বাল্য বিবাহের বিরোধীতা করে সমাজের ছেলে ও মেয়েদের ঠেলে দেয়া হচ্ছে অসামাজিক কাজে।


বাল্য বিবাহ বিরোধী অনেক প্রচারনা শোনা যায় কিন্তু এসব ছেলে মেয়েরা যখন অসামাজিক কর্মে লিপ্ত হয় সেটা নিয়ে কেউ কথা বলে না। সংবাদপত্র সমূহে প্রতিনিয়ত এমন সব সংবাদ আসছে সেগুলো দেখলে সবাই বুঝবেন বাল্য বিবাহের বিরোধীতার কুফল কিভাবে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গিয়েছে।
অবৈধ সর্ম্পকে জড়িয়ে পাঁচ মাসের গর্ভের সন্তানের বয়ে বেড়াচ্ছে ৫ম শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রী (http://bit.ly/2u1oqx4) । ৫ম শ্রেনীতে পড়ে এমন এক ছাত্রী অবৈধ সর্ম্পক করে গর্ভবতী হয়ে তার অধিকার আদায়ের জন্য লড়ছে। বয়স কত হবে ৫ম শ্রেনীর এই ছাত্রীর? বড়জোড় ৯/১০ !! যদি বাল্য বিবাহের ব্যবস্থা সমাজে থাকতো তবে চিত্রটা এমন নাও হতে পারতো।
নিউজে আরো এসেছে ১১ বছরের এক বালক ১৮ বছরের এক মেয়েকে অন্তঃসত্ত্বা করেছে (http://bit.ly/2ulyNLh)। এসব সমাজিক এ অবক্ষয়ের কারন কি কেউ ভেবে দেখেছেন? আজ যারা বাল্য বিবাহের বিরোধীতায় দিন রাতের ঘুম হারাম করে ফেলেছে তারা এসবের কি ব্যাখ্যা দিবে?
শুধু কি তাই? সমাজে একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। ১৩/১৪ বছরের এসব মেয়েরা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে ফলশ্রুতিতে হতে হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা …. এরপর মেয়ে গুলো পায়ের নিচে মাটি হারিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। (http://bit.ly/2vj4tWs, http://bit.ly/2u2konT, http://bit.ly/2vjOaIE)
শুধু তাই নয় নষ্ট হচ্ছে পারিবারিক বন্ধন, ধ্বংস হচ্ছে অসংখ্য সংসার। এসবের বেশির ভাগই লোক লজ্জার কারনে চাপা পরে যায়, কিছু প্রকাশ হয়। যেমন, বগুড়ায় দুলাভাইয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্কে অন্ত:সত্ত্বা ১৩ বছরের কিশোরী, গর্ভপাতে ব্যর্থ হয়ে আত্মহত্যা (http://bit.ly/2vjOaIE)
এখানেই কি শেষ? আমাদের এই বাংলাদেশে ৯০% পতিতা তাদের দেহব্যবসা শুরু করে শিশু বয়স থেকেই। ( http://bit.ly/2vdLMmq)
The Global March Against Child Labour – এর হিসেব মতে বাংলাদেশে ১৮ বছরের নিচে পতিতার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। ২০০৫ সালে মার্কিন সরকারের মানবাধিকার রিপোর্ট অনুসারে অবশ্য ১৮ এর নিচে পতিতার সংখ্যা ছিলো ২৯ হাজারের বেশি। এসব শিশু পতিতারা শরীরবৃদ্ধির জন্য গরু মোটতাজাকরণ ট্যাবলেট খায় এবং দৈনিক ১৫-২০ জন পুরুষের সাথে মিলিত হয়।
গত ২০১৬ সালের ৩১শে অক্টোবর ব্রিটেনের ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকা বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার কান্দাপাড়া পতিতাপল্লী নিয়ে একটি রিপোর্ট করে। রিপোর্টে সাংবাদিক জানায়, এ পতিতাপল্লীতে একটি নারী প্রবেশ করে ১২-১৪ বছর বয়সে। (http://ind.pn/2dUUOgO)
১৮ বছরের অনেক নিচে ১২/১৪ বছর বয়সেই যেখানে চলছে লাইসেন্স সহ পতিতাবৃত্তি সেখানে বাল্য বিবাহের করা হচ্ছে বিরোধীতা? হাউ ফানি!!
চারিত্রিক অবক্ষয়, সামাজিক মূল্যবোধের এমন নির্মম পরিনতি যেখানে সেখানে সমাজসেবী মানবতাবদীরা কখনো কি এর প্রতিকার নিয়ে ভেবেছে? আজ যদি বাল্য বিবাহ থাকতো তবে তাদের দ্বারা কি এমন অসামাজিক ক্রিয়াকলাপ সম্ভব হতো?
একটু খেয়াল করুন, ১৮ বছরের অনেক নিচে যাদের বয়স তারা অবৈধ সর্ম্পক কেউ গর্ভবতী হলে, আত্মহত্যা করলে অথবা কেউ এই বয়সে পতিতাবৃত্তি করলে চেতনা ব্যাবসায়ীদের চেতনায় আঘাত লাগে না। অথচ যদি শোনা যায় কোথাও বাল্যবিবাহ হচ্ছে তাহলে সেটা কিভাবে বন্ধ করা যাবে সেটার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে হারামী গুলো। এদের উদ্দেশ্য হচ্ছে অল্প বয়সের ছেলে মেয়েদের দিয়ে নোংরামী করাবে কিন্তু বাল্যবিবাহ হতে দিবে না। পাশ্চাত্যোর মত অবৈধতায় সয়লাব করতে চায় আমাদের দেশকে। সূতরাং সাবধান………………

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে