বিধর্মীরাও এখন পর্দা পালনের গুরুত্ব উপলদ্ধি করছে


মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনারা পর্দাকে নারী-পুরুষ উভয়ের  জন্য ফরয করে দিয়েছেন। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পর্দা করার ব্যাপারে কঠোর আদেশ-নির্দেশ করা হয়েছে।  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ঈমানদার নারীগণকে বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাজত করে। তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে যাতে তাদের চুপানো সৌন্দর্য প্রকাশ হয়ে পড়ে। হে মু’মিনগণ! তোমরা সকলেই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। (পবিত্র সূরা নূর শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে মহিলারা! তোমরা তোমাদের ঘরের মধ্যে পর্দার সাথে অবস্থান করবে। আইয়্যামে জাহিলিয়াতের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন করে ঘরের বাইরে বের হয়ো না। অর্থাৎ বেপর্দা হয়ো না।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৩)

 

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ মেয়েরা পর্দার অধীনে থাকবে। কেননা তারা যখন কোথাও বের হয়, তখন শয়তান উঁকিঝুকি দিতে থাকে কিভাবে তাদের দ্বারা পাপ কাজ সংঘটিত করা যায়।” (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)

হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে আলী আলাইহিস সালাম! দৃষ্টিকে অনুসরণ করবেন না। প্রথম দৃষ্টি (যা অনিচ্ছা সত্ত্বে পতিত হয় তা) ক্ষমা করা হবে; কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে না।” অর্থাৎ প্রতি দৃষ্টিতে একটি কবীরা গুনাহ লেখা হয়ে থাকে।

 

হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, “যে দেখে এবং দেখায় উভয়ের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।”

 

মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পাক এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে সরাসরি পর্দাকে ফরয করে দিয়েছেন। পর্দা পালন করলে অধিকাংশ কবীরা গুনাহ থেকে হিফাযত থাকা যায়। মুসলমানদের পাশাপাশি এখন বিধর্মীরাও পর্দা করার গুরুত্ব উপলদ্ধি করছে।  সে রকম কিছু ঘটনা নিচে তুলে ধরা হলোঃ

 








শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+