বানর থেকে কোন মানুষ আসে নি, শুধু নাস্তিকরাই এসেছে (তাদের ভাষ্যমতে)


অনেকে বলে, অমক বানরের সাথে, অমক হনুমানের সাথে মানুষের ডিএনএ-র মিল পাওয়া গেছে। তাই তারা ধরেই নেয়, তাদের আদি পিতা হচ্ছে বানর বা হনুমান। কত্ত বড় উজবুক!

যারা এরূপ বলে, তাদের কাছে ক্লাস ওয়ানের বাচ্চারও প্রশ্ন হতে পারেঃ

১) একটা বানর নিশ্চয় হাজার বছর বাঁচে না। একটা বানর যদি ৫০ বছরও বাঁচে, তাহলে আমরা পরীক্ষামূলকভাবে একটি বানরকে বেছে নিয়ে দেখি যে সে তার জীবদ্দশায় কখনো কি মানুষ হয় কিনা? না মানুষ হল না। আমরা ১০০টা বানরের উপর পরীক্ষা চালাতে পারি। না, তারাও হল না। অবশেষে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি, কোন বান্দর তার জীবদ্দশায় মানুষে রূপান্তরিত হয় নি।

২) আচ্ছা হতে পারে, যুগের পর যুগ বিবর্তনের দ্বারা বানর হতে মানুষ এসেছে। একটা বানর মানুষ না হলেও বানরের পোলা-মাইয়া মানুষের দিকে ধাবিত হতে পারে। তাহলে আসুন, আমরা পরীক্ষামূলকভাবে একটি গর্ভ‌বতী বানরকে বেছে নিয়ে দেখি যে সে তার জীবদ্দশায় কখনো কি মানুষ বা মানুষের কাছাকাছি বান্দর প্রসব করে কিনা? না সে তো হুবহু আরেকটা বান্দর প্রসব করল। তাহলে আমরা ১০০ পুরুষ বানরের উপর পরীক্ষা চালাতে পারি। না, সবই বান্দর। অবশেষে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি, বান্দর শুধু বান্দরই প্রসব করে, মানুষ নয়।

৩) যদি বান্দর বিবর্তনের ধারায় মানুষে পরিবর্তন হত, তবে মধ্যবর্তী মনুষ্য-বান্দরগুলো কই? মানুষ কথা কইতে পারে। কিন্তু মানুষের আগের স্টেজের কোন বান্দর কথা কয়, এটাও গবেষণার বিষয়। কিন্তু না কোন বান্দরই কথা কইতে পারে না। অবশেষে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি, বান্দর থেকে মানুষ হওয়ার কোন মধ্যবর্তী স্টেজ নাই। নাস্তিকগুলো সরাসরি বান্দরের মুত্রথলি থেকে পয়দা হয়েছে।

৪) যদি বান্দর বিবর্তন হয়েই মানুষ হয়, তবে প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী সব বান্দরই মানুষে বিবর্তন হতে বাধ্য। কিন্তু তাহলে এখনো বান্দর কেন দেখা যায়! আর বান্দর বিবর্তন হয়ে শুধু বান্দরই রয়ে যায়, হনুমানও হতে পারে না। তাই অবশেষে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি, কোন মানুষই বান্দর থেকে বিবর্তিত হয় নি, শুধুমাত্র নাস্তিকেরাই তাদের দাবী অনুযায়ী বান্দরের উত্তরসূরী।

তাই মনুষ্য অঞ্চল হইতে সকল বান্দরকে চিড়িয়াখানায় বা জেলখানায় পাঠিয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি। ওদের জন্য দরকার লৌহ শিকল।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+