বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানগণের সাথে বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে বাধা প্রদান করা, মুসলমানগণকে নিজ ভিটা-মাটি থেকে উচ্ছেদ করা এবং মুসলমানগণের উপর সর্বপ্রকার যুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে।
আশ্চর্যের বিষয় যে, মুসলমানগণের দেশেও মুসলমানগণের পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিরুদ্ধে আইন পাস করা হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! মুসলমানগণের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত ছুটি দেয়ার চাইতে বিধর্মীদের পূজায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা ও ছুটি দেয়ার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। যেখানে আমাদের দেশে মাত্র (প্রায়) ১.৫ শতাংশ কম সংখ্যালঘু বাস করে। আর ৯৮ শতাংশ মুসলমান- যারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আইন অনুযায়ী চলে। কিন্তু তাদেরকে কোনো গুরুত্বই দেয়া হচ্ছে না। তাদের কোনো প্রয়োজনই বিচারক ও সরকার কেউই অনুভব করছে না।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন, সে মুতাবিক যারা আদেশ-নির্দেশ করে না, তারা কাফির।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৪)
তাই আজকে কাফিরদের দেশগুলোতে মুসলমানগণের সাথে শত্রুতাবশতঃ মুসলমানগণের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা না দিয়ে বরং পবিত্র মসজিদ নির্মাণে বাধা দেয়া হচ্ছে। সুতরাং সরকার এবং মুসলমান জনগণ সবাইকেই শত্রুদের চিনে তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে। কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করা যাবে না।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে