বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দাঁতভাঙ্গা


বাতিল ফিরক্বার লোকেরা প্রচার করে থাকে যে, “রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পিতা তিনি “তাঁতী ও সূতা ব্যবসায়ী ছিলেন।” নাঊযুবিল্লাহ!

মিথ্যাচারিতার খণ্ডনমূলক জবাব:

হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ আলাউদ্দীন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পুত্র হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ মালাউদ্দীন আলাইহিস সালাম। উনার সম্মানিত পুত্র হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ ইলাহী বখশ আলাইহিস সালাম। উনার সম্মানিত পুত্র হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ ওয়ালী বখশ আলাইহিস সালাম এবং উনার সম্মানিত পুত্র আলোচ্য হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলিছুর রহমান আলাইহিস সালাম। বাতিল ফিরকার লোকেরা যদি এর সত্যতা পরীক্ষা ও প্রমাণ করতে চায়, তবে তারা যেন প্রভাকরদী শরীফ “সাইয়্যিদ বাড়ী” গিয়ে সংশ্লিষ্ট মাজার শরীফ উনার সামনে উৎকীর্ণ আলোচ্য ওলীআল্লাহগণ উনাদের “নাম ফলক” দেখে আসে।
হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলিছুর রহমান আলাইহিস সালাম উনার বুযূর্গ পূর্বপুরুষ উনাদের বেলায়েত ও কামালতের প্রভাব এতো গভীর ও ব্যাপক যে, আজ অবধি তা পূর্ণমাত্রায় বহমান। বংশ পরম্পরায় এমন সাইয়্যিদ পরিবারের সন্তান উনারা যে মাদারজাদ ওলী হবেন, মিথ্যা দূরীভূত করে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করবেন এবং বাতিল ফিরক্বার লোকদের ইসলাম পরিপন্থী কায়েমী স্বার্থের মুখোশ উন্মোচন করবেন, এটাই তো মহান আল্লাহ পাক উনার অমোঘ বিধান।

তাঁত ও সূতার ব্যবসা হারাম নয়। বৈধ প্রক্রিয়ায় করলে একান্তভাবেই হালাল। হুজ্জাতুল ইসলাম, হযরত ইমাম গাযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পূর্বপুরুষ এই ব্যবসায় নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু কথা হলো, বংশগতভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহান ওলীআল্লাহ হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলিছুর রহমান আলাইহিস সালাম উনাকে (যিনি ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বুযূর্গ পিতা এবং আওলাদে রসূল) হীন ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থে ডাহা মিথ্যায় “তাঁতী ও সূতা ব্যবসায়ী” অপবাদ দিয়ে তারা জাহান্নামে যাওয়ার পোক্ত দলীল খরিদ করেছে। মাদরাসায় নেসাবী কিছু পড়ালেখা করলেও ইচ্ছাকৃতভাবে আওলাদে রসূল উনাকে মিথ্যাভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রাণপণ প্রয়াসের কারণে জাহান্নামে বসবাসের শাস্তি তাদের জানা নেই। পরিত্রাণের জন্য জরুরী মনে করলে তারা এখনই খালিছ তওবার পথ বেছে নিতে পারে নচেৎ হালাকী ছাড়া কোনো গতি নেই।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে