বিদয়াত-শিরকের ফতুয়া কই? ৫ই মে’র ‘শহীদ দিবস’ আর বেগানা মহিলার ‘শুকরিয়া মাহফিল’


ধর্মব্যবসায়ীরা সারাজীবন বলে এসেছে, আল্লাহ ছাড়া আর কারও শুকরিয়া করা শিরক, বেদয়াত। কিন্তু মহান আল্লাহপাক উনার কুদরত- এখন সেই ধর্মব্যবসায়ীরাই জনগণের সামনে খোলা ময়দানে ফাসেক-ফুজ্জার, দুনিয়াদার ও বেগানা মহিলাদের ‘শুকরিয়া’ আদায় করছে। নাউযুবিল্লাহ!
ধর্মব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ হলো কওমী, দেওবন্দী, খারেজীরা। এরাই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ, সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফসহ বিভিন্ন ইসলামী দিবস তথা আইয়ামুল্লাহ শরীফ উনাদের পালনকে শিরক-বিদয়াত ফতুয়া দিয়ে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
এখন তাদের সে সব ফতুয়া গেলো কই? তারা এখন শাপলা চত্বরের দৌড়ানিকে স্বরণ করে ৫ই মে ‘শহীদ দিবস’ পালন করে। নাউযুবিল্লাহ!
বেগানা মহিলার শুকরিয়া আদায় করে, ‘শুকরিয়া মাহফিল’ আয়োজন করে। নাউযুবিল্লাহ!
এখন আর এগুলো বেদয়াত-শিরক হয় না? এগুলোর সাথে এখন হালুয়া-রুটির সম্পর্ক আছে, এজন্য? এ বিষয়টি নিয়েই পূর্ববর্তী বুজুর্গরা বলেন- ধর্মব্যবসায়দের ঈমানের মূল খুঁটি হলো হালুয়া-রুটি।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে