বিজয় দিবস উপলক্ষে ৩ লাখের বেশী লোকের সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হবে


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি বাদ্যযন্ত্র মুর্তি ধ্বংসের জন্য প্রেরিত হয়েছি।” হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন “গান বাজনা মানুষের অন্তরে কপটতা সৃষ্টি করে ।” সুতরাং দ্বীন ইসলাম এ গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্র ইত্যাদি সব হারাম। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমান অধুষ্যিত দেশ হওয়ার সত্ত্বের এ দেশের ঘরে-বাইরে, হাট-বাজারে, রাস্তা-ঘাটে সর্বত্র গান-বাজনা হচ্ছে। সেই হারামের ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ঈয়াসী বিজয় দিবস উপলক্ষে ৩ লাখের বেশী লোক সমবেত কন্ঠে তথাকথিত জাতীয় সংগীত গাইবে। (নাউযুবিল্লাহ) (সুত্রঃ http://goo.gl/MTg0jo) বাংলাদেশের সংবিধানের ২ নম্বর ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্র ধর্ম পবিত্র ইসলাম এবং সংবিধানের ৪১ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “প্রত্যেক নাগরিকের যে কোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন ও প্রচারের অধিকার রয়েছে।” সেক্ষেত্রে এই হারাম জাতীয় সংগীত গাওয়ার বিরোধিতা করাই মুসলমানদের জন্য ধর্ম পালন। অপরদিকে বর্তমান সরকার ‘কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না’- এ প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। সুতরাং, সরকার সহ দেশের সকল মুসলমানদের দায়িত্ব হচ্ছেএই হারাম কাজ বন্ধ করা এবং এর সাথে সাথে সকল প্রকার গান-বাজনা, বাদযন্ত্র ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে