বাল্য বিয়ে করা যাবেনা কিন্তু অল্প বয়সে অবৈধ সম্পর্কের ফসল গর্ভপাত করা যাবে!!!


======
রাজধানীর মিরপুর, শ্যামলী, শান্তিনগর, যাত্রাবাড়ী এলাকার কয়েকটি স্থানে গজিয়ে ওঠা এক কামরার ক্লিনিকে অবিবাহিত গর্ভপাতের সংখ্যা বেশি এবং এ নারীদের বয়স ১৭ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। গত দশ বছরের তুলনায় ২০১৪ থেকে গর্ভপাত করতে আসা কমবয়সী অবিবাহিত নারীদের সংখ্যা বেশি।
শুধু রাজধানীতেই দৈনিক গর্ভপাত হচ্ছে প্রায় ২শ’র মতো। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রজনন স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠান, কয়েকটি ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায়, গর্ভপাত করতে যারা চাচ্ছেন বা আসছেন তাদের মধ্যে ১৬ বছরের কিশোরী থেকে মধ্য বয়স্ক নারীও রয়েছেন। বিয়ের আগে অনেকেই অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের কারণে গর্ভবতী হওয়ায় বাধ্য হয়ে গর্ভপাত করছেন।
রাজধানীর মিরপুর-কল্যাণপুর-শান্তিনগর-যাত্রবাড়ী-শ্যামলীর অন্তত ২৫টি জায়গা ঘুরে জানা যায়, এসব হাসপাতালে দৈনিক প্রায় শ’ খানেক গর্ভপাত হচ্ছে। এর বাইরে অনেক জায়গা আছে যেগুলোর খোঁজ জানা যায়নি।http://archive.is/yJt5x
গর্ভপাতকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই উঠতি বয়সি কিশোরী। যাদের বয়স ১৮-এর নিচে কিন্তু বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের কারণে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে না।
অথচ এ বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে তথাকথিত মানবতাবাদীরা অনেক উচ্চবাচ্য করে, কিন্তু বাল্যবিবাহ বন্ধ করলে যে সমাজে অবৈধ মেলামেশা বেড়ে যায়, সম্ভ্রমহরণ বেড়ে যায়, গর্ভপাত বেড়ে যায়, সেটা নিয়ে তারা কোনো কথা বলে না। একটা অপরিপক্ক শিশুকে যখন মাতৃগর্ভ থেকে অস্ত্রোপচার করে, জড় পদার্থের মতো টেনে হেচড়ে বের করা হয়, তখন কি মানবাধিকার লংঘন হয় না?
আসলে বাল্যবিয়ে বন্ধ করাই হচ্ছে কঠিন মানবতাবিরোধী অপরাধ। যার ফলে ঘটে যাচ্ছে গর্ভপাত নামক হাজার হাজার শিশু হত্যাকান্ড এবং অসংখ্য মেয়ে কিশোরী বয়সেই হারাচ্ছে তার নারী জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ সতিত্ব, ইজ্জত, সম্ভ্রম। সর্বোপরি স্বাস্থ্য।
তাই পশ্চিমাদের গোলামী না করে সরকারকে অবশ্যই বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন বাতিল করতে হবে। নচেৎ গর্ভপাত নামে হাজার হাজার শিশু হত্যাকান্ডের জন্য সরকারও দায়ী থাকবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে