বাৎসরিক ছুটি কাটানোর বিষয়টি এসেছে মূলত দ্বীনি দিবসগুলো সুষ্ঠুভাবে পালন করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের কারণে রাজনৈতিক দিবসের সংখ্যা বাড়তে থাকে; ফলে মুসলমানগণ বিশেষ বিশেষ নিয়ামত হাছিলের দ্বীনী দিবসগুলো পালন করা হতে মাহরূম হচ্ছে এবং বেখবরও থাকছে। নাউযুবিল্লাহ! ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্ত বিশেষ বিশেষ দিবসগুলোতে বাধ্যতামূলক ছুটি দেয়া সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।


যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাৎসরিক ছুটি কাটানোর বিষয়টি এসেছে মূলত দ্বীনি দিবসগুলো সুষ্ঠুভাবে পালন করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের কারণে রাজনৈতিক দিবসের সংখ্যা বাড়তে থাকে; ফলে মুসলমানগণ বিশেষ বিশেষ নিয়ামত হাছিলের দ্বীনী দিবসগুলো পালদন করা হতে মাহরূম হচ্ছে এবং বেখবরও থাকছে। নাউযুবিল্লাহ! ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্ত বিশেষ বিশেষ দিবসগুলোতে বাধ্যতামূলক ছুটি দেয়া সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সুতরাং সরকারের জন্য ফরয হলো- ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উপলক্ষে কমপক্ষে ১০ দিন ছুটি দেয়া।

আমাদের দেশে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিশেষ বিশেষ দিবসগুলোতে ছুটি দেয়া এবং নির্ধারিত ছুটির দিনগুলোর সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি এসব নছীহত মুবারক পেশ করেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ আলোকেই- মানুষের কর্মজীবনে ছুটির বিষয়টি এসেছিলো। অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দিবসগুলো সুষ্ঠুভাবে পালন করার উদ্দেশ্যে। যা মানুষের আত্মিক, দৈহিক ও মানসিকভাবে প্রশান্তি লাভের জন্যে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় দেখা গেল বিভিন্ন সময়ে শাসকদের পালাবদলের কারণে, বিভিন্ন রকমের রাজনৈতিক ইস্যুর কারণে, যুদ্ধজয়ের কারণে অনেক ধরনের ছুটি ঘোষিত হতে থাকে। আর এসব ছুটির আধিক্যের কারণে দ্বীনি দিবসগুলো পালনে ছুটির সংখ্যা কমতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একটি দেশে বিভিন্ন যুগেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার কারণে অনেক বিশেষ দিনের সূচনা হবে এবং এ ধারা চলতেই থাকবে। এখন সমস্ত রাজনৈতিক দিবসগুলোকে স্মরণীয় বরণীয় করার জন্য ছুটি ঘোষিত হতে থাকলে মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগী পালনের দিবসগুলোতে ছুটির উপর আঘাত আসবে। সুতরাং মুসলমান উনাদের জীবনে সম্মানিত শরীয়ত পালন করার সুবিধার জন্য ইবাদত-বন্দেগী করার বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে ছুটি দেয়া এবং ছুটি বাড়ানো একান্ত কর্তব্য।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, রাজনৈতিক ইস্যুর কারণে ছুটিগুলো দেয়া হয় মূলত মানুষের মনোজগতে একটা প্রভাব ফেলার উদ্দেশ্যে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেদিনগুলোতে রহমত-বরকত হাছিল করার কোনো উপলক্ষ থাকে না। সেদিনগুলোতে ছুটি কাটিয়ে মানুষ কোনো প্রশান্তিও লাভ করে না।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপলক্ষগুলোতে ছুটি দেয়া প্রয়োজন। কাজেই, সেদিনগুলোতে ছুটি না কমিয়ে বরং বাড়ানো সরকারের জন্য ফরয।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে