বিধর্মীদের পূজা-পার্বনের সময় এদের মানবতা কোথায় থাকে?


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগই হচ্ছে মুসলমান। এ কারণে এদেশের সংবিধানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রাষ্ট্রদ্বীন হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতি সবমিলে রয়েছে মাত্র ১.৫ ভাগ। ওদের যে কোনো কল্পিত ধর্মীয় উৎসবের সময় দেখা যায় সরকার স্বয়ং পৃষ্ঠপোষকতা করে। ওদের ২৫শে ডিসেম্বর, বৌদ্ধপূর্ণিমা, দুর্গাপূজা ইত্যাদি উৎসবে টাকা পয়সা নিরাপত্তা সবই দিচ্ছে সরকার। আর মিডিয়াগুলো তো একেবারে কোমর বেঁধে নামে সে সমস্ত বিধর্মী বিজাতীয় উৎসবকে সার্বজনীন হিসেবে চালিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য।
কিন্তু যখনই মুসলমানদের প্রামাণ্য দলীলসমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী ঈদ উৎসব বা ফযীলতপূর্ণ রাত দিন আসে, তখনই ওই সমস্ত মিডিয়াগুলোতে কতিপয় কথিত মানবতাবাদীর উদয় হয়। তারা মুসলমানদেরকে উপদেশের ভঙ্গিতে বলতে থাকে- জন্মদিন পালন বিদয়াত, পবিত্র শবে বরাতের রাতে সজাগ থেকে সময় ও স¦াস্থ্য নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, পবিত্র কুরবানী দেয়া জরুরী নয়, এতে টাকা অপচয় হয়, এসব খাতের টাকাগুলো হাসপাতাল, রাস্তাঘাট কিংবা ব্রিজ বানানোর জন্য দান করা হোক ইত্যাদি ইত্যাদি।
এদেরকে যখন বলা হয়, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের পূজা-পার্বনের সময় তোমরা কোথায় থাকো? তোমাদের খাতা-কলম কোথায় থাকে? তোমাদের মানবতার দরদ কোথায় থাকে? তখন কেন বলো না- পূজা-পার্বনে টাকা পয়সা খরচা না করে কিংবা সরকার ওদেরকে আর্থিক সহযোগিতা না করে সে টাকা দিয়ে দেশের উন্নয়ন করুক, রাস্তা-ঘাট ব্রিজ হাসপাতাল ইত্যাদি জনকল্যাণমূলক কাজ করুক। আসলে তখন এদেরকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কারণ এরা নামে মুসলমান হলেও ধ্যান-ধারণায় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের গোলাম হয়ে নিজেরাই তখন পূজা-পার্বনে ব্যস্ত থাকে। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে