বিজাতীয় পন্থায় দ্বীন ইসলাম কায়িম করার অলীক স্বপ্ন 


ক্ষমতালোভী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’রা গণতন্ত্র করে। তাদের যুক্তি হচ্ছে- গণতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধিবিধান জারি করবে। তারা হারাম নারী নেতৃত্ব মেনে থাকে। এক্ষেত্রে তারা ধোঁকাপূর্ণভাবে বলে থাকে- পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িমের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য এটা করছে। ছবি, টিভি, গান-বাজনা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই তাদের নিজস্ব মনগড়া যুক্তি রয়েছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম-আহকামকে প্রাধান্য না দিয়ে তাদের নিজের মত-পথকে প্রাধান্য দিয়েছে। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হারাম থেকে হারাম ব্যতিত কিছুই বের হয় না।”
তাহলে কি করে হারাম গণতন্ত্র করে বা নারী নেতৃত্ব মেনে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম কায়িম করা সম্ভব? বস্তুত তা কখনোই সম্ভব নয়। মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের রক্তক্ষয়ী পরিণতি গণতন্ত্রের পূজারী ধর্মব্যবসায়ী মালানাদের জন্য প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তারা গণতন্ত্রের ধারক-বাহক ভোট-নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিল ঠিকই; কিন্তু ক্ষমতা স্থায়ী হলো না। তাদেরই নিয়োগকৃত ও কাফির-মুশরিকদের দ্বারা বিভ্রান্ত আরেক কর্মচারী তাদেরকে অত্যন্ত লাঞ্ছিতভাবে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করলো। এটাই হলো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধি-বিধানকে উপেক্ষা করে কাফির-মুশরিকদের দ্বারা প্রবর্তিত গণতন্ত্র করার পরিণতি।
কাজেই এ থেকে দুনিয়াবী ক্ষমতার লোভে লালায়িত ধর্মব্যবসায়ী মালানাদেরকে শিক্ষা নিতে হবে। তাদেরকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার তর্জ-তরীক্বা অনুযায়ী সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ প্রতিষ্ঠা করার জন্য কোশেশ করতে হবে। কারণ মহান আল্লাহ তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “চেষ্টা বান্দার তরফ থেকে-পূর্ণতা দান করবেন মহান আল্লাহ পাক তিনি।”

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে