বাল্য বিবাহ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক। কাজেই বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয অনতিবিলম্বে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন প্রত্যাহার করা।


বাল্য বিবাহ নিরোধ যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে তা মূলত কুফরী। কেননা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে বিবাহের জন্য কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়া নেই। মূলত এই আইনটি করেছিলো ব্রিটিশ বেনিয়ারা। তারা মুসলিম দেশগুলোতে বিশৃঙ্খলা চালু করার কৌশল হিসেবে এই বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন চালু করে। দেখা যায় এই আইনের কারণে ১৮ বছর বয়সের কম কোন মেয়ে এবং ২১ বছর বয়সের কম কোন ছেলে যদি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায় তাহলে এই আইনের কারণে তারা বিবাহ করতে পারছে না। যার কারণে সেই ছেলে মেয়েরা সমাজে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটাচ্ছে। যেমন ছেলে-মেয়েরা পালিয়ে যাচ্ছে, ছেলেরা মেয়েদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, সম্ভ্রমহানী ঘটছে ইত্যাদি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় কোন কাফির-মুশরিকদের দেশে এই আইনটি চালু নেই। কারণ তাদের ভয় মুসলমানরা এতদ্রুত বেড়ে উঠছে যে, যদি মুসলমানরা হুংকার ধ্বনি ছাড়ে তাহলে তাদের পলানোর পথ খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। এ জন্যই তারা মুসলিম দেশ গুলোতে নানা রকম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আরো দুঃখের বিষয় এই ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশ এর মধ্যে এই কুফরী আইনটি জারি রয়েছে।
যারা এই আইনকে সমর্থন করবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তারা প্রত্যেকেই কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। আরো যদি বলা হয় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো সম্মানিত ওহী মুবারক ছাড়া কোন কিছু করেন না। হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ৬ বছর বয়স মুবারকে আক্বদ মুবারক হয় এবং ৯ বছর বয়স মুবারকে উনাকে ঘরে তুলে নেন। এই সবগুলো বিষয় তো মহান আল্লাহ পাক উনার সরাসরি আদেশ মুবারকে হয়েছে। তাহলে কি মহান আল্লাহ পাক তিনিও দ-নীয় অপরাধ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! বাংলাদেশ সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিলো এদেশে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ কোন আইন পাশ হবে না। তাই সরকারের জন্য ফরয অতিদ্রুত এই কুফরী আইন প্রত্যাহার করা এবং এই জঘন্যতম আইন প্রণয়ন এর জন্য খাছভাবে তওবা করা। অন্যথায় মুক্তির কোন পথ নেই।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে