বিধর্মীরা তাদের কথিত ধর্মীয় ঐতিহ্য লালন করতে অসভ্যতা, বর্বরতা, কুসংস্কারকে আঁকড়ে ধরে আছে; পক্ষান্তরে মুসলমানরা কাফিরদের সাথে মিশে নিজের দ্বীন, সভ্যতা, শিক্ষা সব ছেড়ে দিয়েছে


মালউন (অভিশপ্ত) সম্প্রদায় হিসেবে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য মূর্তিপূজারী (মুশরিক) জাতি কুখ্যাতি অর্জন করেছে বহু বছর আগে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮)

কাফির-মুশরিকরা এখনো সভ্য সমাজে (মুসলমানদের সাথে) বাস করেও জংলী মানুষদের মতো নাকে, মুখে, কপালে রং লাগায়। চেহারায় মাটি মাখে। নিজেরাই নিজের হাতে বীভৎস ও শয়তানরূপে মূর্তি তৈরি করে সেটাকে ‘ভগবান’ বলে পূজা করে। (নাউযুবিল্লাহ)। জংলীদের মতো উলুধ্বনি দেয়। তাদের জন্মদানকারী বাবা-মা মারা গেলেও তাকে নিজ হাতে আগুনে পোড়ায়। পোড়ানো অবস্থায় লাশ দাঁড়িয়ে গেলে সেই বাবা-মায়ের দেহটিকে লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে পিটিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। একসময় তাদের সতীদাহ প্রথা র্ছিলো। এই প্রথায় কোনো বিধর্মী মহিলার স্বামী মারা গেলে, সেই মৃত স্বামীর সাথেই তার জীবিত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে মারা হতো। ভারতে মুসলিম শাসনামলে এই বর্বর প্রথাটি মুসলিম শাসকগণ বন্ধ করেন। বিধর্মীদের বর্বরতা, কুসংস্কার প্রথার কথা লিখে শেষ করা যাবে না, কারণ তাদের গোটা ধর্মটাই কাল্পনিক, অশ্লীল ও কুসংস্কার নির্ভর। তবে আশ্চর্যের বিষয় এটাই যে, বর্তমান যুগেও তাদের ধর্ম বা কুসংস্কারগুলোকে তারা বিশ্বাস করে এবং অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। কে কি বলে সেদিকে তারা ভ্রƒক্ষেপ করে না।

এবার আসি শিখদের প্রসঙ্গে। শিখ সম্প্রদায় এতোটা ইসলামবিদ্বেষী যে, এরা চুল কাটে না, দাড়ি কাটে না এবং হাতে বালা পরে থাকে এজন্য যে- ‘মুসলমানদের রক্ত দিয়ে গোসল না করা পর্যন্ত তারা চুল কাটবে না, দাড়ি কাটবে না, হাতের বালা খুলবে না।’ নাউযুবিল্লাহ! শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিটা শিশুকে তারা এই শিক্ষা দিয়েই বড় করে। তাই দেখা যায়, এরা পাগড়ির মতো মাথায় বিশেষ কায়দায় কাপড় পেচিয়ে রাখে; এর মাধ্যমে লম্বাচুলগুলো আটকিয়ে রাখে। তাদের লম্বা দাড়িগুলো বিশেষ কায়দায় পেচিয়ে রাখে এবং প্রত্যেকটা শিকের হাতে বালা থাকে। ভারতের চীফ অব আর্মি স্টাফ পদে ছিলো জেনারেল বিক্রম সিং। শিখ সম্প্রদায়ের এই লোকটিও আর্মি প্রধান হওয়ার পরেও কিন্তু তার হাতের বালা খুলেনি, মাথার পাগড়ি ছুরতের পট্টি খুলেনি, মুখের দাড়ি ফেলে দেয়াতো দূরে থাক, পরিপাটি রাখার জন্য ছোটও করেনি। সে তার ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ইসলামবিদ্বেষ ঠিকই শক্তভাবে ধারণ করেছে।

কিন্তু আফসোস হচ্ছে মুসলমানদের জন্য। সত্য দ্বীন ইসলামে থেকেও কাফির মুশরিকদের অনুসরণ করতে করতে নিজেদের সভ্যতা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা, জ্ঞান বিজ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার থেকে দূরে সরে গেছে। আর মুসলমানদের শিক্ষা, সভ্যতা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভা-ার চুরি করে কাফির-মুশরিকরা নিজেরা জ্ঞানী সেজেছে। তাদেরকে জ্ঞানী, সভ্য মনে করে মুসলমানরা তাদেরকে বিশাল কিছু মনে করছে। নাউযুবিল্লাহ!

মুসলমানদের উচিত- কাফিরদের অনুসরণ, অনুকরণ ছেড়ে দিয়ে, নিজেদের ইতিহাস জানা, নিজেদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে ধারণ করা, সীরত-ছুরতে নিজেকে মুসলমান হিসেবে প্রকাশ করা।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে