বিজ্ঞান মুসলমান উনাদেরই অবদান


[ বি: দ্র: লেখাটি ওই সমস্ত মুসলমানদের জন্য যারা নিজেদেরকে মুসলমান দাবী করার পরও বিজ্ঞানের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাফিরদের অবদানকেই প্রাধান্য দেয়।]

মুসলমান উনাদের অবস্থা আজকের মতো এত শোচনীয় ছিল না। তারা ছিল একসময় বিশ্বের অভিভাবক। অতীত নিয়ে একটি মুসলিম শিশু গর্ব করতে পারে। ইউরোপ ও আমেরিকাকে লক্ষ্য করে বুক ফুলিয়ে সে বলতে পারে, আমরা মুসলমানরাই জ্ঞান বিজ্ঞানের জনক। এমন কথা বলার আগে তাকে জানতে হবে তার নিজের পরিচয়। ইসলামের স্বর্ণযুগের ইতিহাস প্রতিটি মুসলিম শিশু ও তার অভিভাবককে হীনমন্যতা থেকে রক্ষা করতে পারে।

স্বর্ণযুগকে আড়াল করার অভিসন্ধি

৭৫০ থেকে ১২৫৮ সাল পর্যন্ত সময় ইসলামের স্বর্ণযুগ হিসাবে পরিচিত। এই আলোকিত যুগ আধুনিক বৈজ্ঞানিক যুগের অগ্রদূত হিসাবে কাজ করেছে। একটি গভীর চক্রান্ত থেকে মধ্যযুগকে অন্ধকার ও বর্বর যুগ হিসাবে আখ্যা দেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে বিজ্ঞানময় দ্বীন ইসলামকে জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রগতির পথে একটি অন্তরায় হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কিন্তু চাইলেই সব পারা যায় না। ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে, মধ্যযুগে মুসলমানদের অগ্রগতির পেছনে ইসলাম ছিল মূল চালিকাশক্তি। স্বর্ণযুগে মুসলমানরাই ছিল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি। শুধু বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি নয়; অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক ও সংস্কৃতিতে মুসলমানরা ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ সত্য আড়াল করার জন্যই মধ্যযুগকে অন্ধকার যুগ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। এ যুগের প্রতি ইতিবাচক ধারণা পোষণ করার মানে হলো বিজ্ঞানে মুসলমানদের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নেয়া। মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রুসেড পরিচালনাকারীদের পরবর্তী প্রজন্ম অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে মধ্যযুগের সত্যিকার ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। অধ্যাপক জি. সারটন অকপটে তা স্বীকার করেছে। সে ‘ইন্ট্রডাকশন টু দ্য হিস্টরি অব সায়েন্স’-এ লিখেছে “To sum up, mediaevalists have given us an entirely false idea of the scientific thought of the Middle Ages because of their insistance upon the least progressive elements and their almost exclusive devotion to Western thought; when the greatest achievements were accomplished by Easterners .Thus did they succeed not in destroying the popular conception of the Middle Ages as `Dark Ages’. But on the contrary in re-enforcing it. The Middle Ages were dark indeed when most historians showed us only (with the exception of Art) the darkest side; these Ages were never so dark as our ignorance of them.”
অর্থাৎ ‘সংক্ষেপে বলতে গেলে অত্যন্ত দুর্বল সূত্রের ওপর জোর দেয়ায় এবং পাশ্চাত্য ধ্যান ধারণার প্রতি একান্তভাবে অনুগত থাকায় ইতিহাস বিশারদগণ মধ্যযুগের বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা সম্পর্কে আমাদেরকে পুরোপুরি মিথ্যা ধারণা দিয়েছে। মধ্যযুগেই প্রাচ্যবাসীরা শ্রেষ্ঠতম অগ্রগতি অর্জন করেছিলেন। ইতিহাস বিশারদগণ মধ্যযুগকে একটি ‘অন্ধকার যুগ’ হিসাবে আখ্যায়িত করার প্রচলিত ধারণা বাতিল করার পরিবর্তে বরং তারা এ ধারণাকে আরো জোরালো করতে সফল হয়েছে। বস্তুতপক্ষে মধ্যযুগ ছিল অন্ধকার। তবে অধিকাংশ ঐতিহাসিক আমাদের কাছে এ সময়ের কেবলমাত্র অন্ধকারময় দিকটিই তুলে ধরেছে (শিল্প হলো একমাত্র ব্যতিক্রম)। এ যুগ কখনো আমাদের অজ্ঞতার চেয়ে বেশি অন্ধকার ছিল না। ’
অধ্যাপক জি. সারটন একই গ্রন্থে মুসলিম বিজ্ঞানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আরো লিখেছে, “It will suffice here to evoke a few glorious names without contemporary equivalents in the West: Jabir ibn Haiyan, al-Kindi, al-Khwarizmi, al-Fargani, al-Razi, Thabit ibn Qurra, al-Battani, Hunain ibn Ishaq, al-Farabi, Ibrahim ibn Sinan, al-Masudi, al-Tabari, Abul Wafa, Ali ibn Abbas, Abul Qasim, Ibn al-Jazzari, al-Biruni, Ibn Sina, Ibn Yunus, al-Kashi, Ibn al-Haitham, Ali Ibn Isa al-Ghazali, al-Zarqab, Omar Khayyam. A magnificent array of names which it would not be difficult to extend. If anyone tells you that the Middle Ages were scientifically sterile, just quote these name to him, all of whom flourished within a short period, 750 to 1100 A.d.”
অর্থাৎ ‘এখানে মুষ্টিমেয় কিছু নাম উল্লেখ করাই যথেষ্ট হবে। সমসাময়িককালে পাশ্চাত্যে তাদের সমতুল্য কেউ ছিল না। উনারা হলেন : জাবির ইবনে হাইয়ান, আল-কিন্দি, আল-খাওয়ারিজমি, আল-ফরগানি, আল-রাজি, ছাবেত ইবনে কোরা, আল-বাত্তানি, হুনায়ন ইবনে ইসহাক, আল-ফারাবি, ইব্রাহিম ইবনে সিনান, আল-মাসুদি, আল-তাবারি, আবুল ওয়াফা, আলী ইবনে আব্বাস, আবুল কাসিম, ইবনে আল-জাজারি, আল-বেরুনি, ইবনে সিনা, ইবনে ইউনূস, আল-কাশি, ইবনে আল-হাইছাম, আলী ইবনে ইসা আল-গাজালি, আল-জারকাব, ওমর খৈয়াম। গৌরবোজ্জ্বল নামের তালিকা দীর্ঘ করা মোটেও কঠিন হবে না। যদি কেউ আপনার সামনে উচ্চারণ করে যে, মধ্যযুগ ছিল বৈজ্ঞানিক দিক থেকে অনুর্বর তাহলে তার কাছে এসব নাম উল্লেখ করুন। তাদের সবাই ৭৫০ থেকে ১১০০ সাল পর্যন্ত একটি সংক্ষিপ্ত সময়ে সমৃদ্ধি লাভ করেছিলেন।’
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী বিজ্ঞানের অধ্যাপক জর্জ সালিবা এবং ঐতিহাসিক জন. এম. হবসন বলেছে, মধ্যযুগে মুসলিম বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ঘটেছিল। ফরাসি প্রত্নতত্ত্ববিদ রবার্ট স্টিফেন ব্রিফল্ট ‘দ্য মেকিং অব হিউমেনিটি’ (The Making of Humanity) শিরোনামে বইয়ে ইসলামী বিজ্ঞানকে আধুনিক বিজ্ঞানের ভিত্তি হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। আমেরিকান দার্শনিক উইল ডুরান্ট, আমেরিকান মেডিকেল হিস্টরিয়ান ফিল্ডিং হাডসন গ্যারিসন, ব্রিটিশ-আমেরিকান ঐতিহাসিক বার্নার্ড লুই প্রমুখ তাদের মতে, মুসলিম বিজ্ঞানীরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অবদান রাখার মধ্য দিয়ে গবেষণামূলক বিজ্ঞানের ভিত্তিস্থাপন করেছেন।

ইসলামী সভ্যতাকে সর্বোৎকৃষ্ট হিসাবে স্বীকৃতি

লুকোচুরি করলেও পাশ্চাত্য ইসলামী সভ্যতাকে সর্বশ্রেষ্ঠ হিসাবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হচ্ছে। ২০০১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসের মিনেসোটায় হিউলেট প্যাকার্ডের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মিসেস কার্লি ফায়ারিনার ভাষণ তার প্রমাণ। ইসলামী সভ্যতাকে সর্বশ্রেষ্ঠ হিসাবে স্বীকার করে সে ‘টেকনোলজি, বিজিনেস এন্ড আওয়ার ওয়ে অব লাইফ: হোয়াটস নেক্সট’ শিরোনামে তার ভাষণে বলে “There was once a civilization that was the greatest in the world. And this civilization was driven more than anything but invention. Its architects designed buildings that defied gravity. Its mathematicians created the algebra and algorithms that would enable the building of computers and the creation of encryption. Its doctors examined the human body and found new cures for disease. Its astronomers looked into the heavens, named the stars and paved the way for space travel and exploration. When other nations were afraid of ideas, this civilization thrived on them and kept them alive. When censors threatened to wipe out knowledge from past civilizations, this civilization kept the knowledge alive and passed it on others. While modern Western civilization shares many of these traits, the civilization I am talking about was the Islamic world from the year 800 to 1600, which included the Ottoman Empire and the courts of Baghdad, Damascus and Cairo and enlightened rulers like Suleiman the Magnificent. Although we are often unaware of our indebtedness to this civilization, its gifts are very much part of our heritage. The technology industry would not exist without the contributions of Arab mathematicians.”
অর্থাৎ ‘একসময় পৃথিবীতে সর্বোৎকৃষ্ট একটি সভ্যতা ছিল। বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ছিল এ সভ্যতার চালিকাশক্তি। এ সভ্যতার স্থপতিগণ এমনভাবে ভবনের নকশা প্রণয়ন করতেন যাতে অভিকর্ষ ছিল না। এ সভ্যতার গণিতজ্ঞগণ বীজগণিত ও এলগোরিদম উদ্ভাবন করেছিলেন যা কম্পিউটার নির্মাণ এবং সাংকেতিক বার্তা লিখনে সহায়ক হয়েছিল। এ সভ্যতার ডাক্তারগণ মানব দেহ পরীক্ষা এবং রোগ নিরাময়ে নতুন নতুন ওষুধ আবিষ্কার করেছিলেন। এ সভ্যতার জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ গ্রহ নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ এবং তারকার নামকরণ করেছিলেন। তারা মহাকাশ যাত্রা ও অনুসন্ধানের পথ উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যে সময় অন্যান্য জাতি নতুন নতুন ধ্যান ধারণায় ভীত ছিল তখন এ সভ্যতা তাতে সমৃদ্ধি লাভ করছিল এবং সেগুলো জীবিত রেখেছিল। যে সময় পরীক্ষকগণ অতীত সভ্যতার জ্ঞান নির্মূলের হুমকি দিচ্ছিলেন তখন এ সভ্যতা জ্ঞানকে সজীব রেখেছিল এবং অন্যদের কাছে এসব জ্ঞান স্থানান্তর করেছিল। আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতায় তার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় আমি সেই সভ্যতা নিয়ে আলোচনা করতে চাই। এ সভ্যতা হলো অষ্টম থেকে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত ইসলামী বিশ্ব। অটোমান সাম্রাজ্য, বাগদাদের রাজদরবার, দামেস্ক, কায়রো এবং মহান সুলায়মানের মতো আলোকিত শাসকগণ এ সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত। এ সভ্যতার কাছে আমাদের ঋণ সম্পর্কে আমরা কখনো কখনো অসচেতন হলেও তার আর্শীবাদ আমাদের উত্তরাধিকারের অংশ। আরব গণিতজ্ঞদের অবদান ছাড়া প্রযুক্তি শিল্প টিকে থাকতো না।’

ল্যাটিন অনুবাদে মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম পরিবর্তন

স্বর্ণযুগে মুসলিম বিজ্ঞানীদের সবগুলো বই ল্যাটিনসহ অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করা হয়। তবে অনূদিত গ্রন্থগুলোতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিম বিজ্ঞানীদের নামও ল্যাটিনে অনুবাদ করা হয়। অন্য যে কোনো ভাষায় কোনো লেখকের বই অনুবাদ করার সময় কেবলমাত্র বইয়ের বিষয়বস্তু অনুবাদ করা হয়। কখনো লেখকের নাম অনুবাদ করা হয় না। লেখকের নাম অনুবাদ করার এমন অদ্ভূত উদাহরণ ইতিহাসে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। পৃথিবীর সব দেশের কবি, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের নাম অক্ষত রেখে অনুবাদ কর্ম সম্পাদন করা হলেও স্বর্ণযুগের মুসলিম দার্শনিক ও বিজ্ঞানীদের নাম অক্ষত রাখা হয়নি। ল্যাটিন ভাষায় মুসলিম পণ্ডিত ও বিজ্ঞানীদের নাম বিকৃত করার এই হীন প্রচেষ্টা অধ্যাপক সারটনের উক্তিকে সত্য বলে প্রমাণ করছে। আরবী গ্রন্থগুলো ইউরোপীয় ভাষায় অনুবাদ করা হলেও গ্রন্থকারের ল্যাটিন নাম দেখে বুঝার উপায় নেই যে, তারা মুসলমান। প্রত্যেক মুসলমান গ্রন্থকারের নাম আরবীতে লম্বাচুরা হলেও ল্যাটিন ভাষায় তাদের নাম দেয়া হয়েছে একটি মাত্র শব্দে।
ইবনে সিনার পুরো নাম আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সিনা। কিন্তু ল্যাটিন ভাষায় তার নাম ‘আভিসিনা’ (Avicenna)।
বীজগণিতের জনক খাওয়ারিজমির পূর্ণ নাম আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে মুসা আল-খাওয়ারিজমি। ল্যাটিন ভাষায় তার নাম ‘এলগোরিজম’ (Algorism)।
ইবনে বাজ্জাহর পুরো নাম আবু বকর মুহম্মদ ইবনে ইয়াহিয়া ইবনে আল-সায়িগ। কিন্তু তার ল্যাটিন নাম ‘অ্যাভামপেস’ (Avempace)।
আল-ফরগানি আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে কাছির হলো আল-ফরগানির পূর্ণ নাম। কিন্তু ল্যাটিনে তার নাম ‘আলফ্রাগানাস’ (Alfraganus)।
পৃথিবীর প্রথম মানচিত্র অঙ্কনকারী আল-ইদ্রিসীর পূর্ণ নাম আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস আল-শরীফ আল-ইদ্রিসী। কিন্তু ল্যাটিন ভাষায় তিনি ‘দ্রেসেস’ (Dreses) নামে পরিচিত।
শুধু ইবনে সিনা, খাওয়ারিজমি, ইবনে বাজ্জাহ, আল-ফরগানি কিংবা আল-ইদ্রিসী নয়, সব মুসলিম বিজ্ঞানীর প্রতি ল্যাটিন ইউরোপ এ অবিচার করেছে।
মুসলিম বিজ্ঞানীদের শুধু নামের বিকৃতি নয়, খোদ তাদের পরিচয় নিয়েও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাদের কারো কারো ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে, তারা আদৌ মুসলমান নন, জরোস্ত্রীয় অথবা ইহুদী কিংবা ইউরোপীয়।
রসায়নের জনক জাবির হাইয়ান এমন এক অপপ্রচারের শিকার। ইউরোপের কোনো কোনো ঐতিহাসিক দাবি করছেন, জাবির ইবনে হাইয়ান ছাড়া আরেকজন জাবির ছিলেন। তার নাম ‘জিবার’ এবং এ জিবার হলেন ইউরোপীয়।
বীজগণিতের জনক আল-খাওয়ারিজমি সম্পর্কেও অনুরূপ কথা বলা হচ্ছে। কোনো কোনো ঐতিহাসিক তাকে জরোস্ত্রীয় হিসাবে দাবি করছেন। খাওয়ারিজমির বিপরীতে আরেকজন ‘খাওয়ারিজমি’র অস্তিত্ব আবিষ্কার করা হয়েছে। বলা হচ্ছে দ্বিতীয় খাওয়ারিজমি হলেন গণিতে প্রথম শূন্য ব্যবহারকারী।
পৃথিবীর ব্যাস নির্ণয়কারী আল-ফরগানিও ষড়যন্ত্রের শিকার। তার পরিচয় নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি করে বলা হচ্ছে, ফরগানি হলেন দু’জন।
এমনি আরো কতভাবে বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান অস্বীকার অথবা তাদের অবদানকে খাটো করার হীন চক্রান্ত চালানো হচ্ছে তার শেষ নেই।
আমরা সবাই একনামে কোপার্নিকাস, গ্যালিলিও ও নিউটনের মতো ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের চিনি। চিনি না কেবল তাদের গুরু ইবনে বাজ্জাহ, ইবনে রুশদ অথবা নাসিরুদ্দিন তুসিকে। আমরা না চিনলেও ইতিহাস থেকে তারা হারিয়ে যাবেন না। বিজ্ঞান যতদিন টিকে থাকবে মুসলিম বিজ্ঞানীরাও ততদিন ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবেন।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+