বিধর্মী বিজাতীদের বিপরীত আমল করার শিক্ষা ‘পবিত্র ইফতারী’


আজকাল অনেকে বলে থাকে, সর্বক্ষেত্রে কি ইহুদী-নাছারাদের সাথে মিল না রেখে, তাল না মিলিয়ে চলা যাবে? নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে ব্যক্তি যে জাতি বা কওমের সাথে মিল-মুহব্বত রাখবে, ক্বিয়ামতের ময়দানে তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” নাঊযুবিল্লাহ!
এ বিষয়টি আমরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ইফতারীর নির্দেশনাতেও দেখতে পাই। যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যতদিন পর্যন্ত আমার উম্মত তাড়াতাড়ি ইফতারী করবে ততদিন পর্যন্ত তারা খায়ের ব্রকত কল্যাণ হতে বঞ্চিত হবে না।” সুবহানাল্লাহ!
এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় অন্যত্র বলা হয়েছে, যেহেতু ইহুদী-নাছারা তাদের রোযার ক্ষেত্রে ইফতারী করার সময় অনেক দেরি করে থাকে।
অতএব, মুসলমানরা যদি এক্ষেত্রে দেরি করে, তবে তা ইহুদী-নাছারাদের সাথে মিল হওয়ার কারণে আযাব-গযবের কারণ হতে পারে। তাই তাড়াতাড়ি ইফতারী করা অর্থাৎ সময় হলেই ইফতারী করে নিতে হবে। মূলত, ইফতারী তাড়াতাড়ি করার মুবারক নির্দেশনার মধ্যে মুসলমানদের নিজস্ব ঐতিহ্য অনুভূতি গেঁথে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সর্বক্ষেত্রে বিধর্মী বিজাতীদের বিপরীতে পবিত্র সুন্নতী আদর্শ মেনে চলার তাগাদা দেয়া হয়েছে।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে পবিত্র সুন্নত মুতাবিক ইফতারী করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে