বালা-মুছিবত ও দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার এবং পরকালে নাজাতের উসীলা লাভের সর্বোৎকৃষ্ট ও সহজ আমল


মুসলিম বিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি হিজরী দশম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যখন কোনো মুসলমান নিজ বাড়িতে পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে তখন সেই বাড়ির অধিবাসীগণের উপর থেকে মহান আল্লাহ পাক তিনি অবশ্যই খাদ্যাভাব, মহামারি, অগ্নিকা-, ডুবে মরা, বালা-মুছিবত, হিংসা-বিদ্বেষ, কুদৃষ্টি, চুরি-ডাকাতি ইত্যাদি উঠিয়ে নেন। যখন উক্ত ব্যক্তি মারা যান তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার জন্য মুনকার-নাকীরের সুওয়াল-জাওয়াব সহজ করে দেন। আর উনার অবস্থান হয় মহান আল্লাহ পাক উনার সান্নিধানে ছিদক্বের মাক্বামে।” সুবহানাল্লাহ!
এছাড়াও সরাসরি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, “হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত ও পবিত্র বিলাদত শরীফ অর্থ্যাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হবে।” সুবহানাল্লাহ!
সুতরাং বলার অপেক্ষা রাখে না যে, পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ যথাযথভাবে পালনের মধ্যেই রয়েছে হাক্বীক্বী কামিয়াবী, ইহকাল ও পরকালে নিশ্চিত নাজাত। কাজেই ইহকালের জিন্দেগীর সকল বিপদ-আপদ, বালা-মুছিবত, দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, জান ও মালের উপর বয়ে যাওয়া নানান মুছিবতের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার এবং পবিত্র ঈমান উনার সাথে পরকালের নাজাতের উসীলা গ্রহণের ইহাই সর্বোত্তম ও সহজ আমল। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে ছহীহ আক্বল-সমঝ দান করুন। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে