সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত লাইলাতুম মুবারকাহ বা বরকতময় রাত-ই পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত


আজকাল টিভি চ্যানেল ও অশ্লীল পত্র-পত্রিকাগুলোতে কিছু নামধারী আল্লামা, যারা মূলত ওহাবীবাদী ধর্মব্যবসায়ী ও রাজাকার; তারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত ও স্বীকৃত পবিত্র লাইলাতুল বরাত উনাকে অস্বীকার করে থাকে। তারা নিজেরা টিভিতে অনুষ্ঠান করে, বেপর্দা হয় ও হারাম খেলাধুলাকে জায়িয হিসেবে ফতওয়া দেয়। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে গণতন্ত্র, নির্বাচন, হরতাল, লংমার্চ ইত্যাদি সম্পূর্ণ হারাম হওয়া সত্ত্বেও তারা সেগুলোকে জায়িয বলে প্রচার করে। একইভাবে তারা পবিত্র কুরআন ও পবিত্র সুন্নাহ ভিত্তিক পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালন করতে মুসলমানদেরকে নিরুৎসাহিত করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিষেধ করে। নাউযুবিল্লাহ! ওহাবীপন্থী ধর্মব্যবসায়ী আল্লামারা মূলত ইহুদী-খ্রিস্টানদের গোলাম ও এজেন্ট বলে তারা মুসলমানদেরকে এ রকম একটি উত্তম ইবাদত থেকে মাহরূম করতে চায়। তাদের কাছে যখন কারণ জানতে চাওয়া হয়, ‘কেন তারা লাইলাতুল বরাত পালন করাকে নিরুৎসাহিত করে’ তখন তারা বলে থাকে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার কোথাও উল্লেখ নেই। নাঊযুবিল্লাহ! তারা নিশ্চয়ই জানে যে, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ বা বরকতময় রাতই হলো পবিত্র লাইলাতুল বরাত। যেহেতু তারা ইহুদী-খ্রিস্টানদের গোলাম ও এজেন্ট সে কারণেই তারা বিষয়টিকে সুকৌশলে এড়িয়ে যায়। অর্থাৎ উলামায়ে ‘সূ’রা হারামকে হালাল আর হালালকে হারাম ফতওয়া দেয় মুসলমানদের ঈমান নষ্ট করার লক্ষ্যে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে