বিদ্বেষ, মুসলমানদের ‘ম্লেচ্ছ-যবন’ বলার দুঃসাহস এবং চরম সাম্প্রদায়িক মনোভাব ও প্রাসঙ্গিক কথা।


সাহিত্যিক কাজী আব্দুল মান্নান মীর মশাররফ হোসেন লিখিত গল্পগ্রনে’র মুখবন্ধে লিখেছেন, মশাররফ হোসেন তার ‘আমার জীবনী’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘১৩০৫ সালে বস্তানী প্রকাশ হয়েছে।’ তিনি বস্তানীর ৪টি নথি ১৩১৫ সালে প্রকাশিত ‘আমার জীবনী’ গ্রন্থে সন্নিবেশিত করেছেন। এর কারণ তিনি বলেছেন, আমার জীবনীর সাথে গাজী মিয়ার বস্তানীর শেষ অংশে বিশেষ সংশ্রব আছে বলে জীবনীর সঙ্গেই প্রকাশ হবে।

বস্তানীর মধ্যে মশাররফ হোসেনের অসাম্প্রদায়িক চিত্ত বিচলিত হয়েছে। তার অভিজ্ঞতার দ্বারা তিনি দেখেছেন, হিন্দুরা মুসলমানদের সর্বনাশ করে নিজেদের স্বার্থ হাছিল করেছে। বস্তানীর মধ্যেই তার বহু নিদর্শন আছে। তার প্রিয়তমা স্ত্রী বিবি কুলসুম হিন্দু সমাজের মেয়ে। মশাররফ হোসেনের সঙ্গে প্রণয়ের ফলে, ধর্ম পরিবর্তন করে তিনি মুসলমান হয়েছেন। জীবনের অভিজ্ঞতাও তার ব্যাপক। তিনি দেশকে ভালবাসতেন, স্বদেশানুরাগমূলক কবিতা আবেগ ভরে আবৃত্তি করতেন। কিন্তু গাজী মিয়ার বস্তানীতে মাঝে মাঝে তিনিও হিন্দু মধ্যবিত্ত সমাজের লোকদের সম্পর্কে তিক্ত অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আমোদপ্রিয় মশাররফ হোসেন হিন্দু বন্ধুদের নিজের বাসায় মাঝে মাঝে আপ্যায়ন করতেন। বন্ধুরা ‘সময়ে সময়ে আসিয়া খুব এক পেট, রোস্ট, কাবাব মারিয়া যান। ব্র্যান্ডি হুইসকিও যে না চলে তা নয়।’ লেখকের স্ত্রী এসব ‘আমোদ আহ্লাদের’ আয়োজন নিপুণভাবেই করে দিতেন, কিন’ অত্যন্ত রাগ করতেন এবং বলতেন, ‘এ সকল গ্লাসের বন্ধু। এ সকল মালাধারী, পৈতেধারী বন্ধু-বান্ধব আমার চিনতে বাকি নেই। খেয়ে মুখটি পুঁচে, গেট পার হয়েই বলে যে, বেটাকে খুব ফাঁকি দিয়েছি। হাজার হোক নেড়ে কিনা।’

উল্লেখ্য, মীর মশাররফ হোসেন কোন ধার্মিক মুসলমান ছিলেন না। শিয়া আক্বীদা ছাড়া চারিত্রিক দুর্বলতা সবই তার মাঝে ছিলো। কিন’ তারপরেও সে সময়ে সমাজে হিন্দুরা মুসলমানদের যেভাবে ঘৃণা ও লাঞ্ছনার শিকার করতো তথা মুসলমানদের নিগৃহীত ও নির্যাতিত করতো তার ছিটেফোঁটা প্রতিফলন তার রচনায় ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় এসেছে বৈকি।

কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, যারা মুসলিম বিদ্বেষী বিষবাষ্পের দ্বারা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে কলঙ্কিত করেছেন তাদের প্রকৃত চেহারা আমাদের কথিত সুশীল সমাজ থেকে সাধারণ মানুষ কেউই উপলব্ধি করতে পারেনি। এখনও ‘সাহিত্য সম্রাট’ বললে তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের মানসপটে ইতিবাচক একটি অবয়ব ফুটে ওঠে, তাদের মনের অজান্তেই অবিতর্কিত শ্রদ্ধার ভাব চলে আসে, অথচ আমরা কী কখনও চিন্তা করে দেখি যে, এ ধরনের তথাকথিত সাহিত্য সম্রাট তাদের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সাম্প্রদায়িকতার বানে কতটা ক্ষত-বিক্ষত করেছেন? আমরা কখনও তা ভেবে দেখি না, কিংবা ভেবে দেখার সুযোগ খুঁজে পাই না। অথবা ভেবে দেখতে চাইনা। এর কারণ, আমরা আত্মবিস্তৃত ও আত্মঘাতী এবং সাধারণ মানুষগণকে অনেক বিষয়েই রীতিমত অন্ধকারে রাখতে পছন্দ করেন আমাদের অধিকাংশ কবি-সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী। শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষকে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে অন্ধকারে রেখে আমাদের অধিকাংশ সাহিত্যসেবী প্রকারান্তরে ওইসব সাম্প্রদায়িক সাহিত্যিকদের সুখ্যাতি করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছেন।

বাংলা ভাষার অনেক অমুসলিম কবি সাহিত্যিক তাদের লেখায় মুসলমানদের ক্ষেত্রে নানা কুৎসিত শব্দ প্রয়োগ করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদের চরম ঘৃণা ও বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

মুসলমান শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে ওরা ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবহার করেছেন যবন, ম্লেচ্ছ, পাতকী, পাষণ্ড, পাপিষ্ঠ, পাপাত্মা, দুরাত্মা, দূরাশয়, নরাধম, নরপিশাচ, বানর, নেড়ে, নেড়ে, দেড়ে ধেড়ে, এঁড়ে, অজ্ঞান, অকৃতজ্ঞ প্রভৃতি শব্দ। এমনসব শব্দের ব্যবহার থেকেই ধারণা করা যায় যে, মুসলমানদের বিরুদ্ধে হিন্দুরা কতটা বিদ্বেষভাবে পোষণ করেন। এ এক বঙ্কিমের রচনায়ই এসব খারাপ বিশেষণের সবকিছুরই প্রতিফলন আছে। এ গবেষণা যত এগুবে, পাঠকবৃন্দ ততই বেদনার সাথে লক্ষ্য করতে থাকবেন যে, এদের রোপিত মুসলিম বিদ্বেষী সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ কতটা নির্মম।

মুসলমানদের বাপারে ‘যবন’ শব্দটিকে হিন্দু কবি সাহিত্যিকরা কীভাবে প্রয়োগ করেছেন তার কিছুটা নমুনা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর সুকুমার সেনের লেখা থেকে দেখা যাক-

‘ব্রাহ্মণের জাতি ধ্বংস হেতু নিরঞ্জন,

সাম্বাইল জাজপুর হইয়া যবন।’

ভারতের বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক নদীয়ার শ্রী শ্রী চৈতন্য দেব ধর্মগুরু পণ্ডিত সভাসদ মুসলিম জাতিকে ‘যবন’ বলতে ভুলেনি।

সে লিখেছে,

‘শ্রীবাসে বস্ত্র সিঁয়ে দরজী যবন,

প্রভু তারা নিজ রূপ করাইল দরশন।’

শ্রী চৈতন্য দেবকে সাম্যের মূর্তি হিসেবে অনেকেই মনে করে থাকে। অথচ মুসলমানদের ব্যাপারে সে নিজে মুক্ত মনের পরিচয় দিতে পারেনি। সে তার মুসলমান ভক্তের নাম দিয়েছিলো ‘যবন হরিদাস্থ।

‘প্রাচীন বঙ্গ সাহিত্যে’ লেখা হয়েছে,

‘যবন হইয়া করে হিন্দু আচার,

ভালমত তারে আনি করহ বিচার।’

উক্ত পুস্তকের ২৮ পৃষ্ঠায় আলীবর্দী খাঁর উড়িষ্যা আক্রমণে ভুবনেশ্বরের রক্ষীর বর্ণনায় লেখা হয়েছে,

‘মরিতে লইয়া হাতে প্রণয়ের শূল,

কবির যবন যত সমূল নির্মূল।’

মুসলমানদেরকে ‘যবন’ উল্লেখপূর্বক তাদেরকে সমূকে ধ্বংস করার এ ধরনের প্রত্যয় বাংলা সাহিত্যে একবার, দু’বার নয়; অসংখ্য অগণিতবার উচ্চারিত হয়েছে। সাহ্যিত অঙ্গনে নির্মম সাম্প্রদায়িকতা ও বিদ্বেষের শিকার হয়েছেন মুসলমানগণ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে মুসলিম জাতিসত্তা নিধনের কাজে ব্যবহার করেছে বহু কবি সাহিত্যিক।

বাংলা সাহিত্যের প্রতিষ্ঠিত কবি ভারতচন্দ্র বাংলা বিহার উড়িষ্যার স্বাধীন নবাব আলীবর্দী খাকে আক্রমণ করে লিখেছে,

‘পলাইয়া কোঠে গিয়া নবাব রহিল,

কি কহিব বাংলার কি দশা হইল।

লুঠিয়া ভুবনেশ্বর যবন পাতকী,

সেই পানে তিন সুবা হইল নারকী।

মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা পোষণকারী ও জাতীয় অসংখ্য লেখা বহু বই পুস্তকে ছড়িয়ে আছে। ‘মধ্যযুগের বাঙালা ও বাঙালি’ শীর্ষক পুস্তকে লেখা হয়েছে,

‘যবনেহ সর কীর্তি শ্রদ্ধা করি শুনে,

ভজ হেন রাঘবেন্দ্র প্রভুর চরণে।’

উপরের বিভিন্ন উদ্ধৃতি থেকে পরিষ্কারভাবে প্রতীয়মান হলো যে, বাংলা সাহিত্যে হিন্দু কবি সাহিত্যিকরা মুসলমানগণকে মারাত্মক হেয় প্রতিপন্ন করেছে। এরা মুসলমানদের ক্ষেত্রে ঘৃণা ও বিদ্বেষসূচক নানাবিধ শব্দ ও উপমা প্রয়োগ করেছে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে এদের আজন্ম লালিত ক্রোধ ও প্রতিশোধ চরিতার্থ করেছেন। মুসলমানদেরকে এরা যেসব শব্দে রূপায়িত করেছেন সে সবের মধ্যে ‘যবন’ শব্দটি অন্যতম। আর এই ‘যবন’ শব্দের অর্থের দিকে নজর দিলেই আরও পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করা যাবে যে, মুসলমানদের ব্যাপারে ওদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত ‘নতুন বাঙালা অভিধানে’ ‘যবন’ শব্দের অর্থ লেখা হয়েছে এ রকম-

‘যবন’ মানে ‘অহিন্দু জাতি বিশেষ, ম্লেচ্ছ জাতি। বিধর্মী, অসদাচারী, গ্রিস, আফগানিস্তান, আরব, পারস্য প্রভৃতি দেশের অধিবাসী।’

এরপর ‘কথিত আছে’ বলে অভিধানে যা ঢুকানো হয়েছে তা হলো-

‘বলিষ্ঠের আশ্রমদ্রাহী বিশ্বমিত্রের সমস্ত সৈন্য পরাভূত করার নিমিত্ত তার কামধেনু শবলার যোনিদ্বার হতে এ জাতি উৎপন্ন হয়।’ তাতেও যখন সন’ষ্ট হতে পারেননি, তখন অভিধান লেখক ধর্মের বুলি শুনিয়েছেন।

‘বিষ্ণু পুরাণে’ যবন জাতির অন্যাবিধ উক্তি আছে-

‘সগর রাজা কতগুলো লোককে গুরু অপরাধের জন্য মস্তক মুণ্ডন করিয়া ভারতবর্ষ হতে দূরীকৃত করে দেন; তারাই পরে যবন নাম প্রাপ্ত হয়েছে।’

অভিধানে ‘যবন’-এর পরের শব্দটি যবনারি। এর অর্থ শ্রীকৃষ্ণ। যবন+অরি= যবনারি। ‘অরি’ মানে শত্রু; অতএব, কৃষ্ণও মুসলমানদের শত্রু। সুতরাং হিন্দু জাতিকে মুসলমানদের শত্রু না সাজালে কৃষ্ণভক্ত হওয়া যায় কী করে।

মুসলমানদের প্রতি হিন্দুদের চরম সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির প্রমাণ মেলে তাদের গ্রন’ ‘মহাভারতেও’। ‘মহাভারতে’ গোটা মুসলিম জাতির বিরুদ্ধে হিন্দুদের মনের ঘৃণা ও বিষোদগার উচ্চারিত হয়েছে একইভাবে-

‘হিন্দুরাজ যযাতি একবার গোমেধ যজ্ঞ করেছিলো। তার অসংযমী পুত্র লোভবশত এক টুকরো গুরুর গোশত খেয়ে ফেলে। তখন থেকেই পিতার অভিশাপক্রমে এই আগের ভ্রৃষ্টপুত্র হতেই গো-খাদক ম্লেচ্ছ বংশ আরম্ভ হয়। সাধারণের ধারণা, ওই গো-ঘাদক মুসলমানরাই ওই স্লেচ্ছ বংশীয় যবন।’ (ইতিহাসের ইতিহাস, গোলাম আহমদ মোর্তজা)

মুসলিম জাতির উৎপত্তি প্রসঙ্গে এ ধরনের উদ্ভট কল্পকাহিনী মুসলমানদের প্রতি হিন্দুদের চরম ঘৃণা, বিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তির উলঙ্গ বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। এ ধরনের চরম সাম্প্রদায়িক আক্রমণের শিকার হয়েও মুসলমানরা কিন’ হিন্দুদের প্রতি সামান্যতম কোন কুটূক্তিও করেনি। সমগ্র মুসলিম বাংলা সাহিত্য জুড়ে হিন্দু বা অন্য কোন ধর্মের বা ওইসব ধর্মের মানুষের প্রতি সামান্যতম কোন বিদ্বেষের নমুনাও কেউ হাজির করতে পারবে না। অথচ হিন্দু সাহিত্যিকরা তাদের সাহিত্য কর্মের পরতে পরতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে চরম বিদ্বেষের প্রমাণ রেখেছে। এমনকি এক্ষেত্রে তথাকথিত বিশ্বকবি রবি ঠাকুরও বাদ নেই। রবীন্দ্রনাথ কি রকম ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী ছিলো, তার একটা প্রামাণ্য দলীল এখানে পেশ করছি। রীতিমত নভেল নামক ছোটগল্পে কাঞ্চির সেনাপতি ললিত সিংহের পরাক্রমের পরিচয় দিতে গিয়ে ঠাকুর সাহেব মুসলিম চরিত্র চিত্রণ করেছে এভাবে-

‘আল্লাহো আকবর শব্দে বনভূমি প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠেছে একদিকে তিন লক্ষ যবন সেনা অন্য দিকে তিন সহস্র আর্য সৈন্য।’ ……. পাঠক, বলিতে পার …. কাহার বজ্রমণ্ডিত ‘হর হর বোম বোম’ শব্দে তিন লক্ষ ম্লেচ্ছ কন্ঠের ‘আল্লাহো আকবর’ ধ্বনি নিমগ্ন হয়ে গেলো।’

শুধু রীতিমত নভেল’ই নয় ‘সমস্যাপূরণ’, ‘দুরাশা’ এ জাতীয় আরো গল্পে ঠাকুর সাহেব মুসলিমদের প্রতি এভাবে তার নিরঙ্কুশ ঘৃণার পরিচয় দিয়েছে। বিশেষ করে ‘দুরাশা’ গল্পের কাহিনীটি আরো স্পর্শকাতর। এখানে দেখানো হয়েছে, একজন মুসলিম নারীর হিন্দু ধর্ম তথা ব্রাহ্মণদের প্রতি কি দুর্নিবার আকর্ষণ এবং এই মুসলিম নারীর ব্রাহ্মণ হবার প্রাণান্তকর কোশেশের চিত্র।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. ফিঙ্গার প্রিন্ট দ্রুপাল says:

    আমার নানা তার দেখা অভিজ্ঞতা থেকে গল্প শুনেছি, এক সময় ছিল যখন কোন মুসলমান কোন হিন্দুর বাড়ির আঙ্গিনা দিয়ে হেটে যেত আর সেই বাড়ির কেউ যদি সেটা দেখত তখন অনেক গালি গালায করত এবঙ সেই আঙ্গিনা গোবর দিয়ে লেপে দিত। ওরা বলত এখান দিয়ে মুসলমান হেটে গেছে তাই আঙ্গিনা অপবিত্র হয়ে গেছে তাই ওদের মা’র(গরুর) মুত্র দিয়ে আঙ্গিনা পরিষ্কার করত। এছাড়া কোন মুসলমান যদি তাদের ব্যবহৃত কোন কিছু ধরত সেটা নাকি আছার দিয়ে ভেঙ্গে ফেলত। হিন্দুদের এমন মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব এখনও পরিলক্ষিত হয়। পত্রিকায় অনেকসময় দেখা যায়, কোন হিন্দু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে তাকে তার পরিবারের আপনজনরাই ঘর থেকে বের করে দেয়, সমাজচ্যূত করে দেয় এমনকি তাকে মেরে ফেরে ফেলার চেণ্টাও করে।
    মুসলমানদের এ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত।

    • এএইচ খান এএইচ খান says:

      দ্রুপাল, হিন্দু জাত এখনও ওইরকমই রয়ে গেছে। আর গরুর গোবর দিয়ে শুধু আঙ্গিনাই লেপে না ওটা ওদের পবিত্র(!) খাদ্য। এজন্য হিন্দুরা তাদের হোটেলের দই, মিষ্টি ইত্যাদিতে গরুর চনা (গোবর) মিশিয়ে দেয়। তাই হিন্দুদের হোটেল থেকে সাবধান। নাহলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেটে যাবে গরুর চনা।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে