বাল্যবিবাহ নয়,বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের বিরোধিতা করুন!


পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিষয়টিই এমন যে,নিয়মমতো চলতে পারলে যেমন পরকালীন ফায়দা রয়েছে তেমনি আবার দুনিয়াবী ফায়দাও রয়েছে,প্রতিটি ক্ষেত্রে্ই।আর দ্বীনি কাজগুলোই যদি দুনিয়াবী উদ্দেশ্য পূরণের জন্যই হয় তবে শুধু সেই উদ্দেশ্যই পূরণ হবে।

তেমনি একটি বিষয় হচ্ছে বিয়ে।বিয়ে করা একদিকে যেমন ইবাদত অন্যদিকে অনেক গুনাহ থেকে বাঁচার ক্ষেত্রেও সহায়ক।যার বিয়ে না করার কারণে গুনাহের কাজে জড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে তার জন্য বিয়ে করাটা ফরজ।যে বিয়ে করে স্ত্রীর হক্ব আদায় করতে পারবে না তার জন্য বিয়ে করাটা হারাম। আর সাধারণভাবে বিয়ে করা সুন্নত।যার যখন বিয়ে করার প্রয়োজন সে তখন বিয়ে করে নিতে পারবে।যেহেতু এটি গুনাহ থেকে বাঁচার এবং ক্ষেত্র বিশেষে ইবাদতের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক।তাই বিয়ের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি কোনো বয়স নির্ধারণ করে দেননি।কমবে্শি যেকোনো বয়সেই বিয়ে করা যাবে,অভিভাবকগণ যখন প্রয়োজন মনে করে বিয়ে দিতে পারবেন।

কম বয়সে বিয়ে করা,অধিক বয়সে বিয়ে করা,কম বয়সী স্ত্রী,অধিক বয়সী স্ত্রী বিয়ে করা প্রতিটিই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত। যে কেউ তার সুবিধানুযায়ী বিয়ে করে সুন্নত আমল করে নিতে পারবে।এটাতো সহজ করা হয়েছে। কম বয়সেই বিয়ে করতে হবে বা দিতে হবে শরীয়তে এমন কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।

এখন বিয়ের ক্ষেত্রে যেখানে মহান আল্লাহ পাক এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা কেউই বয়স নির্দিষ্ট করে দেননি সেখানে বান্দা বা উম্মতের জন্য বয়স নির্ধারণ করাটা কি করে জায়িজ হতে পারে?মূলত সম্মানিত শরীয়তের উপর নিজস্ব মনগড়া মতবাদ বা ফায়সালা কখনোই গ্রহণযোগ্য তো হবেই না বরং এই আলাদা মত পোষণ করাটা ঈমানহানীর কারণ হবে।

আর বাল্যবিবাহের বিরোধীতা করাও কুফরী হবে যেহেতু এর মাধ্যমে সম্মানিত সুন্নতের বিরোধীতা করা হয়।আর এটি সর্বজনবিদীত যে সুন্নত অস্বীকারকারী কাফির।

কাজেই যা সহজ তা কঠিন করার তো কোনো মানে হয় না!বাল্যবিবাহ যেমন বাধ্যতামূলক করা হয়নি তেমনি নিষিদ্ধও করা হয়নি। যার প্রয়োজন বিয়ে করবে,যার প্রয়োজন নেই সে বিয়ে করবে না। কিন্তু বাধা দিবে কেনো?বিরোধীতা করবে কেনো?বয়স নির্দিষ্ট করবে কেনো?এটাতো মুসলমানের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।

আর জোরপূর্বক বিয়ে দেয়াটাও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সমর্থিত নয়।অবশ্যই মেয়েদের অনুমতিসাপেক্ষেই বিয়ে দিতে হবে।সম্মানিত দ্বীন ইসলামের প্রতিটি নিয়মই মানতে হবে।যে প্রতিটি নিয়মই মেনে নিবে বিনা বাক্যব্যয়ে সে-ই মুসলিম।একটা নিয়মও অস্বীকার করলে ,না মানলে মুসলিম হিসেবে থাকতে পারবে না।মুসলমানদেরকে নিয়ম মানতে হবে,নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। যে বিষয়ে যেভাবে মানার নির্দেশ রয়েছে সেভাবেই মানতে হবে,ব্যতিক্রম করা যাবে না।তাই বাল্যবিবাহের বিরোধীতা করা কখনোই জায়িজ হবে না।

আর যারা বাল্যবিবাহের বিরোধীতা করে তাদের উচিত এ কুফরী আচরণ বাদ দিয়ে তওবা করে খালিছ মুসলমান হওয়া এবং বিবাহ বহির্ভূত সর্ম্পকের বিরোধীতা করে সুস্থ সমাজ নির্মাণে সচেষ্ট হওয়া।এটাই ফায়দাদায়ক হবে।klfjd

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে