বান্দা যেমনই হোক মহান আল্লাহ পাক রহমতে খাছ নাযিল করে কবুল করে নিবেন যদি বান্দা চায়


মহান আল্লাহ পাক চান বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিতে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক নিজেই বান্দার জন্য উসীলা দেখেন, একেকজনকে একেক উসীলা দিয়ে মহান আল্লাহ পাক ক্ষমা করে দেন।এটা অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম অনুগ্রহ। বান্দা অনেক গুনাহগার হতে পারে,পাপের পরিমাণ যমীন থেকে আসমান কিংবা তার চাইতেও বেশি হতে পারে,তাই বলে বান্দা রহমত থেকে নিরাশ হবে এটা মহান আল্লাহ পাক তিনি চান না।তাই মহান আল্লাহ পাক নিরাশ হতে নিষেধ করে দিয়েছেন।যে ফিরে আসতে চায় মহান আল্লাহ পাক তাকে গ্রহণ করেন। এমনভাবেই গ্রহণ করেন ,এতো দয়া তিনি করেন যে,বান্দার সমস্ত পাপরাশিকে ক্ষমা তো করেনই বরং যত পাপই হোক না কেনো সেগুলোকে নেকীতে পরিণত করে দেন। সুবহানাল্লাহ। এরূপ যেকোনো সময় তওবা করলেই হয়। তারপরো মহান আল্লাহ পাক বান্দাদের জন্য বিশেষ বিশেষ দিনরাত্রি দিয়েছেন যে দিবসমূহে মহান আল্লাহ পাক শুধু ক্ষমাই না যেকোনো ইচ্ছাই,নেক দোয়াই,সমস্ত চাওয়া কবুল করেন।এ প্রসংগে একখানা হাদীস শরীফ রয়েছে,যে,নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রিতে দোয়া খাছভাবে কবুল হয়ে থাকে- ১) রজবের প্রথম রাত্রি,২) শবে বরাত,৩) শবে ক্বদর ৪)ঈদুল ফিতরের রাত এবং ৫) ঈদুল আযহার রাত। সুবহানাল্লাহ সুতরাং দোয়া কবুলের পাঁচ রাত্রির মধ্যে অন্যতম একটি রাত্রি হচ্ছে “লাইলাতুল বরাত” তথা ভাগ্য রজনী। এদিনে মহান আল্লাহ পাক যেহেতু খাছ ভাবে দোয়া কবুল করে থাকেন,নিকটস্থ আসমানে মহান আল্লাহ পাক স্বয়ং বিশেষ শান মুবারক নিয়ে আসেন এবং ফযর পর্যন্ত সকলের সকল চাওয়া পূরণ করে থাকেন সেহেতু বান্দার উচিত রব তায়ালা উনার ডাকে সাড়া দিয়ে ইবাদতে হাজির হওয়া। মহান আল্লাহ পাক বান্দার রূপ,সৌন্দর্য,লম্বা-খাটো,ধনী-গরীব এসব কিছুই দেখেন না,দেখেন বান্দার অন্তর।এমনকি বান্দা আগে কতখানি ইবাদত গুজার,কতখানি পরহেজগার বিশেষ রাত্রিতে মহান আল্লাহ পাক এ বিষয়ও দেখেন না।বান্দা যেমনই হোক না কেনো মহান আল্লাহ পাক বিশেষ রাত্রিতে যখন রহমতে খাছ নাযিল করেন তখন যে-ই ডাকেন তাকেই কবুল করে নেন। কাজেই রহমতপুর্ণ রাতে যেহেতু সার্বক্ষণিক সময়ই রহমত বর্ষিত হয় সেহেতু আমরা যেমনই হই না কেনো, যত গুনাহগারই হই না কেনো নিজের প্রয়োজন থেকেই নিজের গুনাহগুলো ক্ষমা করিয়ে নেয়ার জন্য,রহমতের পূর্ন হিসসা লাভের জন্য মহান আল্লাহ পাকের খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য উচিত সারা রাত সজাগ থেকে ইবাদত বন্দেগীতেই রাত কাটানো। কান্নাকাটির মাধ্যমে জীবনের মোড় ঘুরানো। আমরা আগে যেমন তেমন থাকি না কেনো সামনের দিনগুলো যেন হাক্বীক্বী বান্দা হতে পারি,হাক্বীক্বী গোলামের মাক্বাম যেন হাছিল করতে পারি সেই তৌফিকই যেন এই শবে বরাতের রাত্রিতে মহান আল্লাহ পাক আমাদের বরাতে লিপিবদ্ধ করে দেন,আমাদের সকলকে কবুল করে নেন। আমীন।v&Wcv

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে