বাল্যবিবাহ মুক্ত জেলা উপজেলা ঘোষণা করার অন্তরালে আসল রহস্য কি?


ইদানীং পত্র-পত্রিকা-মিডিয়াতে একটি সংবাদ খুব হাইলাইট করে প্রচার করা হয়। সেটা হলো- আজ অমুক জেলা, কাল অমুক উপজেলা কিংবা ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম বিষয়ে জাহিল প্রশাসন এবং বিদেশী বিজাতি এনজিও গং খুব তৎপরতার সাথে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করতে সফল হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ বাল্যবিবাহ করার বিষয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কোথাও কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। যার কারণ সারাবিশ্বে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। অপরদিকে নানাপ্রকার পাপাচারে লিপ্ত বিধর্মী বিজাতিদের জনসংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। আর তাই রাগে গোস্বায় হিংসায় বিজাতি গং চাচ্ছে- যে করে হোক মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার কমাতে হবে।
তাই তারা বাল্যবিবাহকে একজন মেয়ের জীবনের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে উপস্থাপন করছে। আর এজন্য মাঠ পর্যায়ে তারা যে কতরকম অনুষ্ঠান প্রোগ্রাম ইত্যাদি করে যাচ্ছে তা সচক্ষে না দেখলে অনুধাবন করা যাবে না। আর প্রশাসনের লোকজন বিদেশীদের থেকে খুদ-কুড়া পাবার আশায় অতি-তৎপর হয়ে শরীয়তসম্মত খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহকে বন্ধ করে দিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ মাদকের করাল গ্রাসে কত শিশু, কিশোর, যুবক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কতজন রাজনীতি নামক ধান্ধাবাজি করে সন্ত্রাসী মাস্তান হয়ে যাচ্ছে, কত ছেলে-মেয়ে গান-বাদ্য-নাট্য করে সমাজে লা’নত বয়ে আনছে, কতলোক চুরি, ডাকাতি, পকেটমেরে মানুষকে ফকির বানাচ্ছে, টেলিভিশন দেখে কত যুবক নারীটিজিং করে যাচ্ছে- সেই খবর প্রশাসন এনজিওদের জানা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত কোনোদিন শুনা গেলো না- অমুক জেলা তমুক উপজেলা কিংবা ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, গান-বাদ্য মুক্ত, নাট্য-সিনেমা মুক্ত, চুরি-ডাকাতি মুক্ত, নারীটিজিং মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আসলে কোনোদিনই তারা এ জাতিকে তথা মুসলিম সমাজকে এসব জঘন্য অপরাধ হতে মুক্ত করবে না। বরং এসব অপরাধে যাহাতে মুসলমানরা আরো অভ্যস্ত হয়ে পড়ে সেটারই মোক্ষম সুযোগ সৃষ্টি করে দিবে। নাউযুবিল্লাহ! মুসলমানদেরকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করে মূলত ঐসব কুফরী শিরকী হারামে লিপ্ত করাটাই বিধর্মী বিজাতি এবং জাহিল প্রশাসকদের এমন অপতৎপরতার আসল রহস্য।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে