বিধর্মীরা মুসলমানগণের সূত্র চুরি করে নিজেদের জ্ঞানী ভাবছে


এই পৃথিবীতে জ্ঞান বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা জ্বালিয়েছেন মুসলমানগণ। দীর্ঘ দিন ইউরোপ শাসনকালে মূর্খ ইউরোপিয়ানরা মুসলমানগণের জ্ঞানভাণ্ডার সীমাহীন লুটপাট করেছে। সম্মানিত মুসলিম বিজ্ঞানীদের জ্ঞান চুরি করে নিজেদের নামে এই সব সূত্র ও আবিষ্কার প্রচার করছে। আজ জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে পরা মুসলমানগণ উনাদের সে সম্পদ দাবি করছে না। বর্তমান সোলার সিস্টেম মুসলমান উনারা পেয়েছেন মহাপবিত্র জ্ঞানভাণ্ডার আল কুরআন শরীফে। পশ্চিমা তথাকথিত বিজ্ঞানীরা উহা বুঝতই না। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। এই সত্য মুসলমান জানে ১৪০০ বৎসর আগ থেকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে জানিয়েছেন। অমুসলিমরা মাত্র ৫০০ বৎসর আগে সেই পুরনো সূত্র নতুন করে দাবি করলো। পোল্যান্ডের বিজ্ঞানী ‘কপারনিকাস’ পবিত্র কুরআন শরীফ নকল করে প্রকাশ করলো সূর্য সোলার সিস্টেমের মধ্যে অবস্থিত। খ্রিস্টানরা এটা মেনে নিতে পারেনি। তাই কপারনিকাসকে অস্বীকার করে বসলো এবং গ্যালিলিওকে বিচারের কাঠগোড়ায় দাঁড় করালো। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সূত্র নিজেদের নামে প্রকাশ করে কম হেস্তন্যাস্ত হয়নি। পাশ্চাত্যের মূর্খগুলি আজও পবিত্র কুরআন শরীফ মেনে নিতে পারেনি। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সত্য ঘটনা মেনে নেয়নি। দুঃখজনক মুসলমানগণ নিজেরা বিধর্মীদের মিথ্যাদাবির যথাযথ প্রতিবাদও করেনি।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে