বাতিল ফিরকাহ (প্রথম পর্ব)


কুফরী আক্বীদা যারা বিশ্বাস করে তারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনা বরং তারা ৭২টি বাতিল ফিরক্বাহর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে,
“আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে, একটি দল ব্যতীত ৭২টি দলই জাহান্নামে যাবে। তখন হযরত সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! যে একটি দল নাযাত প্রাপ্ত, সে দলটি কোন দল? হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি এবং আমার সাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের মত ও পথের উপর যারা কায়েম থাকবে, (তারাই নাযাত প্রাপ্ত দল)।” ( তিরমিযী শরীফ)

এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে,
“হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, ৭২টি দল জাহান্নামে যাবে, আর ১টি দল জান্নাতে যাবে। (আবূ দাউদ, মসনদে আহমদ,মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ)

উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় মিরকাত শরীফে আরো উল্লেখ আছে যে,
“জেনে রাখ ! (উক্ত ৭৩টি দল) প্রধানতঃ ৮টি দলে বিভক্ত যা “মাওয়াক্বিফ” কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
(১) মু’তাযিলাহ—————এরা ২০ দলে বিভক্ত
(২) শিয়া———————এরা ২২ দলে বিভক্ত
(৩) খারেজী——————-এরা ২০ দলে বিভক্ত
(৪) মরজিয়্যাহ—————-এরা ৫ দলে বিভক্ত
(৫) নাজ্জারিয়্যাহ————–এরা ৩ দলে বিভক্ত
(৬) জাবারিয়্যাহ—————এরা ১ দলে বিভক্ত
(৭) মুশাব্বিহা—————–এরা ১ দলে বিভক্ত
উল্লেখিত ৭২টি দল, তারা প্রত্যেকেই জাহান্নামী।
(৮) নাজিয়্যাহ——————এরা ১ দলে বিভক্ত
আর নাজিয়্যাহ হল-হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম,উনার স্পষ্ট সুন্নত ও উজ্জ্বল তরীক্বতের অনুসারী।”

গাউসুল আযম, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত আব্দুল কাদির জ্বীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গুনিয়াতুত্ তালেবীন কিতাবের ১৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন,
“(হাদীস শরীফে বর্ণিত) ৭৩টি দল মুলতঃ ১০টি মুল দলের অন্তর্ভুক্ত যার বিস্তারিত বর্ণনা নিম্নরূপঃ
(১)আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত—————এরা ১ দলে বিভক্ত
(২) খারেজী———————————-এরা ১৫ দলে বিভক্ত
(৩) মু’তাযিলাহ——————————–এরা ৬ দলে বিভক্ত
(৪) মরজিয়্যাহ——————————–এরা ১২ দলে বিভক্ত
(৫) শিয়া————————————-এরা ৩২ দলে বিভক্ত
(৬) জাহমিয়্যাহ——————————–এরা ১ দলে বিভক্ত
(৭) নাজ্জারিয়্যাহ——————————-এরা ১ দলে বিভক্ত
(৮) জেরারিয়্যাহ——————————-এরা ১ দলে বিভক্ত
(৯) কিলাবিয়াহ——————————-এরা ১ দলে বিভক্ত
(১০) মুশাব্বিহা——————————-এরা ৩ দলে বিভক্ত
উল্লেখিত সবগুলো দল মিলে ৭৩ দল হলো, যে সম্পর্কে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীস শরীফে এরশাদ করেছেন। উক্ত দলগুলোর মধ্যে শুধুম
াত্রর ১টি দলই নাজাত প্রাপ্ত আর সেটা হল ফিরক্বায়ে নাজী অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত”

উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় মিরকাত শরীফের শরাহ তানজীমুল আশতাত কিতাবের ১ম খন্ডের ১২৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে,
“হাদীস শরীফে যে ৭২টি ফিরক্বাহ কথা উল্লেখ আছে উক্ত ফিরক্বাহসমূহের মুলে হলো ৬টি যথাঃ
(১) খারেজী———————-এরা ১৫ দল
(২) শিয়া————————এরা ৩২ দল
(৩) মু’তাযিলাহ——————এরা ১২ দল
(৪) জাবারিয়্যাহ——————-এরা ৩ দল
(৫) মরজিয়্যাহ——————–এরা ৫ দল
(৬) মুশাব্বিহা——————–এরা ৫ দল
উল্লেখিত সবগুলো দল মিলে ৭৩টি দল,যে সম্পর্কে  হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীস শরীফে এরশাদ করেছেন। উক্ত দলগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ১টি দলই নাজাত প্রাপ্ত, আর সেটা হলো “ফিরক্বায়ে নাজী” অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত।

উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় বিশ্ব বিখ্যাত মুহাদ্দিস হযরত শায়খ আব্দুল হক দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি আশয়াতুল লোমাত কিতাবের ১ম খন্ডের ১৫১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন যে,
“ইসলামের বড় দল ৮টি। যথাঃ
(১) মু’তাযিলাহ————এরা ২০ দল
(২) শিয়া —————–এরা ২২ দল
(৩) খারেজী—————এরা ২০ দল
(৪) মরজিয়্যাহ————-এরা ৫ দল
(৫) নাজ্জারিয়্যাহ———–এরা ৩ দল
(৬) জাবারিয়্যাহ————এরা ১ দল
(৭) মুশাব্বিহা————–এরা ১ দল
(৮) নাজিয়্যাহ————–এরা ১ দল”

উল্লেখ্য, ইমাম-মুজতাহিদগণ ৭২টি বাতিল ফিরক্বাহ নাম ও সংখ্যার ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করলেও নিম্নে বর্ণিত মূল দলগুলো বাতিল ও জাহান্নামী হওয়ার ব্যাপারে সকলেই একমতঃ (১) খারেজী (২) শিয়া (৩) মরজিয়্যাহ (৪)  জাহমিয়্যাহ (৫) মু’তাযিলাহ (৬) ক্বদরিয়া (৭) জাবারিয়্যাহ (৮) মুশাব্বিহা।
কারণ উক্ত ৮টি দলের প্রত্যেকেই কালিমা পাঠ করে, নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি ফরয-ওয়াজিব ও সুন্নত আমল গুলোও প্রায় পালন করে। এমনকি অনেক বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ন্যায় আক্বীদা পোষণ করে। অথচ তার পরেও তারা শরীয়তের দৃষ্টিতে গোমরাহ, বাতিল ও জাহান্নামী। কারণ তারা কোন কোন ক্ষেত্রে কূফরীমূলক আক্বীদা পোষণ করে।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

১৩টি মন্তব্য

  1. বিষ ফোড়নবিষ ফোড়ন says:

    সবগুলা দলই দাবি করে তারাই হক – বাকি সব জাহান্নামী…

  2. ador haque says:

    কুফরী আক্বীদা যারা বিশ্বাস করে তারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনা বরং তারা ৭২টি বাতিল ফিরক্বাহর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে,
    “আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে, একটি দল ব্যতীত ৭২টি দলই জাহান্নামে যাবে। তখন হযরত সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! যে একটি দল নাযাত প্রাপ্ত, সে দলটি কোন দল? হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি এবং আমার সাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের মত ও পথের উপর যারা কায়েম থাকবে, (তারাই নাযাত প্রাপ্ত দল)।” ( তিরমিযী শরীফ

    জবাব দেখুনঃ

    সাহাবী সম্পকে হাদিছ ও কুরান
    বুখারি ও মুসলিম শরিফে একটি হাদিছ দেখতে পাইঃ “কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে উত্তরের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে তখন আমি জিজ্ঞেস করবো,কোথায় নিয়ে যাচ্ছো?উত্তর দেয়া হবে জাহান্নামে।আল্লাহর কসম,আমি পুঃরায় বলবো,পরোয়ারদিগার এরা তো আমার সাহাবী।উত্তর দেয়া হবে,তুমি জান না,এরা তোমার পরে কত কিছুই না করেছে-এরা কাফেরই থেকে গেছে।তখন আমি বলবো,আল্লাহ তাদের ধ্বংশ করুন যারা আমার পরে শরীয়তকে পরিবতন করেছে এবং আমি খুব কমই মুখলেছ বান্দা খুজে পাই”।

    আল্লাহপাক কুরান শরিফে ইরশাদ করেন,মরুবাসীদের মধ্যে যাহারা তোমাদের আশে পাশে আছে তাহাদের কেহ কেহ মুনাফিক এবং মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেহ কেহ,উহারা কপটতায় সিদ্ব।তুমি উহাদিগকে জান না,আমি উহাদিগকে জানি।আমি উহাদিগকে ২ বার শাস্তি দিব ও পরে উহারা প্রত্যাবতিত হবে মহাশাস্তির দিকে”(সুরা তাওবাঃ১০১)

  3. ador haque says:

    ৭২ দলের ৭৩ ফেরকার মধ্যে সফলকাম যারা
    আলীর(আঃ)শিয়ারাই(অনুসারীরাই) জান্নাতী
    যেমন এরশাদ হচ্ছে, “অবশ্যই যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে তারাই সৃষ্টির সেরা”(সুরা আল-বায়িনাহঃ৭)।
    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস(রাঃ) বলেছেন,যখন উক্ত আয়াত নাজিল হলো তখন রাসুল(সাঃ)হযরত আলী(আঃ)কে উদ্দেশ্য করে বললেন,”এই আয়াতের সাক্ষ্য প্রমান আলী তুমি এবং তোমার শিয়ারা(অনুসারীরা),তোমরা কিয়ামতের দিন আসবে তোমাদের ব্যাপারে রাজি হবেন এবং তোমরা আল্লাহর উপর রাজি হবে এবং তোমাদের শত্রুর কালো মুখ ও বিশ্রী চেহারা নিয়ে আসবে”।(সুত্রঃতাফসীরে দুররে মনসুর,খঃ৬,পৃঃ৩৭৯;আরজাহুল মাতালেব,পৃঃ১২২,৮৭৭(উরদু);নুরুল আবসার,পৃঃ৭৮,১১২;ফুসুলুল মোহিম্মা,পৃঃ১২৩;শাওয়াহেদুত তানজিল,খঃ২।পৃঃ৩৫৬;মুসনাদে হাম্বাল,খঃ৫,পৃঃ২৮তারিখে বাগদাদ,খঃ১২,পৃঃ২৮৯;ইয়া নাবিউল মুয়াদ্দাত,পৃঃ৬২ ইত্যাদি…………)।

  4. সত্য সমাগত-মিথ্যা দুরীভূতসত্য সমাগত-মিথ্যা দুরীভূত says:

    ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক শিয়ারা বাতিল ফিরকার অন্তভূর্ক্ত এবং কাফির। অপক্ষায় থাকুন। আপনার প্রশ্নের উত্তর আসছে।

  5. salim says:

    @
    চলুন ফিরে যাই সেই সহজ সরল হাদিস গুলির দিকে, যেখানে রাসুল আমাদের বাতলে দিচ্ছেন মুসলিম হতে হলে পড়তে হয় কালিমা, মানে এক আল্লাহকে বিশ্বাস রাখা ও রাসুলকে মেনে নেয়া, আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, মন্দ কাজ থেকে মানুষে দূরে রাখা আর আত্মীয়তার সম্পর্ক সুন্দর রাখা, ভালবাসা দেয়া ও তা নেয়া।
    মনে রাখা জরুরি, যেই আপনি কেউকে কাফের বলে ফেললেন, সেই মুহূর্তে আপনি চেইনে আটকে গেলেন, যাকে বা যাদের কাফের বললেন, আপনার কোন ভুল বিশ্লেষণে (যা মানুষ দ্বারা হওয়া অতি স্বাভাবিক), আর খোদার কাছে তারা কাফের হিসাবে পরিগণিত নয়, সে ক্ষেত্রে আপনার ঈমান নষ্ট হওয়ার গ্যরেন্টি খোদ রাসুল দিয়ে গেছেন, তাই এ থেকে বেচে থাকতে হবে, যে কেউ যে নিজেকে মুসলিম দাবী করে, তাকে অমুসলিম বা কাফের ঘোষণা দেয়ার আগে বারংবার ভাবতে হবেম সম্ভব হলে এরিয়ে যেতে হবে.

    আমরা মুসলমান কোরআন হাদীস মাননে ওয়ালা এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়। আল্লাহ বলেন এবং তোমাদের এই যে জাতি, এতো একই জাতি; এবং আমিই তোমাদের প্রতিপালক, অতএব আমাকে ভয় করো। (সূরা মুউমিনুন ২৩/৫২)। তাহলেই বুঝতেই পড়েছেন ফরয, ওয়াজীব ভেবে আপনারা যা মেনে চলছেন আল্লাহ তা মানতে কত কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন তবে শুধু এইটুকুই নয় আল্লাহ আরও অনেক আয়াতে এ ব্যাপারে মানুষকে সাবধানবানী শুনিয়েছেন। যেমন সূরা রূমের একটি আয়াত দেখুন যেখানে আল্লাহ পাক বলছেন ‘….. তোমরা ঐ সকল মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না যারা নিজেদের দ্বীনকে শতধা বিচ্ছিন্ন করে বহু দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দল নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়ে খুশি’ – (সূরা রুম ৩০/৩১-৩২)। বর্তমানে আমাদের সমাজের অবস্থাও ঐ মুশরিকদের মতো। ইসলামকে তারা (মাযহাবীরা) বিভিন্ন দলে বিভক্ত করেছে এবং তাদের নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়েই তারা খুশি।

    আমি জানি শিয়ারা আমার প্রিয় সাহাবীদের গাল দেয়, তারা চোখে ঠুলি পড়ে অন্ধ যুক্তি দেয়, আমি মন খারাপ করতে পারি, তাদের বিরত থাকতে বলতে পারি কাফের বলব না। শিয়াদের মাঝেও শতধা বিভক্তি আছে, কেউ কেউ আছে প্রকাশ্য শিরক করছে, তাদের শুধরে দিতে হবে বা জানিয়ে দেয়া যায়, যে তারা ইসলাম বিচ্চুত হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এজে হোল, মুসলিমরা এখনো বেশীর ভাগ মুসলিমই আছে বলে আমি বিশ্বাস করি, আর তা মানা ও জানা বেশ জরুরি।

    আমার প্রিয় মাযহাবী ভাইয়েরা! এরকম কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশ জানার পরও কি আপনারা মাযহাবে বিশ্বাসী হবেন এবং নিজেকে মাযহাবী বলে পরিচয় দেবেন। যারা জানে না তাদের কথা আলাদা। আল্লাহ বলেন ‘বলো, যারা জানে এবং যারা জানেনা তারা কি সমান? (সূরা যুমার ৩৯/০৯)।

    তবে মনে রাখা জরুরি, ইমাম গন, অত্যন্ত মেধবি ছিলেন, তাদের জ্ঞানের রেখা অনেক উচ্চে ছিল। তাদের সবাইকে আমরা সম্মান করি এবং দুয়া করি, আল্লাহ্‌ যেন তাদের ভুল গুলো ক্ষমা করে ও তাদের উপর শান্তি বর্ষিত করে।
    তাই আজই তওবা করে সঠিক আব্বীদায় ফিরে আসুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে ইসলাম বোঝার তোফিক দিন। আমীন!

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে