বিধর্মী-মূর্তিপূজকদের যারা ভাই বা বন্ধু বলতে চায়- তারা কি করে ঈমানদার হতে পারে?


সীমা অতিক্রমকারীকে কেউই পছন্দ করে না। পিতা তার সন্তানকে, শিক্ষক তার ছাত্রকে, মনিব তার চাকরকে একবার দুইবার অনেকবারই ক্ষমা করতে পারে কিন্তু যখন তারা অবাধ্যতার সীমা অতিক্রম করে পাল্টা বিদ্রোহ করে বসে তখন তা আর কোনভাবেই বরদাশত করা হয় না। অসংখ্য আয়াত শরীফ উনার মাঝে মহান আল্লাহপাক তিনি জানিয়ে দিয়েছেন বলে দিয়েছেন যে- মুসলমানদের সবচাইতে বড় শত্রু হলো সমস্ত কাফির-মুশরিক তথা সকল ইহুদী, মূর্তিপূজক, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ সকল অমুসলিমরা। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ, তোমরা ইহুদী ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫১)
মহান আল্লাহপাক তিনি স্পষ্টভাবে কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন। তাহলে যে ব্যক্তি নিজেকে মহান আল্লাহপাক উনার প্রতি ঈমান আনার দাবি করার পরে, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার প্রতি ঈমান আনার দাবি করার পরেও ওই সকল বিধর্মী, অমুসলিমদের শত্রু না বলে বন্ধু বা ভাই বলতে চায় তারা কি মহান আল্লাহপাক উনার সাথে বিদ্রোহ করার অপরাধে অপরাধী নয়? তারা কি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সাথে বিদ্রোহকারী নয়? এরপরও কি করে তারা ঈমানদার থাকতে পারে বা দাবি করতে পারে? মূলতঃ এটাও মহান আল্লাহপাক তিনি বলে দিয়েছেন, যে তাদের সাথে তথা কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সেও কাফেরদের অর্ন্তভুক্ত হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে